25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ রেড রোডে মোদী-শুভেন্দু যুগলবন্দি! ২১ জুনের সকালে কলকাতায় কোন ইতিহাস তৈরি হলো?
পশ্চিমবঙ্গ

রেড রোডে মোদী-শুভেন্দু যুগলবন্দি! ২১ জুনের সকালে কলকাতায় কোন ইতিহাস তৈরি হলো?

Share
রেড রোডে মোদী-শুভেন্দু যুগলবন্দি! ২১ জুনের সকালে কলকাতায় কোন ইতিহাস তৈরি হলো?
বাংলা থেকেই যোগ দিবসের জয়গাঁথা মোদীর মুখে। ছবি-সংগৃহীত
Share

কলকাতা: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের সকালে এক নজিরবিহীন ইতিহাসের সাক্ষী থাকল তিলোত্তমা। গোটা বিশ্বের নজর এখন বাংলার দিকে। কলকাতার রেড রোডে মহাসমারোহে আয়োজিত দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের বিশেষ কর্মযজ্ঞে হাজির হলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাজ্যপাল আর এন রবি। তবে এদিনের অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি ও বক্তব্য। মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুরুতেই বাংলায় যোগচর্চাকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে যোগাভ্যাস হারিয়ে গিয়েছিল, ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ২০২৬ সালের এই আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে তাকে আবার আমাদের মধ্যে ফিরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। এই মহৎ উদ্যোগের জন্য তিনি মোদীকে শতকোটি প্রণামও জানান।

শুভেন্দু অধিকারীর পর মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে শুরুতেই বাংলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টেনে আনেন ইতিহাসও। তিনি স্পষ্ট জানান, বাংলার এই পুণ্যভূমিতে যোগ দিবস পালন করতে পারা তাঁর কাছে এক মস্ত বড় প্রাপ্তি। কলকাতাবাসী যেভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই দিনটিকে স্বাগত জানিয়েছেন, তার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ২১ জুন আজ বিশ্বের দরবারে অন্যতম এক উৎসবের রূপ নিয়েছে। এই দিনটি গোটা দেশে ঐক্যের ছবি তুলে ধরেছে এবং আপামর মানুষকে একটা সুতোয় জুড়ে দিয়েছে। যোগ যে কোনও বয়সের সীমানায় আটকে থাকে না, বরং তা মানব জীবনের চেতনার প্রকাশ ঘটায়, তা মনে করিয়ে দেন তিনি।

এখানেই থেমে না থেকে যোগের বহুমুখী উপকারিতার কথা দেশবাসীর সামনে আরও একবার তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বুঝিয়ে দেন, কীভাবে যোগাভ্যাস মন ও শরীরকে শান্ত এবং একমুখী করে জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে। বার্ধক্যেও সুস্থ ও সচল থাকতে যোগের কোনও বিকল্প নেই উল্লেখ করে মোদী বলেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস মনকে শান্ত রাখে এবং মানসিক উদ্বেগকে দূরে সরিয়ে দেয়। তাঁর মতে, যোগ হলো সমস্ত দুঃখের বিনাশকারী, যা মানুষের জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে শেখায়। শরীরকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে সুস্বাস্থ্য সবসময় মানুষের সঙ্গী হয়ে থাকবে। পরিশেষে তিনি যোগের মূল মন্ত্রটি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, যোগ শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে না, এটি আসলে মানসিক স্বাস্থ্য থেকে আধ্যাত্মিক ও শারীরিক উন্নতির আসল পথ দেখায়।

[TECHTARANGA-POST:10130]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *