25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গাড়িতে তৃণমূল নেতা! নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, সাসপেন্ড নৈহাটি থানার আইসি
পশ্চিমবঙ্গ

পুলিশের গাড়িতে তৃণমূল নেতা! নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ, সাসপেন্ড নৈহাটি থানার আইসি

Share
Share

কলকাতা: ভোটের মুখে ফের সক্রিয় নির্বাচন কমিশন। এবার পুলিশের গাড়িতে করে তৃণমূল নেতাকে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগে কড়া শাস্তির মুখে পড়লেন নৈহাটি থানার আইসি মহাবীর বেরা। সোমবার রাতেই তাঁকে সাসপেন্ড করার নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। অভিযোগ উঠেছে যে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়কে পুলিশের গাড়িতে করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে পৌঁছে দিয়েছিলেন খোদ আইসি। এই ঘটনায় নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সরব হয় বিজেপি। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, রাজ্য পুলিশকে নিরপেক্ষ করার চেষ্টা চললেও কিছু আধিকারিকের অভ্যাস বদলায়নি। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ব্যবহৃত একটি গাড়ি থেকে নামছেন পুর চেয়ারম্যান। এর পরেই কমিশনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, মহাবীর বেরার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং আপাতত তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। এই সময়ে তিনি নিয়মানুযায়ী মূল বেতনের অর্ধেক ও অন্যান্য ভাতা পাবেন। তাঁর জায়গায় বর্তমানে এসআই প্রকাশ ধাড়াকে নৈহাটি থানার দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োগ করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমার শেষ দিনে তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে-র সঙ্গে মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়েছিলেন অশোক চট্টোপাধ্যায়। সেই সময়ই এই বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটে যা শেষ পর্যন্ত আইসি-র সাসপেনশনে গিয়ে ঠেকল।

[TECHTARANGA-POST:7863]

তবে কেবল নৈহাটি নয়, ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই পক্ষপাতের অভিযোগে একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। ইতিপূর্বে বাসন্তী বাজারে রাজনৈতিক অশান্তির জেরে বাসন্তী থানার আইসি অভিজিৎ পালকেও সাসপেন্ড করা হয়েছিল। প্রশাসনের অন্দরেও পড়েছে কোপ; ভোটকর্মীদের ট্রেনিং সেন্টারে প্রটোকল বজায় রাখতে না পারায় গত ৩১ মার্চ হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে বরখাস্ত করা হয়। এমনকি তৃণমূলের হয়ে প্রচার করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে খণ্ডঘোষের জয়েন্ট বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকেও গত ৩ এপ্রিল সাসপেন্ড করেছে কমিশন। একের পর এক এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন বার্তা দিতে চাইছে যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার আপস বা পক্ষপাত সহ্য করা হবে না।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *