25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম: ডিজি আবু জাফরসহ ঊর্ধ্বতনদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নাগরিক সমাজের
Uncategorized

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম: ডিজি আবু জাফরসহ ঊর্ধ্বতনদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নাগরিক সমাজের

Share
Share

ঢাকা: বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ডা. আবু জাফরসহ একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন, স্বাস্থ্য অধিকার কর্মী ও পেশাজীবী প্রতিনিধিরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত দাবি করেছেন।

[TECHTARANGA-POST:6834]

অভিযোগকারীদের দাবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় শর্ত পরিবর্তন, দরপত্রে কারসাজি, প্রভাব খাটানো এবং নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে।

যদিও অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা হয়নি এবং কোনো আদালতে এখন পর্যন্ত প্রমাণিতও হয়নি। তবে সমালোচকদের মতে, অভিযোগ ওঠার পরও দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপের অভাব জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভেতরে একটি প্রভাবশালী বলয় গড়ে উঠেছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্ট মহলের কিছু ব্যক্তি। তাঁদের দাবি, অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি স্পষ্ট হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:6828]

এছাড়া রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও উঠেছে, যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি।

কিছু মহল অভিযোগ করছে, বিগত ইউনূস সরকারের সময় স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও সচিব সাইদুর রহমান এবং বর্তমান ডিজি ডা. আবু জাফর এই অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এমন অভিযোগও বিভিন্ন মহলে উচ্চারিত হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত নয়।

স্বাস্থ্য খাত-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হলে অভিযোগগুলোর দ্রুত, স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন।

তাঁদের মতে— অভিযোগ সত্য হলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা বা অবিশ্বাস দীর্ঘমেয়াদে জনগণের চিকিৎসা সেবা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:6824]

স্বাস্থ্য খাত দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *