০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home Uncategorized লেডি ডাক্তারের রহস্যমৃত্যু! পরকীয়া আড়াল করতে কি খুন? নার্সের সঙ্গে জামাইয়ের কীর্তি ফাঁস করলেন শাশুড়ি!
Uncategorized

লেডি ডাক্তারের রহস্যমৃত্যু! পরকীয়া আড়াল করতে কি খুন? নার্সের সঙ্গে জামাইয়ের কীর্তি ফাঁস করলেন শাশুড়ি!

Share
লেডি ডাক্তারের রহস্যমৃত্যু! পরকীয়া আড়াল করতে কি খুন? নার্সের সঙ্গে জামাইয়ের কীর্তি ফাঁস করলেন শাশুড়ি!
FILE IMAGE
Share

জালন্ধর: পাঞ্জাবের জালন্ধরে এক প্রতিভাবান মহিলা চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। মৃত চিকিৎসকের নাম মীনাক্ষী সুদ। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁর নিজের ঘর থেকেই দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে এই মৃত্যুকে নিছক আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ মীনাক্ষীর পরিবার। তাঁদের স্পষ্ট অভিযোগ, মীনাক্ষীকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছেন তাঁর স্বামী, যিনি নিজেও পেশায় একজন নামী চিকিৎসক। ইতিমধ্যেই মীনাক্ষীর স্বামী পীযূষ সুদের বিরুদ্ধে পরকীয়া এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের বিস্ফোরক অভিযোগ এনে সরব হয়েছেন নিহতের মা-বাবা। এই হাইপ্রোফাইল চিকিৎসক দম্পতির অন্দরের এমন কঙ্কালসার চেহারা সামনে আসতেই শিউরে উঠছেন সাধারণ মানুষ।

[TECHTARANGA-POST:9873]

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে চিকিৎসক পীযূষ সুদের সঙ্গে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল মীনাক্ষীর। প্রথম দিকে সব ঠিকঠাক থাকলেও, গত কয়েক বছর ধরে তাঁদের সম্পর্কে তীব্র টানাপোড়েন শুরু হয়। মীনাক্ষীর বাবা প্রমোদবাবু জানিয়েছেন, বিয়ের পর লোন নিয়ে একটি গাড়ি কিনেছিলেন মীনাক্ষী এবং নিজের বেতনের টাকা থেকেই সেই ঋণের ইএমআই মেটাচ্ছিলেন তিনি। অন্যদিকে তাঁর স্বামী পীযূষও আড়াই কোটি টাকার একটি বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছিলেন। তবে অশান্তির মূল কারণ কেবল টাকা-পয়সা ছিল না। মীনাক্ষীর মায়ের অভিযোগ, যে হাসপাতালে পীযূষ কাজ করেন, সেখানকারই এক নার্সের সঙ্গে তাঁর জামাইয়ের অবৈধ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। আর এই পরকীয়ার কথা জেনে যাওয়ার পর থেকেই মীনাক্ষীর ওপর নেমে আসত অকথ্য অত্যাচার। প্রায় প্রতিদিন এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি হতো এবং মীনাক্ষীকে নৃশংসভাবে মারধর করা হতো বলে অভিযোগ।

[TECHTARANGA-POST:9863]

স্বামীর এই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে শেষ পর্যন্ত চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন মীনাক্ষী। ২০২৩ সাল থেকে তিনি পীযূষের বাড়ি ছেড়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। এমনকি তাঁদের মধ্যে আইনি বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। মীনাক্ষীর মায়ের দাবি, তাঁর মেয়ে মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্ত মনের মানুষ ছিলেন। তিনি কোনো অবস্থাতেই আত্মহত্যা করতে পারেন না। পরকীয়া ও ঋণের জাল আড়াল করতেই মীনাক্ষীকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। এই রহস্যজনক মৃত্যুর পর পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী চিকিৎসক পীযূষ সুদকে আটক করেছে। মীনাক্ষীর মৃত্যুর পেছনে আসল সত্য কী, তা জানতে পীযূষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *