নয়াদিল্লি: ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দ্বাদশ সর্বভারতীয় সভাপতি হিসাবে আজ, ২০ জানুয়ারি (২০২৬) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নিতিন নবীন। মঙ্গলবার দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে অবস্থিত দলের সদর দফতরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেপি নাড্ডার উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদায়ী সভাপতি জে পি নাড্ডা, রাজনাথ সিং এবং বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা। নীতিন নবীনকে উত্তরীয় পরিয়ে ও পুষ্পস্তবক দিয়ে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী।
[TECHTARANGA-POST:6086]
গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দলীয় প্রধান নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বিজেপির জাতীয় নির্বাচন আধিকারিক কে লক্ষ্মণ জানান, সভাপতি পদের জন্য মোট ৩৭ সেট মনোনয়ন জমা পড়েছিল এবং সবকটিই ছিল নিতিন নবীনের সমর্থনে। অন্য কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজেই নবীনের নাম প্রস্তাবকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচবারের বিধায়ক নিতিন নবীনের বয়স এখন মাত্র বছর। দলের ইতিহাসে তিনি অন্যতম কনিষ্ঠ সভাপতি। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা বিহারের প্রাক্তন বিজেপি নেতা নবীন কিশোর প্রসাদ সিনহার পুত্র। গত ডিসেম্বর মাস থেকে তিনি দলের কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। ছত্তিশগড় বিধানসভা নির্বাচনে দলের অভাবনীয় জয়ের নেপথ্যে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করা হয়।
সভাপতি হিসাবে নিতিন নবীনের সামনে এখন একাধিক কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরলের মতো রাজ্যগুলিতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের পারফরম্যান্স ধরে রাখা এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভিত মজবুত করা। রাজনৈতিক মহলের মতে, নবীনের নিয়োগের মাধ্যমে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব দলে এক বড় ধরনের ‘জেনারেশনাল শিফট’ বা প্রজন্মের পরিবর্তন আনতে চাইছে।
[TECHTARANGA-POST:6077]
দায়িত্ব গ্রহণের পর নবীন জানান, দলের সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে নিয়েই তিনি আগামী দিনে ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন।
Leave a comment