25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized ‘ওদের আমাদের বেশি প্রয়োজন’, ট্রাম্পের একরোখা মন্তব্যে কাঁপছে প্রতিরক্ষা জোট
Uncategorized

‘ওদের আমাদের বেশি প্রয়োজন’, ট্রাম্পের একরোখা মন্তব্যে কাঁপছে প্রতিরক্ষা জোট

Share
Share

গ্রিনল্যান্ড দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সরাসরি ন্যাটো (NATO) এবং ডেনমার্ককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর পদক্ষেপে যদি ন্যাটোর ওপর প্রভাব পড়ে, তবে তাই হবে। ট্রাম্পের সাফ কথা— “ন্যাটোর আমাদের যতটা প্রয়োজন, আমাদের ওদের ততটা নেই।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যদি এটি ন্যাটোকে প্রভাবিত করে, তবে করবে। তবে আমি আপনাদের এখনই বলে দিচ্ছি, আমাদের চেয়ে ওদের (ন্যাটো মিত্রদের) আমাদের অনেক বেশি প্রয়োজন।” তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, গ্রিনল্যান্ড দখলের পথে তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের সামরিক মিত্রদের আপত্তির খুব একটা তোয়াক্কা করছেন না।

কেন গ্রিনল্যান্ড চান ট্রাম্প?

২০২৬ সালের শুরু থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন গ্রিনল্যান্ডকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ট্রাম্পের যুক্তি:

চীন ও রাশিয়ার ভয়: ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে রাশিয়া বা চীন গ্রিনল্যান্ড দখল করে নেবে। তিনি গ্রিনল্যান্ডে কোনোভাবেই মস্কো বা বেইজিং-কে প্রতিবেশী হিসেবে চান না।

খনিজ সম্পদ ও কৌশলগত অবস্থান: খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপটি আর্টিক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

কঠিন পথ বনাম সহজ পথ: ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তিনি আলোচনার মাধ্যমে (সহজ পথ) গ্রিনল্যান্ড পেতে চান, তবে প্রয়োজন হলে ‘কঠিন পথ’ বা বলপ্রয়োগের পথও খোলা রাখা হয়েছে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ইতিপূর্বেই সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক পদক্ষেপ মানেই ন্যাটোর অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাওয়া। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোও ট্রাম্পের এই ‘উপনিবেশবাদী’ মানসিকতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রমাণ করছে, তিনি ন্যাটোর প্রতিরক্ষা চুক্তির চেয়ে আমেরিকার একক আধিপত্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় সফল সামরিক অভিযানের পর ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ভেনেজুয়েলার মতো গ্রিনল্যান্ডেও তিনি একই ধাঁচের কোনো সরাসরি পদক্ষেপ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখন গোটা ইউরোপ জুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *