Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

দীঘায় গিয়ে আর পকেট খালি হবে না! মুখ্যমন্ত্রীর এক ঘোষণাতেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যে, বদলে যাচ্ছে মেরিন ড্রাইভের ভাগ্য!

দীঘা: ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এবার সবচেয়ে বড় সুখবর নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উইকএন্ড পেলেই যাঁদের মন দীঘার সমুদ্র সৈকতের দিকে ছুটে যায়, তাঁদের জন্য এক বিরাট স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। দীঘায় বেড়াতে গেলে এবার থেকে আর পকেট থেকে বাড়তি কোনও টাকা বা চাঁদা দিতে হবে না পর্যটকদের। এতদিন ধরে হোটেলের বিলের সঙ্গে যে অতিরিক্ত ১০ টাকা করে নেওয়া হতো, আগামী ১ জুলাই থেকে তা পুরোপুরি বন্ধ হতে চলেছে। দীঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, পর্যটকদের থেকে এভাবে হাত পেতে টাকা নেওয়া সরকারের রুচি-বিরোধী। বিগত সরকারের আমলের এই নিয়মকে অত্যন্ত আপত্তিকর বলে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট জানান যে, বছরে ৩০ লক্ষ টাকার এই বাড়তি কর আদায়ে বিস্তর গরমিলও রয়েছে। কারণ দীঘায় বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ পর্যটক আসেন, ফলে এই হিসেবের মধ্যেও ফাঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।শুধু চাঁদা বন্ধ করাই নয়, দীঘাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ ভোল বদলে যেতে চলেছে দীঘার বিখ্যাত মেরিন ড্রাইভের। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান মেরিন ড্রাইভটিকে চেন্নাই বা মুম্বইয়ের মতো বিশ্বমানের করে গড়ে তোলা হবে। এই উদ্দেশ্যে দীঘা থেকে পেটুয়া পর্যন্ত উপকূল এলাকাকে যুক্ত করে মেরিন ড্রাইভের সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া তাজপুরের দাদনপাত্রবাড়ে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের, যার জন্য ইতিমধ্যেই ১৭০০ একর জমি হাতে রয়েছে। এই বন্দর তৈরি হলে গোটা এলাকার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো আমূল বদলে যাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। একই সঙ্গে দীঘার রেল ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের ওপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, এবার দীঘা ভ্রমণ যেমন সস্তা হতে চলেছে, তেমনই পর্যটকরা পেতে চলেছেন এক সম্পূর্ণ নতুন ও ঝাঁ-চকচকে সমুদ্র সৈকতের অভিজ্ঞতা।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
৩ ঘন্টা আগে
এক ছাদের তলায় সমস্ত সরকারি পরিষেবা! আজ থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘জনকল্যাণ শিবির’, জানুন কোথায় কী সুবিধা পাবেন!

এক ছাদের তলায় সমস্ত সরকারি পরিষেবা! আজ থেকেই রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে ‘জনকল্যাণ শিবির’, জানুন কোথায় কী সুবিধা পাবেন!

কলকাতা: সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা আরও সহজে এবং দ্রুততম উপায়ে পৌঁছ...
২ ঘন্টা আগে

আমাদের ফেসবুক পেজ

নেইমারহীন ব্রাজিল ছন্নছাড়া! মরক্কোর সামনে আটকে গেল সেলেসাওরা, দুশ্চিন্তায় আনচেলত্তি

নেইমারহীন ব্রাজিল ছন্নছাড়া! মরক্কোর সামনে আটকে গেল সেলেসাওরা, দুশ্চিন্তায় আনচেলত্তি

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হলো হতাশাজনক ড্র দিয়ে। নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নামা সেলেসাওরা মরক্কোর বিরুদ্ধে ১-১ গোলে সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ফলাফল যেমন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি, তেমনি দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সও সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।শেষ নাচ নাকি ইতিহাসের শেষ অধ্যায়? ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে দেখা যায় মরক্কোকে। ব্রাজিলের মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ শানায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। সেই চাপের ফলও মেলে প্রথমার্ধে। ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো, আর ব্রাজিলের ডিফেন্সকে বেশ ছন্নছাড়া দেখায়।নেইমারের অনুপস্থিতি ব্রাজিলের আক্রমণে বড় প্রভাব ফেলেছে। সৃজনশীলতার অভাব ছিল স্পষ্ট। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে কার্যকর বল সরবরাহ না হওয়ায় ব্যক্তিগত দক্ষতার ওপরই বেশি নির্ভর করতে হয় দলকে।তবে বিপদের মুহূর্তে দলের ভরসা হয়ে ওঠেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রথমার্ধেই দুর্দান্ত এক গোলে সমতা ফেরান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফর্মারও ছিলেন তিনিই। তাঁর সেই গোলই শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে সাহায্য করে সেলেসাওদের।দ্বিতীয়ার্ধে কোচ কার্লো আনচেলত্তি একাধিক পরিবর্তন এনে মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করেন। বলের দখল বাড়লেও গোলের সামনে কার্যকারিতা দেখাতে পারেনি ব্রাজিল। অন্যদিকে মরক্কোর রক্ষণ ছিল অত্যন্ত সংগঠিত, আর গোলরক্ষকও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভ করে দলকে ভরসা দেন।বিশ্বকাপের দামামা ! শাকিরার নাচ, বার্না বয়ের গানে কাঁপল মেক্সিকো !ম্যাচ শেষে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে নেইমারকে ঘিরে। তাঁর অনুপস্থিতিতে ব্রাজিল কতটা কার্যকর, সেই আলোচনা এখন জোরদার। ভিনিসিয়ুস, রাফিনিয়া ও অন্যান্য তারকা থাকলেও দলগত সমন্বয়ের অভাব চোখে পড়েছে। বিশেষ করে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং রক্ষণভাগের ভুলগুলো ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।বিশ্বকাপের শুরুতেই মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হলেও ব্রাজিল শিবিরের জন্য বার্তাটা স্পষ্ট—শিরোপার দৌড়ে থাকতে হলে দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিতে হবে। আরও আক্রমণাত্মক, আরও সংগঠিত ফুটবলই এখন সময়ের দাবি। নেইমার ছাড়া ব্রাজিল এখনও ভয়ঙ্কর, কিন্তু অপ্রতিরোধ্য নয়। মরক্কোর বিরুদ্ধে ১-১ ড্র সেই বাস্তবতাই সামনে এনে দিল। ব্যক্তিগত প্রতিভার ঝলক থাকলেও দলগত ছন্দ খুঁজে পেতে আনচেলত্তির দলকে এখনও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে।
১৯ ঘন্টা আগে
অভিনেতা রাহুলের রহস্যমৃত্যুতে এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরেই সিআইডি তদন্তের বিরাট নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর!

অভিনেতা রাহুলের রহস্যমৃত্যুতে এবার নড়েচড়ে বসল প্রশাসন! প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পরেই সিআইডি তদন্তের বিরাট নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর!

দিঘা: টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণাদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক ও রহস্যজনক মৃত্যু মামলায় এবার এক মস্ত বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। আড়াই মাস কেটে গেলেও অভিনেতার মৃত্যুকে ঘিরে দানা বাঁধা অজস্র ধোঁয়াশা ও প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি খোদ প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরেই কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দিঘার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন যে, অভিনেতা রাহুলের এই রহস্যমৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার এবার থেকে রাজ্য সিআইডি (CID)-র হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ওড়িশার বালেশ্বরে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল এই জনপ্রিয় অভিনেতার। এটি স্রেফ একটি দুর্ঘটনা নাকি শুটিং সেটের চরম গাফিলতি ও অব্যবস্থা— তা নিয়ে ইতিমধ্যেই টলিপাড়ার একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদও জানিয়েছিল। এবার এই হাইপ্রোফাইল মামলার জট খুলতেই নামানো হচ্ছে সিআইডি-কে।দিঘার ওই প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এই বড় ঘোষণার পাশাপাশি দিঘা ও তার আশেপাশের এলাকার সরকারি হাসপাতালগুলির কঙ্কালসার চেহারা নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। বিগত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, গত দুই বছরে কোনও কাজই হয়নি, হাসপাতালে ন্যূনতম আইসিইউ বেড, ব্লাড ব্যাঙ্ক কিংবা ময়নাতদন্তের উপযুক্ত পরিকাঠামো পর্যন্ত নেই। রাহুলের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ওড়িশা সরকার ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সিট (SIT) গঠন করেছে। আর এ রাজ্যে অভিনেতার পরিবারের করা অভিযোগের ভিত্তিতে যে ‘ইউডি’ বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছিল, তা অবিলম্বে সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দিঘার বিশাল সমুদ্র সৈকতে নুলিয়াদের সংখ্যা বাড়ানো এবং তাদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নজরদারির পর এবার সিআইডি-র আগমনে রাহুলের মৃত্যুরহস্যের পর্দাফাঁস হয় কিনা, এখন সেটাই দেখার।
২ ঘন্টা আগে
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬৭১ জন
পোর্টাল রিফ্রেশ করতে করতে ক্লান্ত ছাত্রছাত্রীরা! পুনর্মূল্যায়নের ফল নিয়ে চরম উদাসীনতা বোর্ডে, বাড়ছে তীব্র ক্ষোভ!

পোর্টাল রিফ্রেশ করতে করতে ক্লান্ত ছাত্রছাত্রীরা! পুনর্মূল্যায়নের ফল নিয়ে চরম উদাসীনতা বোর্ডে, বাড়ছে তীব্র ক্ষোভ!

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের কড়া ভর্ৎসনা এবং নির্দিষ্ট ডেডলাইনের পরেও কাটল না জট। সিবিএসই (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন বা রিভ্যালুয়েশনের ফলপ্রকাশে নজিরবিহীন বিলম্বের কারণে এখন চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মুখে দেশের লক্ষাধিক পড়ুয়া। কলেজে কলেজে যখন ভর্তির প্রক্রিয়া প্রায় শেষলগ্নে, ঠিক তখন বোর্ডের এই রহস্যময় নীরবতায় হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর স্বপ্ন ভাঙার উপক্রম হয়েছে। গত সোমবারই সিবিএসই কর্তৃপক্ষকে তীব্র তিরস্কার করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সাফ জানিয়েছিল, শুক্রবারের মধ্যে পুনর্মূল্যায়নের ফল ঘোষণার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা সময়সীমা জানাতে হবে। কিন্তু আদালতের সেই কড়া নির্দেশের পরেও যথারীতি স্পিকটি নট বোর্ড কর্তৃপক্ষ। ফলপ্রকাশের দিনক্ষণ জানতে না পেরে পড়ুয়ারা এখন প্রতিনিয়ত বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রিফ্রেশ করছে, বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপ ও রেডডিট থ্রেড হাতড়াচ্ছে চাতক পাখির মতো। কিন্তু বোর্ডের এই উদাসীনতায় সব চেষ্টাই বিফলে যাচ্ছে তাদের।এই গোটা ঘটনার সূত্রপাত সৌদি আরবের এক প্রবাসী ভারতীয় পড়ুয়ার আইনি তৎপরতায়। ফল জানতে না পেরে ওই পড়ুয়া সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলে বিষয়টি জাতীয় স্তরে আলোড়ন সৃষ্টি করে। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট ভাষায় বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছিল, প্রয়োজনে রাত জেগে কাজ করে হলেও ১২ জুনের মধ্যে এমন একটা সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করতে হবে যাতে ওই পিটিশনার প্রবাসী পড়ুয়া-সহ বাকি সমস্ত ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু সেই শুক্রবার পেরিয়ে গেলেও সিবিএসই-র তরফ থেকে কোনও ইতিবাচক বার্তা আসেনি। টেকনিক্যাল দিক থেকে বিচার করলে, সর্বোচ্চ আদালতের শুনানির কেন্দ্রে ছিল উপসাগরীয় অঞ্চলের পরীক্ষার্থীরা এবং তাদের ভালো ফল প্রকাশের বিষয়টি। কিন্তু কোর্ট আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখেছে যে, ফল বেরোতে দেরি হওয়ার সরাসরি অর্থ হলো পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ চিরতরে হাতছাড়া বা বানচাল হয়ে যাওয়া। আর এটাই এখন দেশজুড়ে লাখ লাখ পড়ুয়ার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।গত ৭ জুন পরীক্ষার ফল রিভ্যালুয়েশন ও ভেরিফিকেশনের উইন্ডো বন্ধ হওয়া পর্যন্ত বোর্ডের পোর্টালে ১ লক্ষ ৬০ হাজারেরও বেশি পড়ুয়া আবেদনের খাতা খুলেছে বলে সিবিএসই সূত্রে জানা গিয়েছে। আবেদনকারী পরীক্ষার্থীদের এই বিপুল সংখ্যাই প্রমাণ করে দেয় যে, বোর্ডের নতুন মূল্যায়ন সিস্টেম নিয়ে পড়ুয়াদের মনে কতটা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কাজ করছে। অনেকের কাছেই আর মাত্র কয়েকটা বেশি নম্বরের মূল্য অপরিসীম। কারণ, ওই সামান্য কয়েক নম্বরের ওপরেই নির্ভর করছে বিভিন্ন প্রথম সারির কলেজে ভর্তির জন্য ন্যূনতম ৭৫ শতাংশের যোগ্যতামান পেরনো, স্কলারশিপের মাপকাঠি অর্জন করা কিংবা নিজের পছন্দের বিশেষ কোনও কোর্সে সুযোগ পাওয়া।সই জাল কাণ্ডের তদন্তে কুণালকে তলবসবচেয়ে মারাত্মক বিষয় হলো, বোর্ডের এই শচ্ছল গতির পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার জন্য দেশের অধিকাংশ নামী বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ভর্তির পূর্বনির্ধারিত নির্ঘণ্ট বা সময়সূচি স্থগিত রাখবে না। কিছু হাতে গোনা প্রতিষ্ঠান অবশ্য পড়ুয়াদের আপডেটেড বা সংশোধিত মার্কশিট পরে জমা দেওয়ার ছাড়পত্র দিচ্ছে, কিন্তু বাকিরা কাউন্সেলিং ও সিট বরাদ্দ করার কাজ চলতি রুটিন মেনেই চালিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পড়ুয়ারা এক গভীর ধর্মসংকটে পড়েছে। বর্তমান নম্বরেই কি তারা কোনও সাধারণ কলেজে আসন গ্রহণ করবে, নাকি সংশোধিত বেশি নম্বরের আশায় বুক বেঁধে শীর্ষ কলেজের জন্য অপেক্ষা করবে? ভর্তির মোটা টাকা ফি জমা দিয়ে আপডেট হওয়া মার্কশিট সময়মতো হাতে পাওয়ার আশায় বসে থাকা কতটা যুক্তিযুক্ত? এমন হাজারো অমীমাংসিত প্রশ্ন এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।
২১ ঘন্টা আগে
গুচ্ছের প্রেসক্রিপশন বইবার দিন শেষ! এবার স্রেফ এক ক্লিকেই হাসপাতালের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে রোগীর সব তথ্য, বড় পদক্ষেপ নবান্নের!

গুচ্ছের প্রেসক্রিপশন বইবার দিন শেষ! এবার স্রেফ এক ক্লিকেই হাসপাতালের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে রোগীর সব তথ্য, বড় পদক্ষেপ নবান্নের!

কলকাতা: সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রেসক্রিপশন বা পুরনো রিপোর্ট হারিয়ে ফেলার দিন এবার অতীত হতে চলেছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে এক যুগান্তকারী ডিজিটাল পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্যভবন। ‘অভিষেক নয়, লোকসভার নিয়ম ঠিক করবেন স্পিকার’, কটাক্ষ দিলীপেরএবার থেকে রোগীর প্রেসক্রিপশন থাকবে সরাসরি সরকারের সেন্ট্রাল সার্ভারে, যা হাসপাতালের কম্পিউটারে স্রেফ এক ক্লিকেই দেখে নিতে পারবেন চিকিৎসকরা। নতুন এই ‘প্রেসক্রিপশন অডিট’ সফটওয়্যার নিয়ে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যভবনে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল এবং সিউড়ি সদর হাসপাতাল সহ মোট ১০টি হাসপাতালে প্রাথমিকভাবে ট্রায়াল মোডে এই পরিষেবা শুরু হচ্ছে। রাজ্যের পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতেই এই বিশেষ সফটওয়্যার চালু করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর।জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে বিশেষ করে সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত এলাকার রোগীদের সব সময় চিকিৎসা সংক্রান্ত গুচ্ছের কাগজ নিয়ে ঘোরার ঝক্কি পোহাতে হবে না। প্রতিটি রোগীর জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট ডিজিটাল আইডি, যা বললেই চিকিৎসক জানতে পারবেন রোগী কতদিন ভর্তি ছিলেন বা তাঁকে কী কী অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়েছে। এতে যেমন অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমানো যাবে, তেমনই স্পষ্ট হবে প্রেসক্রিপশনের তথ্যও। উল্লেখ্য, বিগত সময়ে বহু ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের অস্পষ্ট হাতের লেখা বা জেনেরিক ওষুধের বদলে ব্র্যান্ড নেম লেখা নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হতো, এই নতুন সফটওয়্যার সেই সমস্যারও স্থায়ী সমাধান করবে। পাশাপাশি হাসপাতালের বেড কতগুলি খালি রয়েছে এবং কতজন রোগী ভর্তি আছেন, তার ওপরেও সরাসরি নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে হেঁটে রাজ্যের এই নতুন প্রয়াস সাধারণ মানুষের হয়রানি অনেকটাই কমাবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
এখনই
অভিষেকের বাড়িতেই ছিল শেষ লোকেশন! এবার সাংসদের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা, বাড়ছে অস্বস্তি!

অভিষেকের বাড়িতেই ছিল শেষ লোকেশন! এবার সাংসদের আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা, বাড়ছে অস্বস্তি!

এখনই
রুটি আর লবণে মোদীকে রাজকীয় বরণ! ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী!

রুটি আর লবণে মোদীকে রাজকীয় বরণ! ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী!

ব্রাতিস্লাভা: আন্তর্জাতিক কূটনীতির আঙিনায় এক নতুন ইতিহাস তৈরি করে ইউরোপ সফরের দ্বিতীয় ধাপে সোমবার স্লোভাকিয়ায় পা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিলুপ্তির পর স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্লোভাকিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে। তারপর থেকে গত ৩৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সেখানে পা রাখলেন। স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় মোদীর বিমান অবতরণের পর দেশটির ঐতিহ্যবাহী প্রথা মেনে রুটি ও লবণ দিয়ে তাঁকে এক অনন্য ও রাজকীয় অভ্যর্থনা জানান স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানার। এই ঐতিহাসিক সফরের সূচনা ঘটিয়ে সোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এক নয়া দিগন্তের উন্মোচন করবে।দুই দিনের এই ঠাসা সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে মোদির হাইপ্রোফাইল দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন এবং ডিফেন্স বা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতাকে আরও মজবুত করা। বিদ্রোহী সাংসদের যোগদানের জল্পনাএর পাশাপাশি স্লোভাকিয়ার প্রথম সারির শিল্পপতিদের সঙ্গেও গোলটেবিল বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী।পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৫ সালে দেশটিতে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর স্লোভাকিয়া সফরকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  স্লোভাকিয়া সফর শেষ করে আগামী ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী মোদী ফ্রান্সের এভিয়ানে আয়োজিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং ১৮ জুন প্যারিসের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ করে দেশে ফিরবেন।
১ ঘন্টা আগে
‘বাড়ির চারপাশে ঘুরে লাভ নেই, বিব্রত করবেন না!’—তৃণমূল কর্মীদের কড়া বার্তা দিয়ে নেটপাড়ায় ভাইরাল বিজেপি নেতা!

‘বাড়ির চারপাশে ঘুরে লাভ নেই, বিব্রত করবেন না!’—তৃণমূল কর্মীদের কড়া বার্তা দিয়ে নেটপাড়ায় ভাইরাল বিজেপি নেতা!

বর্ধমান: রাজ্যে নজিরবিহীন রাজনৈতিক পালাবদলের পর দলবদল আর রাজনৈতিক সমীকরণ পুনর্গঠনের জল্পনায় যখন ফুটছে বাংলা, ঠিক তখনই বর্ধমান শহরে দেখা গেল এক বেনজির ও চোখ কপালে তোলার মতো দৃশ্য। কোনও দলীয় কার্যালয় নয়, খোদ নিজের বাসভবনের মেইন গেটেই ‘তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের প্রবেশ নিষেধ’ সম্বলিত এক বিশাল ব্যানার টাঙিয়ে দিলেন এক হেভিওয়েট বিজেপি নেতা। সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্ফোরক অধীর চৌধুরীতাতে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— তৃণমূলের কোনও নেতা বা কর্মীর জায়গা বিজেপিতে নেই, তাই তাঁরা যেন কোনওরকম অনুরোধ বা তদ্বির নিয়ে তাঁর বাড়ির দোরগোড়ায় না আসেন এবং অনর্থক ঘোরাঘুরি করে তাঁকে বিব্রত না করেন। বর্ধমান শহরের শাঁকারিপুকুর এলাকার একটি জনবহুল আবাসিক এলাকায় এক বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে এমন রাজনৈতিক বার্তাবাহী ব্যানারকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক তরজা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, এই অভিনব কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন বিজেপির ৪ নম্বর নগর মণ্ডলের সহ-সভাপতি মানস কুমার দে। নিজের এই চরম সিদ্ধান্তের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে মানসবাবু দাবি করেছেন, রাজ্যে ৪ মে ক্ষমতার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকেই নাকি সকাল-বিকেল বহু তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক নানা ব্যক্তিগত অনুরোধ এবং বিজেপিতে যোগ দেওয়ার তদ্বির নিয়ে তাঁর বাড়িতে ভিড় করছেন। সেই উপদ্রব সামাল দিতেই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় তিনি এই ব্যানার লাগাতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, "দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে বিজেপির ঝান্ডা ধরছি। অতীতে আমাদের কর্মীদের তৃণমূলের হাতে একাধিক প্রতিকূল ও অত্যাচারী পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। এখন রাজ্যে ক্ষমতার মৌসম বদলাতেই সুবিধাবাদীরা যোগাযোগ করছেন। কিন্তু যাঁদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ স্পষ্ট রায় দিয়েছেন, তাঁদের দলে নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের নির্দেশ মেনেই আমি এই কড়া অবস্থান নিয়েছি।" ইতিমধ্যেই এই ব্যানারের ছবি সামাজিক মাধ্যমে হুহু করে ছড়িয়ে পড়েছে।এদিকে, এই পোস্টার-বিতর্ক সামনে আসতেই পাল্টা আসরে নেমেছে ঘাসফুল শিবির। এই গোটা ঘটনাটিকে সস্তা রাজনৈতিক প্রচারের নোংরা কৌশল বলেই ব্যাখ্যা করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা দেবু টুডুর পালটা অভিযোগ, "রাজ্যে ক্ষমতার বদল হওয়ার পর থেকে বিজেপিই আমাদের সাধারণ কর্মীদের ওপর নানাভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। ভয় দেখিয়ে, কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও পুলিশের জুজু দেখিয়ে দলবদলের নোংরা চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আর এখন সাধু সাজার জন্য এই ধরনের নাটকীয় পোস্টার লাগিয়ে সস্তা রাজনৈতিক প্রচার করার অপচেষ্টা চলছে।" রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ব্যানার কেবল শাঁকারিপুকুর নয়, বরং রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের ভবিষ্যৎ এবং দলবদলের চোরাস্রোতকে এক নতুন বিতর্কের চাদরে মুড়ে দিল।
এখনই
ওষুধ ভেবে শিশুর শরীরে বিষাক্ত কেমিক্যাল! ভোপাল AIIMS-এর চরম গাফিলতিতে অকালে ঝরল ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর প্রাণ!

ওষুধ ভেবে শিশুর শরীরে বিষাক্ত কেমিক্যাল! ভোপাল AIIMS-এর চরম গাফিলতিতে অকালে ঝরল ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর প্রাণ!

ভোপাল: মধ্যপ্রদেশের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এ চিকিৎসায় চরম ও হাড়হিম করা গাফিলতির অভিযোগ উঠল। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত এক শিশুকে জীবনদায়ী ওষুধের পরিবর্তে ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক ‘ফর্মালিন’! এই ভয়ঙ্কর ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ৩ বছরের এক নিষ্পাপ শিশু। মৃত শিশুর নাম সার্থক যাদব। হাসপাতালের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ তদন্তেই এই মারাত্মক গাফিলতির অকাট্য প্রমাণ মিলেছে। যার ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই কর্তব্যরত দুই নার্সিং আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ভোপালের বাগসেওনিয়া থানার পুলিশ অভিযুক্ত দুই নার্সের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ সরকারি হাসপাতালের এমন অবিশ্বাস্য গাফিলতিতে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বাসিন্দা ৩ বছর বয়সী শিশু সার্থক লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিল। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তাকে ভোপাল এআইআইএমএস-এর শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়। তদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে এক মারাত্মক তথ্য। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির আইভি (IV) লাইন হঠাৎ ব্লক হয়ে গেলে কর্তব্যরত এক নার্স সেটি সচল করতে পাশ থেকে ওষুধ ভেবে একটি সিরিঞ্জ তুলে নেন এবং তা শিশুর শরীরে পুশ করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সেই সিরিঞ্জটিতে সাধারণ কোনও ওষুধ ছিল না, বরং তাতে ভরা ছিল তরল ফর্মালিন। এই ফর্মালিন মূলত প্যাথলজি বিভাগে মানবদেহের টিস্যু, বায়োপসি নমুনা কিংবা মর্গ বা মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত একটি তীব্র বিষাক্ত রাসায়নিক।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, সার্থকের ঠিক আগেই অন্য এক রোগীর বায়োপসি প্রক্রিয়ার জন্য ওই ফর্মালিন ভর্তি সিরিঞ্জটি আনা হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ স্থগিত হয়ে যাওয়ার পরেও সিরিঞ্জটি নিয়ম মেনে নিরাপদে নষ্ট বা নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করা হয়নি। চিকিৎসকদের চরম উদাসীনতায় সেটি রোগীর শয্যার পাশেই অবহেলায় ফেলে রাখা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে জীবন কাড়ল এই শিশুর। বিষাক্ত ওই রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সার্থক অচেতন হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি তাকে পেডিয়াট্রিক আইসিইউ-তে (PICU) স্থানান্তরিত করে সিপিআর-সহ সমস্ত ধরণের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষরক্ষা করা যায়নি। অভ্যন্তরীণ তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর অভিযুক্ত দুই নার্সিং আধিকারিকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
নিজস্ব প্রতিবেদক

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার