০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home Uncategorized “টয়লেট পেপারের মতো ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলেছে আমেরিকা”, বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
Uncategorized

“টয়লেট পেপারের মতো ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলেছে আমেরিকা”, বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

Share
Share

ইসলামাবাদ: সম্প্রতি পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে খাজা আসিফ আমেরিকার সঙ্গে ইসলামাবাদের দীর্ঘকালীন সম্পর্ক নিয়ে নজিরবিহীন আক্রমণ শানিয়েছেন। তাঁর মতে, ওয়াশিংটন পাকিস্তানকে কেবল নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করেছে এবং কাজ ফুরিয়ে গেলে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ তাঁর বক্তব্যে ১৯৯৯ সাল এবং বিশেষ করে ৯/১১ পরবর্তী সময়ে আমেরিকার ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’ পাকিস্তানের অংশগ্রহণের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো হলো, আসিফ সরাসরি অভিযোগ করেন যে, আমেরিকা পাকিস্তানকে “টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ” ভাবে ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলেছে। তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়া-উল-হক এবং পারভেজ মোশাররফকে দায়ী করে বলেন, তাঁদের সিদ্ধান্তের কারণে পাকিস্তান অন্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।

আফগানিস্তান ইস্যুতে আমেরিকার সাথে জোট বাঁধার ফলে পাকিস্তানে মৌলবাদ, হিংসা এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে, যার ক্ষত আজও শুকোয়নি।

সংসদের বাইরেও খাজা আসিফ একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তাঁর মতে, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের যে চারদিন ব্যাপী ‘সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ’ হয়েছিল, সেটি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

“আমাদের যুদ্ধবিমান এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এই যুদ্ধে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে আমাদের তৈরি অস্ত্রের চাহিদা একলাফে বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।” — খাজা আসিফ (Geo TV-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে)

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, পাকিস্তানের অস্ত্র বিক্রির হার বর্তমানে এতটাই তুঙ্গে যে, বিদেশে তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের অর্ডারের পাহাড় জমেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে এতটাই স্বাবলম্বী হবে যে, তাদের আর আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের (IMF) কাছে ঋণের জন্য হাত পাততে হবে না।

একদিকে আমেরিকার প্রতি তীব্র ক্ষোভ এবং অন্যদিকে ভারতের সাথে যুদ্ধের অজুহাতে প্রতিরক্ষা বাণিজ্যের রমরমা দেখিয়ে দেশীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার যে ছবি খাজা আসিফ তুলে ধরেছেন, তা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *