25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের হিসাব নেবে কমিশন, ভুয়ো প্রচার রুখতে জারি একগুচ্ছ কড়া নিয়ম
পশ্চিমবঙ্গ

প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের হিসাব নেবে কমিশন, ভুয়ো প্রচার রুখতে জারি একগুচ্ছ কড়া নিয়ম

Share
প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের হিসাব নেবে কমিশন, ভুয়ো প্রচার রুখতে জারি একগুচ্ছ কড়া নিয়ম
Share

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং ডিজিট্যাল মাধ্যমে ভুয়ো খবরের দৌরাত্ম্য রুখতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এবার থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের হলফনামাতেই (Affidavit) উল্লেখ করতে হবে তাঁদের যাবতীয় সমাজমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের তথ্য। কার কোন প্ল্যাটফর্মে কতগুলি স্বীকৃত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

[TECHTARANGA-POST:7460]

কমিশন জানিয়েছে, ভোটের আগে সমাজমাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচার এবং বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম মানতে হবে। যে কোনও রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সংগঠনকে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগে মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি (MCMC)-র কাছ থেকে আগাম অনুমোদন নিতে হবে। এই অনুমোদন ছাড়া কোনও ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন দিলে তা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হিসাবে গণ্য করা হবে এবং কমিশন প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করবে।

জেলার প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট জেলা এমসিএমসি-র কাছে অনুমোদনের আবেদন জানাতে পারবেন। এছাড়া, বিজ্ঞাপনের ছাড়পত্র সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকলে তা জানানোর জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) নেতৃত্বে একটি আপিল কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে টাকা দিয়ে খবর প্রকাশ করা হচ্ছে কিনা, সেদিকে কড়া নজর রাখবে এমসিএমসি। ভোট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ৭৫ দিনের মধ্যে ডিজিট্যাল মাধ্যমে প্রচারের যাবতীয় খরচের খতিয়ান কমিশনকে জমা দিতে হবে। সম্প্রতি সিইও এবং পুলিশ নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে কমিশন কর্তৃপক্ষ। সেখানে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সেই আলোচনার ভিত্তিতেই ভুয়ো খবর ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা রুখতে এই তৎপরতা বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। দীর্ঘ সময় পর রাজ্যে এত কম দফায় ভোট হতে চলেছে। তাই, নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই নতুন নির্দেশিকা ডিজিট্য়াল প্ল্যাটফর্মে সুস্থ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *