Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

EPFO: ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার! উৎসবের আগেই বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐতিহাসিক উপহার কেন্দ্রের

EPFO: ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার! উৎসবের আগেই বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐতিহাসিক উপহার কেন্দ্রের
নয়া দিল্লি: উৎসবের আবহে দেশের কোটি কোটি বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য বড়সড় জ্যাকপট দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও (EPFO)-তে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বেসিক বেতনের ঊর্ধ্বসীমা এক ধাক্কায় ১০ হাজার টাকা বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। এতদিন পর্যন্ত যেসব বেসরকারি কর্মীর মূল বেতন বা বেসিক পে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা ছিল, কেবল তাঁদেরই বাধ্যতামূলকভাবে ইপিএফ-এর আওতায় আনা হতো। দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর সেই নিয়মে যুগান্তকারী বদল এনে বেসিক বেতনের সীমা বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।সরকারের এই মেগা সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সংগঠিত ক্ষেত্রের প্রায় ৫১ লক্ষ নতুন বেসরকারি কর্মী রাতারাতি ইপিএফও-এর সুরক্ষাবলয়ের মধ্যে চলে আসবেন। বর্তমানে দেশে সাড়ে সাত কোটির বেশি কর্মী প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধে পান। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পর এই সংখ্যা এক লাফে অনেকখানি বৃদ্ধি পাবে। ১৯৫২ সালের ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডস অ‌্যান্ড মিসলেনিয়াস প্রভিশনস অ‌্যাক্ট’ অনুযায়ী চলা এই নিয়মে শেষবার পরিবর্তন আনা হয়েছিল ২০১৪ সালে। দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকার পর অবশেষে মহার্ঘতার যুগে কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে এই বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।নতুন এই নিয়মের ফলে কর্মচারীদের অবসরকালীন সঞ্চয়ের পরিমাণও এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাবে। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা বেসিক ধরে তার ওপর ১২.৫ শতাংশ অর্থাৎ ১,৮০০ টাকা কর্মীর বেতন থেকে ইপিএফ-এ জমা হতো এবং সমপরিমাণ অর্থ নিয়োগকারী সংস্থাও প্রদান করতো। কিন্তু নতুন ২৫ হাজার টাকার ঊর্ধ্বসীমা কার্যকর হওয়ায় এখন থেকে প্রতি মাসে পিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে সর্বোচ্চ ৩,২০০ টাকা। সমপরিমাণ টাকা দেবে সংস্থাও। যদিও এর ফলে কর্মীদের ইন-হ্যান্ড বা হাতে পাওয়া চলতি বেতন সামান্য কমতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ের স্বার্থে এটি বিরাট লাভজনক হতে চলেছে।অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত এক দশকে দেশের বাজার দর ও বেসরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে এবং দেশের চাকরিজীবীদের অবসরোত্তর জীবনকে সুরক্ষিত করতেই সরকারের এই মাস্টারস্ট্রোক। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এই নতুন পরিকাঠামো বাস্তবায়নে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বার্ষিক অতিরিক্ত ১১ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা খরচ হবে। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া নেমে এসেছে দেশের শ্রম ও চাকরিজীবী মহলে।
১৫ ঘন্টা আগে
'স্বাধীনতা সংগ্রামীর মতো ডিম খেয়েছি!' ফের আক্রান্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে তীব্র খোঁচা মহুয়ার

'স্বাধীনতা সংগ্রামীর মতো ডিম খেয়েছি!' ফের আক্রান্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে তীব্র খোঁচা মহুয়ার

কৃষ্ণনগর: নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে ফের রণক্ষেত্রের রূপ নিল নদিয়ার...
১৪ ঘন্টা আগে
Sanju Samson: ‘বাইরের গল্পে কান দিই না’, বৈভবকে নিয়ে জল্পনা উড়িয়ে বিস্ফোরক সঞ্জু

Sanju Samson: ‘বাইরের গল্পে কান দিই না’, বৈভবকে নিয়ে জল্পনা উড়িয়ে বিস্ফোরক সঞ্জু

নয়াদিল্লি: বাইরের জগতের তৈরি করা কৃত্রিম লড়াই বা সুস্থ প্রতিযোগিতা? তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীর সঙ্গে দলে নিজের অবস্থান নিয়ে উঠতে থাকা কোটি টাকার প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এক নিমেষেই সব জল্পনা উড়িয়ে দিলেন সঞ্জু স্যামসন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২২ বলে ৫৭ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলে শুধু দলকে জেতাননি, একই সঙ্গে ১৫ বছরের উঠতি তারকা বৈভবকে ঘিরে চলতে থাকা যাবতীয় বিতর্ককেও বাইউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের প্রাক্তন অধিনায়ক। ম্যাচ শেষে মুখোমুখি হয়ে এক ঝরঝরে ও স্পষ্ট বার্তায় সঞ্জু সাফ জানিয়ে দিলেন, বৈভব বা অভিষেক শর্মার সঙ্গে তাঁর এই প্রতিযোগিতার গল্পটা কেবলই বাইরের লোকজনের কল্পনামাত্র, ড্রেসিংরুমে এর কোনও অস্তিত্বই নেই।১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অভিষেক শর্মার সঙ্গে ৮৮ রানের এক বিধ্বংসী পার্টনারশিপ গড়ে ভারতের জয় সুনিশ্চিত করেন সঞ্জু। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে বৈভবের মতো উদীয়মান ব্যাটারের কারণে দলে নিজের জায়গা অনিশ্চিত কী না, এমন প্রশ্নের জবাবে মাইক্রোফোন হাতে একদম সাবলীল মেজাজে মুখ খোলেন স্যামসন। তিনি বলেন, "বাইরের দেশের মানুষ বা ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বৈভব আর অভিষেককে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে হতেই পারে। কিন্তু আমাদের মূল পরিচয়, আমরা একই দলের সদস্য এবং দেশের হয়ে খেলছি। দলের জয়ই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। 'ও কেন সুযোগ পেল, আমি কেন পেলাম না'—এমন নেতিবাচক চিন্তা ভাবনা নিয়ে এই স্তরে পারফর্ম করা যায় না।"তবে সামাজিক মাধ্যম এবং প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারদের লাগাতার মন্তব্য যে ক্রিকেটারদের মনস্তত্ত্বে প্রভাব ফেলে, তা এক প্রকার স্বীকারই করে নিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বৈভবকে একাদশে নেওয়ার জন্য সঞ্জু বা অভিষেকের মধ্যে কাউকে বাদ দেওয়ার যে সওয়াল প্রাক্তনরা করে যাচ্ছেন, তা নিয়ে রসিকতার সুরে সঞ্জু জানান, তিনি সাধারণত নিজেকে ডিজিটাল দুনিয়া থেকে দূরে রাখতে ভালবাসেন। তাঁর কথায়, "আমি চেষ্টা করি ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখতে! কিন্তু মাঝেমধ্যে ওয়াই-ফাই চালু হয়ে যায় আর নানা ধরণের মন্তব্য চোখে পড়ে যায়। প্রাক্তন ক্রিকেটাররা যখন কিছু বলেন, সেটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।"নিজের এই খোলামেলা বক্তব্যে আবেগের বাঁধও ভাঙেন সঞ্জু। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, আন্তর্জাতিক স্তরের ক্রিকেটার হলেও তাঁরা রক্তমাংসের মানুষ। "আগে এসব বাইরের আলোচনা খুব কষ্ট দিত। আমরা তো কেউ রোবট বা মেশিন নই যে বলব কিছুই স্পর্শ করে না! অবশ্যই প্রভাব ফেলে। কিন্তু অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে এই পরিস্থিতি সামলাতে হয়। এখন ব্যাট করার সময় যদি ভাবি যে আউট হলেই আবার ট্রোলিং শুরু হবে, তবে খোলা মনে শট খেলা অসম্ভব। তাই এখন আমি নিজের মনকে শান্ত রাখি," মন্তব্য স্যামসনের। চলতি সিরিজের শেষ ম্যাচে ভারত অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার তরুণ বৈভব সূর্যবংশীকে সুযোগ দেওয়ার ইঙ্গিত রাখলেও, ২২ গজে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই যে জবাব দিতে প্রস্তুত সঞ্জু, তা তিনি রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় আরেকবার প্রমাণ করে দিলেন।
২১ ঘন্টা আগে
 Salad Recipe: কোহলির ফিটনেস ডায়েটে এই স্যালাড! কী কী দিয়ে বানাবেন, জানুন সহজ রেসিপি

Salad Recipe: কোহলির ফিটনেস ডায়েটে এই স্যালাড! কী কী দিয়ে বানাবেন, জানুন সহজ রেসিপি

পছন্দের তারকার মতো ফিট থাকতে চান সকলেই। আর ফিটনেসের কথা উঠলে বিরাট কোহলির নাম আসবেই। নিজের খাবারদাবার নিয়ে বরাবরই সচেতন ভারতীয় ক্রিকেটার। তাঁর খাদ্যাভ্যাসে পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব বরাবরই বেশি। বিরাটের পছন্দের খাবারের তালিকায় থাকা একটি স্যালাড নিয়েও তাই কৌতূহল কম নয়। এমনকী তাঁর রেস্তোরাঁ ‘ওয়ানএইট কমিউন’-এর মেনুতেও এই ধরনের স্যালাড পাওয়া যায়।তবে এটি শুধু তারকাদের জন্য নয়। হালকা অথচ পুষ্টিকর খেতে চাইলে বাড়িতেই সহজে বানিয়ে নিতে পারেন এই স্যালাড। কিনোয়া, সবুজ শাকপাতা, ক্যাপসিকাম, তরমুজ এবং কাজুবাদামের মিশ্রণে তৈরি হয় এই পদ। একসঙ্গে পাওয়া যায় কার্বোহাইড্রেট, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট।কীভাবে বানাবেন? প্রথমে অর্ধেক কাপ কিনোয়া ভালো করে ধুয়ে জলে সেদ্ধ করুন। তারপর একটি ক্যাপসিকাম ছোট টুকরো করে কেটে হালকা রোস্ট করে রাখুন। এক কাপ তরমুজও ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এবার একটি বড় বাটিতে এক কাপ মিক্সড গ্রিনসের সঙ্গে সেদ্ধ কিনোয়া, রোস্ট করা ক্যাপসিকাম এবং তরমুজ মিশিয়ে নিন।এবার তৈরি করতে হবে স্যালাডের ড্রেসিং। একটি ছোট পাত্রে দু’টেবিলচামচ অলিভ অয়েল, এক টেবিলচামচ ভিনিগার, এক চা-চামচ মধু, আধ চা-চামচ চিলি ফ্লেকস, আধ চা-চামচ মাস্টার্ড সস এবং স্বাদমতো নুন দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই ড্রেসিং স্যালাডের উপর ঢেলে সবকিছু ভালো করে টস করে নিন।সবশেষে দু’টেবিলচামচ কাজুবাদাম হালকা ভেঙে স্যালাডের উপর ছড়িয়ে দিন। কাজুবাদাম একেবারে গুঁড়ো না করে একটু দানা দানা রাখলে খাওয়ার সময় বাড়তি ক্রাঞ্চ পাওয়া যাবে। তৈরি বিরাটের পছন্দের স্টাইলের এই স্যালাড।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে কি ঋতব্রত তৃণমূলকে টেক্কা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে কি ঋতব্রত তৃণমূলকে টেক্কা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ?

হ্যাঁ
না
মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
Umanga Kumawat : গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড পেরিয়ে আবার কর্পোরেট রুটিন, মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চ থেকে সোজা গুগলের ডেস্কে উমঙ্গ

Umanga Kumawat : গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড পেরিয়ে আবার কর্পোরেট রুটিন, মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চ থেকে সোজা গুগলের ডেস্কে উমঙ্গ

বেঙ্গালুরু: জয়পুরের আলো ঝলমলে মঞ্চ, ডিজাইনার গাউন আর করতালির শব্দ! সবে তো শেষ হল মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬-এর ইন্ডিয়া গ্র্যান্ড ফিনালে। প্রথম সারির রূপসী প্রতিযোগীদের সিংহভাগই যখন এই মঞ্চের সাফল্যকে পুঁজি করে গ্ল্যামার দুনিয়া, মডেলিং বা বিনোদন জগতে স্থায়ী জমি শক্ত করার স্বপ্ন দেখেন, ঠিক তখনই সম্পূর্ণ এক অন্য ছবি আঁকলেন উমঙ্গ কুমাওয়াত। র‍্যাম্পের ঝাঁ চকচকে আলো আর গ্ল্যামার পেছনে ফেলে সোজা ফিরে এলেন নিজের অতি পরিচিত ডেটাসেন্টার, ল্যাপটপ আর কর্পোরেট মিটিংয়ের জগতে। পেশায় গুগল ক্লাউড ইঞ্জিনিয়ার উমঙ্গ ফিনালের পরেই ফের যোগ দিয়েছেন বেঙ্গালুরুর গুগল ক্যাফেতে নিজের ডেস্কে।মধ্যপ্রদেশের মেয়ে উমঙ্গ এ বছর ৫২ জন সেরা প্রতিযোগীর মধ্যে লড়াই করে মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার ‘টপ ২০’-তে নিজের জায়গা নিশ্চিত করেছিলেন। যদিও ট্রফি জয় করেছেন কেরালার কাজিয়া লিজ মেহিয়া।  তবুও উমঙ্গ নিজের পার্সোনালিটি ও মেধা দিয়ে নজর কেড়েছিলেন বিচারকদের। প্রতিযোগিতা শেষ হতেই তিনি ফিরে গিয়েছেন নিজের টেক-লাইফে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আ ডে ইন মাই লাইফ’ শিরোনামে এক মিনিটের একটি ভিডিও শেয়ার করে নিজের স্বাভাবিক কাজের দিনের একটি ঝলক তুলে ধরেছেন তিনি, যা ইতিমধ্যেই নেটিজেনদের মধ্যে বেশ নজর কেড়েছে।সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে আর দশটা সাধারণ চাকুরিজীবীর মতোই শুরু হয় উমঙ্গের দিন। ক্যাজুয়াল কিন্তু মার্জিত পোশাকে নিজেকে সাজিয়ে ল্যাপটপ ব্যাগ ও ব্যাকপ্যাক পিঠে ঝুলিয়ে তিনি রওনা দেন বেঙ্গালুরুর গুগল ক্যাম্পাসের দিকে। সকাল ১০টা ৩০ নাগাদ গুগল ক্যাম্পাসের ওয়েলনেস সেন্টারে গিয়ে ফিটনেস সেশন সারেন।  ট্রেডমিল, স্ট্রেচিং আর লেগ এক্সারসাইজ শেষ করে তবেই বসেন কাজের টেবিলে। দুপুর ১২টা ৩০ নাগাদ খুলে বসে পড়েন কোডিং, ডকুমেন্টেশন ও প্রজেক্ট ফাইল।মধ্যাহ্নভোজে গুগলের বিশাল ফুড কোর্টে বিরিয়ানি বা নানা সুস্বাদু মিষ্টান্ন থাকা সত্ত্বেও একজন বিউটি পেজেন্ট ফাইন্যালিস্ট হিসেবে ডায়েট বজায় রাখতে উমঙ্গ বেছে নেন কেবল নুডল স্যুপ আর গ্রিন স্যালাড। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ খোলা জানালার পাশে বসে টিম মিটিং বা কোডিংয়ের ফাঁকে একটু জিরিয়ে নেওয়া, আর সাড়ে পাঁচটায় এক কাপ গরম কফি হাতে কাজের পাট চুকিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেওয়া, এই হল তাঁর এখনকার রুটিন।সাধারণত বিউটি পেজেন্টের প্রতিযোগীদের ঝোঁক থাকে রূপালি পর্দার দিকে। সেখানে দাঁড়িয়ে বিউটি উইথ ব্রেনসের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন উমঙ্গ। টেক ওয়ার্ল্ডের জটিল হিসাবনিকেশ সামলেও কীভাবে নিজের শখ আর প্যাশনকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তা বাস্তবে প্রমাণ করে দিলেন এই তরুণী।
২০ ঘন্টা আগে
'স্বাধীনতা সংগ্রামীর মতো ডিম খেয়েছি!' ফের আক্রান্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে তীব্র খোঁচা মহুয়ার

'স্বাধীনতা সংগ্রামীর মতো ডিম খেয়েছি!' ফের আক্রান্ত হয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে তীব্র খোঁচা মহুয়ার

কৃষ্ণনগর: নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে ফের রণক্ষেত্রের রূপ নিল নদিয়ার তেহট্ট। তীব্র বিক্ষোভ, গো-ব্যাক স্লোগান এবং সরাসরি ডিম আক্রমণের মুখে পড়লেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। নদিয়ার তেহট্ট থানার নাটনায় দলীয় রাজনৈতিক বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার পথেই এই অনভিপ্রেত ঘটনার সম্মুখীন হন তিনি। আর এই ঘটনার পরপরই সোশাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে নজিরবিহীন ভাষায় নিশানা করেছেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট সাংসদ।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সাংসদ এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে ঘিরে ধরে তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রদর্শন করা হয় কালো পতাকা। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে শাসক ও বিরোধী— দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। এর মাঝেই সাংসদের গাড়ি লক্ষ্য করে উড়ে আসে একাধিক মাটির ডিম। ঘটনার আকস্মিকতায় গোটা এলাকা জুড়ে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খায়।এই ডিম আক্রমণের পরই নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এক ভিডিও বার্তা তুলে ধরেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে তীব্র খোঁচা দিয়ে মহুয়া বলেন, "বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে অনেক শুভেচ্ছা! আমি পুলিশকে জানিয়েই নিজের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়েছিলাম, আর বিজেপি কর্মীরা পুলিশের সাহায্য নিয়েই আমার দিকে ডিম ছুড়ল। তবে আপনার দেওয়া পরামর্শ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী যেভাবে বুলেটের সামনাসামনি হন, আমি ঠিক সেভাবেই এই ডিমের মুখোমুখি হয়েছি।"উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় নিরাপত্তার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চ সেই আর্জি খারিজ করে এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছিল। আদালত জানিয়েছিল, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দেশের জন্য বুকের ওপর গুলি সহ্য করেছিলেন, সেখানে সামান্য ডিম আক্রমণের ভয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসা অনুচিত। তেহট্টে ফের আক্রান্ত হওয়ার পর বিচারপতির সেই পুরনো মন্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েই কড়া প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল সাংসদ।
এখনই
 Suvendu Adhikari: নেপালে নিখোঁজদের পাশে রাজ্য, নিজের এক মাসের বেতন দিয়ে বড় দৃষ্টান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!

Suvendu Adhikari: নেপালে নিখোঁজদের পাশে রাজ্য, নিজের এক মাসের বেতন দিয়ে বড় দৃষ্টান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!

এখনই
 Patanjali Ghee Controversy: পতঞ্জলির ভেজাল ঘি বিতর্ক! ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে ৫০ কোটির নজিরবিহীন মামলা ঠুকলেন রামদেব

Patanjali Ghee Controversy: পতঞ্জলির ভেজাল ঘি বিতর্ক! ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে ৫০ কোটির নজিরবিহীন মামলা ঠুকলেন রামদেব

ভোপাল: ঘি-এর বিশুদ্ধতা নিয়ে তড়িঘড়ি শুরু হওয়া বাগযুদ্ধ এবার পৌঁছাল বিচারালয়ের দোড়গোড়ায়। পতঞ্জলির পণ্যকে ‘নকল’ ও ‘ভেজাল’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে কুস্তি ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি তথা বিজেপি নেতা ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে এবার চরম আইনি পদক্ষেপ নিলেন যোগগুরু বাবা রামদেব ও তাঁর সংস্থা। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার এক বিরাট মানহানি মামলা দায়ের করেছে পতঞ্জলি ফুডস লিমিটেড। বছরের পর বছর ধরে চলা কাদা ছোড়াছুড়ির পর অবশেষে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি আইনি যুদ্ধে নামল দুই পক্ষ।এই বহুল চর্চিত সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল ২০২২ সালে। এক প্রকাশ্য জনসভায় দাঁড়িয়ে পতঞ্জলির ঘি-কে সরাসরি ‘ভেজাল’ বলে দাবি করেছিলেন ব্রিজভূষণ সিং। শুধু তাই নয়, পতঞ্জলির তৈরি প্রক্রিয়াজাত ঘি না কিনে দেশবাসীকে বাড়িতে গরু-মহিষ পালন করে দুধ থেকে খাঁটি ঘি বানিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি ‘পতঞ্জলি’ নামটির অপব্যবহার নিয়েও খোলাখুলি আপত্তি তোলেন তৎকালীন এই সাংসদ। সেই সময় রামদেবের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হলেও ব্রিজভূষণ নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন। পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গত আগস্ট মাসে, যখন ফের একবার প্রকাশ্যে পতঞ্জলির ঘি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই বিতর্কিত নেতা। এর পরেই ক্ষোভের পারদ তুঙ্গে উঠলে বিষয়টি আদালতে নিয়ে যায় পতঞ্জলি কর্তৃপক্ষ।জানা গিয়েছে, প্রথমে এই বিতর্ক জেলা দায়রা আদালতে পৌঁছালেও সেখানে ইলেকট্রনিক নথি ও প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র আইনি তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরবর্তীতে জটিলতা বাড়ায় মামলাটি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করা হয়। হাইকোর্টে এই ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলার শুনানি চলাকালে ব্রিজভূষণের আইনজীবী তাঁদের লিখিত বক্তব্য পেশ করার জন্য কিছুটা সময় চেয়ে নেন। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন।তবে পতঞ্জলির তৈরি ঘি নিয়ে এই ধরণের বিতর্ক কিন্তু একেবারেই প্রথম নয়। এর আগে ২০২০ সালে উত্তরাখণ্ডের পিথোড়গড়ে পতঞ্জলির কার্যালয়ে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর আচমকা অভিযান চালিয়ে ঘি-এর নমুনা সংগ্রহ করেছিল। ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর দেখা যায় যে সেই ঘি গুণমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছে। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষাতেও ঘি-এর গুণগত মান অত্যন্ত নিম্নমানের বলে ধরা পড়ে। সেই ঘটনায় আদালতের দ্বারস্থ হলে আইনি মানদণ্ড ভাঙার দায়ে পতঞ্জলি সংস্থাকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল। এখন দেখার, হাইকোর্টের এই ৫০ কোটি টাকার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার জয় হয়।
১৪ ঘন্টা আগে
Abhishek Banerjee: ১০ বার অস্ত্রোপচারের যন্ত্রণা আর আইনি লড়াই, আমেরিকা থেকে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কীসের ইঙ্গিত অভিষেকের?

Abhishek Banerjee: ১০ বার অস্ত্রোপচারের যন্ত্রণা আর আইনি লড়াই, আমেরিকা থেকে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কীসের ইঙ্গিত অভিষেকের?

কলকাতা: সমস্ত আইনি জট ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন পেরিয়ে অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ অনুমতি নিয়ে মার্কিন মুলুকে গিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকার বিশ্বখ্যাত জন্‌স হপকিন্‌স হাসপাতালে তাঁর চোখের চিকিৎসা চলছে। সম্প্রতি সেখান থেকেই ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে নিজের চোখের পরিস্থিতির এক ঝলক ছবি পোস্ট করেন তিনি। তাঁর সেই সোশ্যাল মিডিয়া বার্তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, ছবি এবং বার্তার আড়ালে তাঁকে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া বিরোধীদের কড়া ও প্রচ্ছন্ন জবাবই দিয়েছেন অভিষেক।ছবি শেয়ার করে তৃণমূল সাংসদ লেখেন, এই ক্ষতচিহ্নই স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছে তিনি কিসের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। একইসঙ্গে ইঙ্গিতবাহী বার্তায় তিনি যোগ করেন, পরিস্থিতি যে এখনও স্বাভাবিক হওয়ার ধারেকাছে নেই, তা তাঁর এই চোখই বুঝিয়ে দিচ্ছে। ক্যামাক স্ট্রিট সূত্রের খবর, গত বছরের নভেম্বর থেকেই তাঁর চোখের সমস্যা বেশ জটিল আকার ধারণ করে। এমনকি একটানা পড়তে গেলে একটি প্যারা থেকে চোখ লাফিয়ে অন্য প্যারায় চলে যাওয়ার মতো সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের ১৯ অক্টোবর মুর্শিদাবাদ থেকে ফেরার পথে সিঙ্গুরের কাছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এর পর থেকে আমেরিকা ও দেশে মিলিয়ে দু’চোখ মিলিয়ে অন্তত ১০ বার অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর।অভিষেকের এই বিদেশযাত্রা একেবারেই সহজ ছিল না। রাজ্য সরকারের আইনজীবী কলকাতা হাই কোর্টে সওয়াল করে অভিষেকের বিরুদ্ধে চলা একাধিক মামলার কথা তুলে ধরে তাঁর বিদেশে যাওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন। উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল এসএসকেএমের মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত নেওয়ার, যা প্রত্যাখান করায় হাই কোর্টে তাঁর আর্জি খারিজ হয়ে যায়। এরপর সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার জানায়, কেবল মামলা ঝুলছে বলে কারও পছন্দের চিকিৎসা নেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। শীর্ষ আদালতের বেঁধে দেওয়া তিন সপ্তাহের মেয়াদের ভিত্তিতে আগামী ২২-২৩ তারিখের মধ্যে তাঁর কলকাতায় ফেরার কথা।অন্যদিতে চিকিৎসাকালীন অবস্থাতেও সমালোচনা থামায়নি বিরোধী শিবির। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছিলেন, নিউ জার্সিতে বিলাসবহুল ভিলা ভাড়া করে অবস্থান করছেন অভিষেক। চিকিৎসা ছেড়ে ভিলা ভাড়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও তোলা হয় প্রশ্ন। সমস্ত বিতর্কের মাঝেই আমেরিকা থেকে নিজের যন্ত্রণার ছবি প্রকাশ্যে এনে জবাব দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।
এখনই
 Kolkata Airport:দুবাই পালানোর পথেই বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার! কলকাতায় ধরা পড়ল কুখ্যাত গ্যাংস্টারের ভাই

Kolkata Airport:দুবাই পালানোর পথেই বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার! কলকাতায় ধরা পড়ল কুখ্যাত গ্যাংস্টারের ভাই

কলকাতা: দুবাই পালিয়ে আত্মগোপন করার বিরাট ছক এক ঝটকায় ব্যর্থ করে দিল পুলিশ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে জাল গুটিয়ে কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই গ্রেপ্তার করা হলো পাকিস্তানের কুখ্যাত গ্যাংস্টার প্রিন্স খানের ভাই বান্টি খানকে। ধানবাদ পুলিশের স্পেশাল টিম ও কলকাতা পুলিশের যৌথ অপারেশনে বুধবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাঁকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়। আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে বিদেশে থাকা দাদা প্রিন্স খানের কাছে পৌঁছনোর শেষ মুহূর্তের পরিকল্পনা করেছিল এই দাগি অপরাধী। কিন্তু বিমানে ওঠার আগেই তাকে ঘিরে ফেলে জালে তুলে নেন তদন্তকারীরা।ধৃত বান্টি খানের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, খুন, অপহরণ এবং বেআইনি অস্ত্র ব্যবহারের মতো একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ধানবাদের একাধিক থানায় তার নামে দীর্ঘদিন ধরেই ঝুলছিল পরোয়ানা। পুলিশ সূত্রে খবর, এই বান্টি খানকে ২০২২ সালের মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের একটি রেলস্টেশন থেকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছিল রাজ্য পুলিশ। দীর্ঘ চার বছর কারাবাসের পর চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসেই আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিল সে। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে শুধরে যাওয়ার বদলে ফের পুরনো অপরাধের সাগরেই ডুব দেয় বান্টি। শুরু করে নতুন করে তোলাবাজি ও অসাধু কার্যকলাপ।পুলিশের চোখ এড়িয়ে দেশ ছাড়ার জন্য সম্পূর্ণ ভুয়া পাসপোর্ট ও ভিসার বন্দোবস্ত করেছিল এই কুখ্যাত অপরাধী। ভুয়ো নথিপত্র সম্বল করেই কলকাতা হয়ে দুবাই উড়াল দেওয়ার ঘুঁটি সাজিয়েছিল সে। কিন্তু তার এই অন্তিম চক্রান্তের খবর আগেই পৌঁছে যায় ধানবাদ পুলিশের গোপন সূত্রে। খবর পাওয়া মাত্রই আর দেরি না করে কলকাতা পুলিশের সহায়তায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কড়া নজরদারি শুরু করেন ঝাড়খণ্ড পুলিশের আধিকারিকরা। বান্টি বিমানবন্দর চত্বরে পা রাখা মাত্রই চারপাশে ওত পেতে থাকা পুলিশকর্মীরা তাকে ধরে ফেলেন। ধৃতের কাছ থেকে একাধিক জাল নথি উদ্ধার করা হয়েছে।ধানবাদ পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, অপরাধ জগতের জাল আরও বিস্তৃত করতে ও বিদেশে নিজের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতেই দুবাই যাওয়ার তোড়জোড় করছিল বান্টি। আন্তর্জাতিক স্তরে গ্যাং পরিচালনা করা দাদা প্রিন্স খানের কাছে আশ্রয় নেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। আপাতত বান্টিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে একের পর এক দফায় চরম জেরা শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। এই আন্তর্জাতিক গ্যাংয়ের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত এবং জাল পাসপোর্ট তৈরিতে কোন চক্র সাহায্য করেছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক