Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

'আদালতের নির্দেশ মানতেই হবে’, ২১ জুলাইয়ের সভা নিয়ে তৃণমূলকে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

কলকাতা: ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলকে সতর্কবার্তা দিল কলকাতা হাই কোর্ট। অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের জানিয়েছে, রাজ্যের জমা দেওয়া রিপোর্টে সমাবেশ সংক্রান্ত নির্দেশ পুরোপুরি মানা হয়নি। ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।শুক্রবার ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের অনুমতি সংক্রান্ত মামলায় হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দেয় রাজ্য। শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, সমাবেশ ঘিরে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল কি না। এর উত্তরে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও’ব্রায়েনের আইনজীবী জানান, সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, সমাবেশে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জমায়েতের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়নি। পাশাপাশি, ক্যাথিড্রাল রোডের একটি রাস্তা খোলা রাখার নির্দেশ থাকলেও বাস্তবে তা মানা হয়নি।রাজ্যের এই রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালতের নির্দেশ ভবিষ্যতে অমান্য করা হলে তা আর মেনে নেওয়া হবে না। উল্লেখ্য, ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের জায়গা ঘিরে এর আগেও একাধিকবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সমাবেশের আয়োজন করা হলেও, সেখানেও আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি মানা হয়নি বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
১ ঘন্টা আগে
১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা! নির্বাসনের স্মৃতি পেরিয়ে ‘প্রিয় শহরে’ ফিরলেন লেখিকা

১৯ বছর পর কলকাতায় তসলিমা! নির্বাসনের স্মৃতি পেরিয়ে ‘প্রিয় শহরে’ ফিরলেন লেখিকা

২০০৭ সালে শহর ছেড়েছিলেন। প্রায় দু’দশকের অপেক্ষা। অবশেষে কলকাতার মাটিতে পা রাখলেন...
৩৩ মিনিট আগে
আমাদের ফেসবুক পেজ
‘মেন ইন ব্লু’ অতীত, রাতারাতি গেরুয়া হয়ে গেল ভারতীয় দল! বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তোলপাড়

‘মেন ইন ব্লু’ অতীত, রাতারাতি গেরুয়া হয়ে গেল ভারতীয় দল! বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তোলপাড়

নয়াদিল্লি: বিশ্ব ক্রীড়ামঞ্চে ভারতের চিরচেনা ‘মেন ইন ব্লু’ পরিচয় কি তবে এবার অতীত হতে চলেছে? অগস্টে নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামে আয়োজিত হতে চলা হকি বিশ্বকাপের ঠিক মুখেই বিশ্বজুড়ে শোরগোল ফেলে দিল ভারতীয় হকি ফেডারেশন। জাতীয় পুরুষ ও মহিলা—উভয় হকি দলেরই ঐতিহ্যবাহী নীল জার্সি রাতারাতি বদলে গিয়ে হয়ে গেল গাঢ় গেরুয়া! দল ঘোষণার পাশাপাশি নতুন এই জার্সির উন্মোচন ভিডিও ভাইরাল হতেই অনুরাগী থেকে শুরু করে প্রাক্তনীদের একাংশের মধ্যে সমালোচনার ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরেন রাসকুইনহাও প্রকাশ্যে এই আকস্মিক রংবদল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তবে দেশজুড়ে জল্পনা ও বিতর্কের আগুনে জল ঢালতে দ্রুত ব্যাখ্যা নিয়ে ময়দানে নেমেছে হকি ইন্ডিয়া। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক হকির টার্ফ বা মাঠ সাধারণত নীল রঙের হওয়ায় অনেক সময় খেলোয়াড়দের চিনতে সমস্যা হয় এবং জার্সির রং মাঠের সাথে মিশে যায়। খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই রং বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বহু রঙের মধ্যে কেন বেছে নেওয়া হলো কেবলই ‘গেরুয়া’? হকি কর্তাদের যুক্তি, ভোটাভুটিতে হলুদ ও গেরুয়া সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিল। তা ছাড়া দেশের জাতীয় পতাকার শীর্ষের এই রংটি সাহস, ত্যাগ ও জাতীয় গর্বের প্রতীক। এর আগে ২০১৪ সালে হলুদ এবং ২০১৮ সালে আকাশি রঙের জার্সি পরা হলেও, কোনো প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বকাপে ভারতের প্রধান জার্সি হিসেবে গেরুয়ার পদার্পণ এই প্রথম।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
৩০ জুলাই ২০২৬
দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে পাক উসকানি! ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ফাঁস দিল্লি পুলিশের

দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে পাক উসকানি! ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ফাঁস দিল্লি পুলিশের

নয়া দিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ঘটে চলা লাগাতার হিংসা ও অরাজকতার নেপথ্যে যে এক গভীর বিদেশি ষড়যন্ত্র কাজ করছিল, তার ভয়ংকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে দিল্লি পুলিশ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, দেশের পড়ুয়াদের ক্ষোভকে ব্যবহার করে ভারতে অস্থিরতা তৈরি করতে সরাসরি আসরে নেমেছে পাকিস্তান। প্রায় চারশোটি পাক সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে দিনরাত একটানা উসকানিমূলক প্রোপাগান্ডা চালিয়ে জেন জি বা তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে।পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিহ্নিত হওয়া এই চারশোটি অ্যাকাউন্টের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে প্রায় একশোটি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল। বর্তমান প্রজন্মের যুবসমাজ ইনস্টাগ্রামে অত্যন্ত সক্রিয় থাকায়, সুকৌশলে এই প্ল্যাটফর্মের ফিড অ্যালগরিদমে ভারত-বিরোধী এবং হিংসাত্মক পোস্ট ঢুকিয়ে দেওয়ার কাজ চালাচ্ছে পাক হ্যান্ডেলগুলি। এর মূল উদ্দেশ্যই হল শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে হিংসার আগুনে পরিণত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো।তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। দিল্লি পুলিশ জানতে পেরেছে, যন্তর মন্তরের হিংসার ঘটনার সঙ্গে 'অপারেশন সিঁদুর'-এর একটি গভীর যোগসূত্র রয়েছে। যে পাক অ্যাকাউন্টগুলি থেকে সম্প্রতি দিল্লিতে হিংসায় উসকানি দেওয়া হচ্ছিল, ঠিক একই অ্যাকাউন্টগুলি 'অপারেশন সিঁদুর' চলাকালেও ভারত-বিরোধী ভুয়ো খবর ও অপপ্রচারে সক্রিয় ছিল। সাইবার জগতের এই পাতা ফাঁদেই পা দিয়ে আন্দোলনকারীরা অনেক সময় বিভ্রান্ত হচ্ছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তদন্তকারীরা।দিল্লিতে আন্দোলনের নামে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং পুলিশের উপর হামলার ঘটনাকে মোটেও হালকাভাবে দেখছে না প্রশাসন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা থাকলেও যারা পর্দার আড়াল থেকে হিংসায় উসকানি দিয়েছে বা সরাসরি হিংসাত্মক কার্যকলাপে যুক্ত, তাদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না। দেশের সাধারণ পড়ুয়াদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে একটি প্রতিবেশী শত্রুভাবাপন্ন দেশ আন্দোলনকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজনৈতিক মহল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
২৪ জুলাই ২০২৬
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশের ভোট- আপনি সমর্থন করেন কী?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬৭১ জন
 পকেটে থাকা ৫০ টাকার নোটটি আসল তো? জেনে নিন চেনার সহজ উপায়

পকেটে থাকা ৫০ টাকার নোটটি আসল তো? জেনে নিন চেনার সহজ উপায়

নয়া দিল্লি: ৫০০ টাকার জাল নোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চিরকালই একটা বাড়তি সতর্কতা কাজ করে। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার মানিব্যাগে থাকা ছোট্ট ৫০ টাকার নোটটি নিয়ে আপনি কতটা নিশ্চিত? বেশিরভাগ মানুষেরই উত্তর হবে, ছেঁড়া-ফাটা না হলে ছোট নোট কেউ আর খুঁটিয়ে দেখে না। আর ঠিক এই সুযোগটিকেই একশো শতাংশ কাজে লাগাচ্ছে অসাধু চক্র। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বাজারের অলিতে-গলিতে রমরম করে ছড়িয়ে পড়ছে ৫০ টাকার নকল নোট। না বুঝেই সেই জাল নোট পকেটে ভরছেন সাধারণ মানুষ। সাম্প্রতিক এক তথ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই বিষয়ে চরম সতর্কবার্তা জারি করেছে।সাধারণত বড় অঙ্কের নোটের ক্ষেত্রে জালিয়াতির আশঙ্কা করে সকলে সতর্ক থাকলেও, পঞ্চাশ বা একশো টাকার মতো ছোট নোটেও যে অপরাধীরা হাত বাড়াতে পারে, তা সাধারণের ভাবনার বাইরে থাকে। এই মানসিকতার সুযোগ নিয়েই জালিয়াতরা কম টাকার জাল নোট খুব সহজেই বাজারে চালিয়ে দিচ্ছে। তবে এবার এই ফাঁদ থেকে বাঁচতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে আসল ৫০ টাকার নোট চিনে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতির কথা জানানো হয়েছে, যা প্রতিটি সাধারণ নাগরিকের জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আসল ৫০ টাকার নোট চেনার বেশ কিছু মূল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথমত, নোটটির নিচের বাম দিকে টাকার অঙ্কটি সংখ্যায় অর্থাৎ '৫০' হিসেবে লেখা থাকে, যা আলোর নিচে ধরলে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। দ্বিতীয়ত, নোটের একেবারে ঠিক মধ্যবরাবর অবস্থান করে মহাত্মা গান্ধীর প্রতিকৃতি। তৃতীয়ত, এই নোটের পেছনের অংশে থাকে বিখ্যাত ঐতিহাসিক হাম্পির স্থাপত্য বা রথের নিখুঁত ছবি। চতুর্থত, নোটটির ডান দিকে থাকে গভর্নরের স্বাক্ষর ও নির্দিষ্ট লোগো। পঞ্চমত, নোটের ওপরের বাম দিক এবং নিচের অংশে সুনির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বর মুদ্রিত থাকে। এ ছাড়াও আসল নোটে স্পষ্ট থাকে অশোক চক্র এবং দেবনাগরী ভাষায় টাকার মান। আর্থিক লেনদেনের সময় এই ছোট অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলি খেয়াল রাখলেই যে কেউ খুব সহজে আসল ও নকলের তফাত বুঝতে পারবেন এবং বড় ধরনের প্রতারণার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।
২৪ জুলাই ২০২৬
৯৩ কোটি থেকে ২৪২ গাড়ি! টুলুর ‘সাম্রাজ্য’ ফাঁস, বিস্ফোরক শুভেন্দু

৯৩ কোটি থেকে ২৪২ গাড়ি! টুলুর ‘সাম্রাজ্য’ ফাঁস, বিস্ফোরক শুভেন্দু

একটা নাম, আর তার সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হিসেব। বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের ‘সাম্রাজ্য’ নিয়ে এবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, একদিনে এই বিপুল সম্পত্তি তৈরি হয়নি। এর পিছনে দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র রয়েছে। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে টুলুর বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, টুলু মণ্ডলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৯৩ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়াও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে নগদ টাকা, সোনা, রুপো, প্ল্যাটিনাম-সহ বিপুল সম্পদ। উদ্ধার হয়েছে ২৬৮ গ্রাম সোনা, ৪০০ গ্রাম রুপো, ৬৩ গ্রাম প্ল্যাটিনাম। পাশাপাশি টাকা গোনার মেশিন, কম্পিউটার, সিপিইউ এবং পেনড্রাইভও পাওয়া গিয়েছে। শুধু নগদ বা গয়না নয়, টুলুর গাড়ির বহর নিয়েও বিস্ফোরক তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ৮৩টি ট্রাক ও ডাম্পার, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ, অডি-সহ মোট ২৪২টি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়াও টুলুর নামে থাকা ২১টি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে জানান তিনি। এই সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে ৭টি বাড়ি, ১টি ফার্মহাউস, ২টি পেট্রল পাম্প, ১টি পার্কিং এবং ২টি ক্রাশার। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০ বিঘা জমি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু।এদিন টুলু মণ্ডল প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “কাঁড়ি কাঁড়ি সম্পত্তি একদিনে তৈরি হয় না। এর পিছনে দীর্ঘদিনের যোগ রয়েছে।” তাঁর নিশানায় ছিল পূর্বতন তৃণমূল সরকার। শুভেন্দুর অভিযোগ, “এত বড় দুর্নীতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সাপোর্ট ছাড়া হতে পারে না।” যারাই এই অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের কাউকেই ছাড়া হবে না। শুধু পুলিশ বা প্রশাসনের নিচু স্তরের আধিকারিকদের দায়ী করে লাভ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে এখনও অধরা টুলু মণ্ডল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গত ৪ মে-র পরই বিদেশে পালিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য পুলিশ তাঁকে খুঁজে বের করবে বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন শুভেন্দু।
এখনই
সব্যসাচীর ‘কালো টাকার’ খোঁজে ইডি? কলকাতা-সহ একাধিক জায়গায় অভিযান

সব্যসাচীর ‘কালো টাকার’ খোঁজে ইডি? কলকাতা-সহ একাধিক জায়গায় অভিযান

এখনই
বন্দে মাতরমকে অপমান করলেই যেতে হবে জেল! বিরোধীদের হট্টগোলের মাঝেই লোকসভায় পাশ নয়া বিল

বন্দে মাতরমকে অপমান করলেই যেতে হবে জেল! বিরোধীদের হট্টগোলের মাঝেই লোকসভায় পাশ নয়া বিল

নয়াদিল্লি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র মতোই এবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বন্দে মাতরম' পাবে সমান মর্যাদা ও আইনি সুরক্ষা। জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’কে অপমান বা অসম্মান করলেই হতে পারে কঠিনতম জেল হেফাজত। বুধবার রাজ্যসভায় পাশ হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার বিরোধীদের চরম হট্টগোল ও ওয়াকআউটের মাঝেই লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল ঐতিহাসিক 'জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬'। এতদিন পর্যন্ত ১৯৭১ সালের মূল আইনি সুরক্ষায় কেবল জাতীয় পতাকা, সংবিধান ও জাতীয় সঙ্গীত অন্তর্ভুক্ত থাকলেও, এবার থেকে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-ও সেই সমান আইনি স্থান পেতে চলেছে।সংসদের উভয় কক্ষেই নিট প্রশ্নফাঁস এবং আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কংগ্রেসসহ বিরোধী সাংসদরা তুলকালাম কাণ্ড ঘটান। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের তোপের মুখে বিরোধীরা একপর্যায়ে কক্ষ ত্যাগ করলে, সেই আবহেই বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাশ করিয়ে নেয় কেন্দ্র। চলতি বছরেই বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক এই সৃষ্টির ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে, যা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে এবং ১৮৯৬ সালে যে গানে সুর দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি জাতীয় গানকে জাতীয় সঙ্গীতের সমমর্যাদা দেওয়ার যে দাবি জানিয়ে আসছিল, এই বিল পাশের মাধ্যমে তা বাস্তবায়িত হলো। সংশোধিত এই আইন অমান্য করে বন্দে মাতরমের অবমাননা করলে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে অপরাধীর।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
২৩ ঘন্টা আগে
মোদীর রেকর্ড ভাঙা ভিডিও হাওয়া ইনস্টাগ্রাম থেকে! কাঠগড়ায় মেটা, চূড়ান্ত তলব কেন্দ্রের

মোদীর রেকর্ড ভাঙা ভিডিও হাওয়া ইনস্টাগ্রাম থেকে! কাঠগড়ায় মেটা, চূড়ান্ত তলব কেন্দ্রের

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইতিহাস গড়া একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাঝরাতে সর্বভারতীয় পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছিলেন মোদী। আপলোড করার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিওটির ভিউ ২৭১ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, সেই সঙ্গে পড়ে দেড় কোটিরও বেশি লাইক এবং প্রায় ১৩ লক্ষ কমেন্ট। এই অভূতপূর্ব সাড়ার পরমুহূর্তেই এক লাফে প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ১০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে ১০২ মিলিয়নে পৌঁছে যায়, যা তাঁকে বিশ্বমঞ্চে একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ১০ কোটির বেশি অনুগামী থাকা নেতার মর্যাদাধন্য করে তোলে। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে আচমকাই দেখা যায়, ঝড় তোলা সেই ভিডিওটি আর ইনস্টাগ্রামে নেই, যা দেখে রীতিমতো তাজ্জব বনে যান গোটা দেশের নাগরিকরা।ঝড় তোলা এই ভিডিও মুছে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তড়িঘড়ি জলঘোলা শুরু হতেই সুর নরম করে ক্ষমা চেয়েছে সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট মেটা। সংস্থার তরফ থেকে সাফাই দিয়ে জানানো হয়েছে যে, এটি সম্পূর্ণ একটি অনিচ্ছাকৃত যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ভুলবশতই কন্টেন্টটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে গিয়েছিল। একটি সরকারি বিবৃতি জারি করে মেটা কর্তৃপক্ষ জানায়, ভুল টের পাওয়ার পর ইতিমধ্যেই মোদীর সেই ভিডিও ফের সসম্মানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় ফেলে দেওয়া এই ভুলের কারণ দর্শিয়ে মেটা ক্ষমা চাইলেও বিষয়টিকে হালকাভাবে নিতে নারাজ সাউথ ব্লক।বিদেশি সংস্থার এমন একতরফা ও বিতর্কিত পদক্ষেপে চরম ক্ষুব্ধ কেন্দ্র সরকার। ঘটনার পরই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পদক্ষেপ করে কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক, যার জেরে মেটা এবং ইনস্টাগ্রামের আন্তর্জাতিক শীর্ষ কর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে সমন পাঠিয়ে তলব করা হয়েছে। এদিকে এই সুযোগে সোশাল মিডিয়া জায়ান্টটির বিরুদ্ধে তোপ দেগে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল বিজেপি। পদ্ম শিবিরের স্পষ্ট প্রশ্ন, মোদীর মতো শীর্ষ বিশ্বনেতার কন্টেন্ট সরানোর দুঃসাহস এবং অধিকার একজন বিদেশি সংস্থাকে কে দিল? ভারতের নাগরিকরা সোশাল মিডিয়ায় ঠিক কী দেখবেন আর কী দেখবেন না, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব কোনো বিদেশি কর্পোরেট সংস্থার হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ
এখনই
বর্ধমানে ধৃত জইশ জঙ্গি, টার্গেটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?

বর্ধমানে ধৃত জইশ জঙ্গি, টার্গেটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কি জঙ্গিদের টার্গেটে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই মাঠে নেমেছিল বেঙ্গল STF। বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হল জইশ-ই-মহম্মদের এক সন্দেহভাজন সদস্যকে। ধৃত ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার ছক কষছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তার কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচির বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হবে।ধৃতের নাম হামিদ মণ্ডল। তার বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি পেশায় গেঞ্জি কারখানার কর্মী। তবে  প্রায় দু'মাস আগে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার হাউসিংয়ের জিমে শরীরচর্চা করার সময় বেঙ্গল STF-এর অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড তাকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীদের দাবি, হামিদ জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। কাশ্মীরের জঙ্গি সাজ্জাদ ভাটের ঘনিষ্ঠ বলেও অভিযোগ। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, সে পাকিস্তানে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এবং আইএসআইয়ের হয়ে 'হ্যান্ডলার' হিসেবে কাজ করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সফরসূচির বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি উঠেছে। কোথায় সভা, কখন যাতায়াত, গাড়ি কোথায় থাকবে, কখন গাড়িতে উঠবেন এই ধরনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তার কাছে ছিল। তবে শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, আরও কয়েকজন ভিআইপি ব্যক্তির সফরসূচি সম্পর্কিত তথ্যও ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। কার নির্দেশে এবং কী উদ্দেশ্যে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল, তারই তদন্তে নেমেছে  বেঙ্গল STF। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলতে পারে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক