25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলই ফিরছে ক্ষমতায়! এক্সিট পোল উড়িয়ে বড় দাবি কংগ্রেস পর্যবেক্ষক মীরের, দিলেন সমর্থনের ইঙ্গিত
পশ্চিমবঙ্গ

তৃণমূলই ফিরছে ক্ষমতায়! এক্সিট পোল উড়িয়ে বড় দাবি কংগ্রেস পর্যবেক্ষক মীরের, দিলেন সমর্থনের ইঙ্গিত

Share
তৃণমূলই ফিরছে ক্ষমতায়! এক্সিট পোল উড়িয়ে বড় দাবি কংগ্রেস পর্যবেক্ষক মীরের, দিলেন সমর্থনের ইঙ্গিত
ছবি সংগৃহীত
Share

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন মিটতেই নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গোলাম মীর। দলের সংগঠন দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও অন্তত ৮টি আসনে জয় এবং ২০০টির বেশি আসনে ভোট শতাংশ বৃদ্ধির বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। তবে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো তৃণমূলের জয় নিয়ে তাঁর ‘স্বীকারোক্তি’। মীরের মতে, এক্সিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষায় যা-ই দেখানো হোক না কেন, বাস্তব ফল হবে তার উল্টো। রাজ্যের মহিলাদের জন্য সরকারের সরাসরি আর্থিক সুবিধা প্রদানের নীতি তৃণমূলকে বড়সড় মাইলেজ দেবে বলে তিনি মনে করছেন। এমনকি বিজেপির ঘরের মহিলারাও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন এই কংগ্রেস নেতা। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, বাংলার সচেতন ভোটাররা ‘সাইলেন্ট ভোট’ দিয়েছেন এবং সাংগঠনিক শক্তির জোরে তৃণমূলই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:8632]

গোলাম মীরের এই বক্তব্যের পর রাজ্যে নতুন করে জোট জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, তৃণমূল যদি এককভাবে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পায়, তবে কংগ্রেস সেখানে ‘নির্ণায়ক ভূমিকা’ নেবে। প্রয়োজনে শাসকদলকে সমর্থনের বিষয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বামেরা কার্যত ‘শূন্য’ এবং বিজেপির কোনো নির্দিষ্ট সংগঠন নেই— এমন দাবি করে তিনি জানান যে বিজেপি ও তৃণমূলের দ্বিমুখী হুমকির মুখে কংগ্রেসই ছিল একমাত্র বিকল্প ‘তৃতীয় শক্তি’। ৪ জুন গণনার দিন সমস্ত জল্পনার অবসান হবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

[TECHTARANGA-POST:8631]

এদিকে উত্তরবঙ্গের মালদহ, দুই দিনাজপুর এবং মুর্শিদাবাদ থেকে আশানুরূপ ফল পাওয়ার আশা করছে কংগ্রেস। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের শ্রীরামপুর আসনটিকেও নিজেদের হিসাবের মধ্যে রেখেছে দল। যদিও বহু কেন্দ্রে পর্যাপ্ত এজেন্ট দিতে না পারার ব্যর্থতা তারা মেনে নিয়েছে, তবুও ভোট পরবর্তী প্রস্তুতিতে কোনো খামতি রাখছে না বিধান ভবন। গণনাকেন্দ্রে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিকে মান্যতা দেওয়া এবং অন্যদিকে প্রয়োজনে সমর্থনের ডালি সাজিয়ে রাখা— কংগ্রেসের এই অবস্থান গণনার আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *