০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ ছাদ থেকে ধাক্কা, তারপর স্যালাইনে টয়লেট ক্লিনার! প্রেমিকের সাথে নার্স স্ত্রীর এই কাণ্ড দেখে শিউরে উঠল দেশ
অপরাধআইন-কানুনদুর্ঘটনাভারতবর্ষ

ছাদ থেকে ধাক্কা, তারপর স্যালাইনে টয়লেট ক্লিনার! প্রেমিকের সাথে নার্স স্ত্রীর এই কাণ্ড দেখে শিউরে উঠল দেশ

Share
ছাদ থেকে ধাক্কা, তারপর স্যালাইনে টয়লেট ক্লিনার! প্রেমিকের সাথে নার্স স্ত্রীর এই কাণ্ড দেখে শিউরে উঠল দেশ
ছবি সংগৃহীত
Share

হায়দরাবাদ: পুণের পর এবার তেলেঙ্গানা। পরকীয়া প্রেমের টান আর পথের কাঁটা সরাতে স্বামীকে নৃশংসভাবে খুনের এক হাড়হিম করা ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। প্রেমিকের সঙ্গে মিলে নিজের স্বামীকে প্রথমে বহুতলের ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া এবং পরে নার্সিংয়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্যালাইনের মাধ্যমে শরীরে টয়লেট ক্লিনার ঢুকিয়ে হত্যার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে পেশায় নার্স এক তরুণী ও তাঁর প্রেমিককে। খুনের এই পৈশাচিক রূপ দেখে তাজ্জব বনে গেছেন খোদ তদন্তকারীরাও।

[TECHTARANGA-POST:10674]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত তরুণী সন্ধ্যার স্বামী প্রশান্ত কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতেন। স্বামী দূরে থাকার সুবাদে অনিল নামে এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সন্ধ্যা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশান্তর সঙ্গে তাঁর দূরত্ব আরও বাড়তে থাকে। সম্প্রতি প্রশান্ত বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরতেই অনিলের সঙ্গে তাঁর প্রেমে বাধা তৈরি হয়। এর পরেই স্বামীকে চিরতরে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে এক ভয়ঙ্কর ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেন সন্ধ্যা। ছক অনুযায়ী, প্রশান্তকে প্রথমে অতিরিক্ত মদ খাইয়ে বেহুঁশ করা হয়। এই কাজে সন্ধ্যা ও অনিলকে সাহায্য করেন ভেঙ্কট সাই নামের এক বন্ধু, যাঁর ওপর দায়িত্ব ছিল প্রশান্তকে মদ খাওয়ানোর। এরপর নেশায় বুঁদ প্রশান্তকে ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়।

[TECHTARANGA-POST:10670]

ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে প্রশান্ত গুরুতর আহত হলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। চিকিৎসার জন্য তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু যমদূত সেজে সেখানেও হাজির হন স্ত্রী সন্ধ্যা। নিজের নার্সিং পেশার অভিজ্ঞতাকে অপব্যবহার করে হাসপাতালের ভেতরেই স্বামীকে শেষ করার চূড়ান্ত ছক কষেন তিনি। অভিযোগ, হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন স্বামীর স্যালাইন লাইনের ভেতরে অত্যন্ত গোপনে অ্যানাস্থেসিয়া এবং টয়লেট ক্লিনার ঢুকিয়ে দেন সন্ধ্যা। কিছুক্ষণের মধ্যেই তীব্র বিষক্রিয়ায় ছটফট করতে করতে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় প্রশান্তর। 

বিনীত গোয়েল সহ তিন আধিকারিক এখনও তদন্তের স্ক্যানারে, ‘আর জি কর ফাইলস’ এ নতুন মোড়

প্রথমে একে ছাদ থেকে পড়ে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, প্রশান্তর মায়ের মনে খটকা খোলে। তিনি সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সন্ধ্যার ফোনের কল রেকর্ড ও গতিবিধি খতিয়ে দেখতেই কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়ে। কড়া জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ভেঙে পড়ে অপরাধ কবুল করে অভিযুক্তরা। ইতিমধ্যেই পুলিশ সন্ধ্যা, তাঁর প্রেমিক অনিল এবং সহযোগী ভেঙ্কট সাইকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুন ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার ফরেনসিক তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *