25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized বাংলাদেশে ধর্মীয় নিপীড়নে উদ্বিগ্ন ব্রিটেন, কড়া পদক্ষেপের দাবিতে বিদেশ সচিবকে চিঠি প্রীতি প্যাটেলের
Uncategorized

বাংলাদেশে ধর্মীয় নিপীড়নে উদ্বিগ্ন ব্রিটেন, কড়া পদক্ষেপের দাবিতে বিদেশ সচিবকে চিঠি প্রীতি প্যাটেলের

Share
Share

ওপার বাংলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমাগত বাড়তে থাকা হিংসা ও নিপীড়নের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ব্রিটেনের শ্যাডো ফরেন সেক্রেটারি প্রীতি প্যাটেল। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটিশ বিদেশ সচিবকে একটি কড়া চিঠি লিখে হাউস অফ কমন্সে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

প্রীতি প্যাটেল তাঁর চিঠিতে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ধর্মীয় হিংসার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁর প্রধান পর্যবেক্ষণগুলি হল:

হিন্দু হত্যায় উদ্বেগ: সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে অন্তত ৬-৭ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে হত্যা করার খবর পাওয়া গিছেয়ে। যা প্রীতি প্যাটেলের মতে অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

পূর্ববর্তী পদক্ষেপের খতিয়ান: গত ২ ডিসেম্বর ২০২৪-এ হাউস অফ কমন্সে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা নিয়ে এক জরুরি আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক তদানীন্তন মন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন: বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঠিক কী ধরনের সরাসরি যোগাযোগ রাখছে এবং গত একবছরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ব্রিটেনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আতঙ্ক:

চিঠিতে প্রীতি প্যাটেল আরও উল্লেখ করেন, ব্রিটেনের বিশাল সংখ্যক প্রবাসী বাসিন্দাদের আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশে বসবাস করেন। বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিবেশে সেখানকার এই প্রবাসী পরিবারগুলি চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই কথা মাথায় রেখে ব্রিটিশ সরকারকে অবিলম্বে হাউস অফ কমন্সে একটি বিবৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সরকারের কাছে দাবি:

শ্যাডো ফরেন সেক্রেটারি জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্রিটেন তার কূটনৈতিক প্রভাবকে কীভাবে কাজে লাগাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার এই বিষয়ে সে দেশের প্রশাসনের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেছেন কিনা, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

লন্ডনের হাউস অফ কমন্সে বাংলাদেশের হিন্দু নিধন নিয়ে এই ধরনের জোরালো সওয়াল আন্তর্জাতিক মহলে ঢাকার উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *