25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized ভোলবদল ট্রাম্প প্রশাসনের! ভারতের পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র পোস্ট করেও কেন মুছে দিল আমেরিকা?
Uncategorized

ভোলবদল ট্রাম্প প্রশাসনের! ভারতের পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র পোস্ট করেও কেন মুছে দিল আমেরিকা?

Share
Share

ওয়াশিংটন: ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের এক নতুন সমীকরণ আশা করছিল বিশ্ব। সেই প্রত্যাশায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিল গত শনিবারের একটি ঘটনা। যেখানে আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধির দফতর (USTR) ভারতের একটি পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র প্রকাশ করে, যাতে স্পষ্টভাবেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) এবং আকসাই চিনকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। কিন্তু সেই রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র চার দিনের মাথায় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সেই পোস্ট মুছে দিল ট্রাম্প প্রশাসন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ভারত ও আমেরিকা যৌথভাবে একটি অন্তর্বর্তী বাণিজ্য-সমঝোতায় পৌঁছয়। এই চুক্তির পর কোন পণ্যগুলি ভারতে বিশেষ শুল্ক সুবিধায় প্রবেশ করবে, তা বোঝাতেই ওই মানচিত্রটি প্রকাশিত হয়েছিল।

কী ছিল সেই মানচিত্রে? সবুজ প্রেক্ষাপটের ওপর হলুদ রেখায় আঁকা ভারতের সেই মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীরের বিতর্কিত অংশ এবং লাদাখের আকসাই চিনকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছিল।

পাকিস্তান ও চিন—উভয় দেশই ওই অঞ্চলগুলি নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত। আমেরিকার এই মানচিত্র প্রকাশের পর অনেকেই মনে করেছিলেন, ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের দাবিকে সরাসরি মান্যতা দিয়ে বেজিং ও ইসলামাবাদকে কড়া বার্তা দিতে চেয়েছে।

কিন্তু কোনও ব্যাখ্যা ছাড়াই ট্রাম্প প্রশাসন সমাজমাধ্যম থেকে সেই পোস্টটি সরিয়ে দেয়। এর আগে আমেরিকার প্রকাশিত মানচিত্রগুলিতে ওই দুই বিতর্কিত অঞ্চলকে ভারতের বাইরে বা আলাদা রঙে দেখানো হতো। হঠাৎ পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র পোস্ট করে তা ডিলিট করা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তবে কি চিন বা পাকিস্তানের কূটনৈতিক চাপ এর পেছনে কাজ করেছে? হোয়াইট হাউসের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ভারত বরাবরই স্পষ্ট করে এসেছে যে, ভারত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং তার ভৌগোলিক অখণ্ডতার বৈধতা অন্য কোনও দেশের সম্মতির ওপর নির্ভর করে না। ১৯৪৭ সাল থেকে পাকিস্তান অবৈধভাবে কাশ্মীর দখল করে রেখেছে এবং আকসাই চিন লাদাখেরই অংশ—এটাই নয়া দিল্লির ধ্রুব সত্য। তবে আমেরিকার মতো পরাশক্তির এই স্বীকৃতি ভারতের অবস্থানকে বিশ্বমঞ্চে আরও বেশি পোক্ত করত বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *