25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা তোলাবাজি-সিন্ডিকেট খতমের কড়া দাওয়াই! কর্মসংস্থানে শুভেন্দুর মেগা ‘ত্রিশক্তি’ চাল, আপনি পাচ্ছেন তো সুযোগ?
কলকাতা

তোলাবাজি-সিন্ডিকেট খতমের কড়া দাওয়াই! কর্মসংস্থানে শুভেন্দুর মেগা ‘ত্রিশক্তি’ চাল, আপনি পাচ্ছেন তো সুযোগ?

Share
তোলাবাজি-সিন্ডিকেট খতমের কড়া দাওয়াই! কর্মসংস্থানে শুভেন্দুর মেগা 'ত্রিশক্তি' চাল, আপনি পাচ্ছেন তো সুযোগ?
FILE IMAGE
Share

কলকাতা: বাংলায় বেকারত্ব দূর করতে এবং নিয়োগ দুর্নীতিকে চিরতরে উপড়ে ফেলতে এবার ঐতিহাসিক মাস্টারস্ট্রোক দিল নতুন সরকার। বিধানসভায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে কর্মসংস্থানের এক নতুন রূপরেখা ঘোষণা করলেন। 

[TECHTARANGA-POST:10135]

কর্মসংস্থানের সুযোগ রকেটের গতিতে বাড়াতে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বহুচর্চিত ‘ত্রিধারা’ বা ‘ত্রিশক্তি’ নীতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে রাজ্যে বিনিয়োগের পরিবেশ মসৃণ করতে এবং শিল্পপতিদের তোলাবাজির হাত থেকে বাঁচাতে এবার বাজেটে আস্ত এক সিন্ডিকেট-বিরোধী কড়া আইন আনার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী, যা বাংলার অর্থনৈতিক ইতিহাসে এক বড়সড় পদক্ষেপ হতে চলেছে।

[TECHTARANGA-POST:10175]

পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলের ভূরি ভূরি নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে এনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানান, বাংলার নতুন প্রজন্মকে আর টাকার বিনিময়ে চাকরি কিনতে হবে না। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ইউপিএসসি (UPSC) মডেল অনুসরণ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, যেখানে কোনও রাজনৈতিক নেতার প্রবেশাধিকার থাকবে না।

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ত্রিশক্তি’র প্রথম ধাপেই রয়েছে মেগা সরকারি কর্মসংস্থান। শিক্ষক, অধ্যাপক, পুলিশ ও বনকর্মী-সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ফাঁকা পড়ে থাকা ১ লক্ষ শূন্যপদে দ্রুত স্বচ্ছ নিয়োগ করা হবে। যার মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ কর্মী এবং ৫০ হাজার শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের বড় ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি ৩০ হাজার শূন্যপদ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজের গতি বাড়াতে পূরণ করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত রাখতে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ কমিটিতে রাখা হচ্ছে না।

মাত্র ২০ মিনিটের অপারেশনে দলের নতুন সুপ্রিমো অরূপ রায়, নোভোটেলের বৈঠকে একী কাণ্ড!

‘ত্রিশক্তি’র দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে বেসরকারি ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে জোয়ার আনা। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভপ্রকাশ করে জানান, এতদিন দেখা যেত ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়ে বাংলায় জমি কেনার পর স্থানীয় স্তরে তোলা চেয়ে বিনিয়োগকারীদের হেনস্থা করা হতো। এই তোলাবাজি ও সিন্ডিকেটরাজ পুরোপুরি খতম করতে বাজেটে কড়া আইন আনার পাশাপাশি এক যুগান্তকারী ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু। এবার থেকে যে সমস্ত শিল্পপতিরা ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন, তাঁদের কারখানা তৈরির জন্য পঞ্চায়েত বা স্থানীয় স্তরের কোনও দপ্তরের কাছ থেকে আলাদা করে কোনও অনুমতির চক্কর কাটতে হবে না। রাজ্যস্তর থেকেই সরাসরি জমি ও সমস্ত চুক্তি সুনিশ্চিত করা হবে।

[TECHTARANGA-POST:10144]

এই মেগা পরিকল্পনার তৃতীয় ও শেষ ধাপে স্থান পেয়েছে জেন জি ও শিক্ষিত নতুন প্রজন্ম। যে সমস্ত যুবক-যুবতীরা বিভিন্ন স্কিল ট্রেনিং নেওয়ার পর নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান বা স্টার্ট-আপ শুরু করতে চান, তাঁদের জন্য ব্যবসা ও ভর্তুকি কেন্দ্রিক একগুচ্ছ বড় সুবিধার কথা জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের পিএম মুদ্রা যোজনা এবং পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার মাধ্যমে এই তরুণ উদ্যোক্তাদের সরাসরি লোন ও মোটা অঙ্কের সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে। সরকারি চাকরি, সিন্ডিকেট-মুক্ত বেসরকারি শিল্প এবং স্বনির্ভরতার এই ‘ত্রিশক্তি’র মেলবন্ধনে আগামী দিনে বাংলার কর্মসংস্থানে এক সোনালী দিগন্ত খুলে যাবে বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *