০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home Uncategorized ‘শুধু দোকান কেন, খাট-বিছানা নিয়ে আসুন!’ ফুটপাথ দখলে মেজাজ হারালেন অগ্নিমিত্রা
Uncategorized

‘শুধু দোকান কেন, খাট-বিছানা নিয়ে আসুন!’ ফুটপাথ দখলে মেজাজ হারালেন অগ্নিমিত্রা

Share
Share

কলকাতা: ফুটপাথ ও রাস্তা দখলমুক্ত করতে ফের কড়া মেজাজে ধরা দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। রবিবার সকালে ল্যান্সডাউন মার্কেটে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে জবরদখলের বহর দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ আটকে ব্যবসা চালানো বরদাস্ত করা হবে না জানিয়ে ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট ভাষায় ধমক দেন এবং দখল হওয়া জায়গা খালি করার জন্য মাত্র দু’দিনের কড়া ডেডলাইন বেঁধে দেন। মন্ত্রীর এই ঝটিকা অভিযানে রবিবাসরীয় সকালে বাজার চত্বরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়।

রবিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ পুর-প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডেকে সঙ্গে নিয়ে ল্যান্সডাউন বাজারে পৌঁছান মন্ত্রী। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ফুটপাথ ছাপিয়ে রাস্তার একটা বড় অংশ দখল করে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে একটি ফলের দোকানের সামনে রাস্তায় ক্রেট সাজিয়ে রাখার দৃশ্য দেখেই দাঁড়িয়ে পড়েন অগ্নিমিত্রা। পথচারীদের চলাচলে বাধা তৈরি করার কারণে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যে সমস্ত দোকান সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অন্তরায় হচ্ছে, সেগুলির বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

এরপর বাজারের একটি সবজির দোকানে গিয়ে মন্ত্রী দেখেন, বিরাট জায়গা জুড়ে পসরা সাজিয়ে বসে রয়েছেন এক বিক্রেতা। তা দেখে মেজাজ হারিয়ে অগ্নিমিত্রা কটাক্ষের সুরে বলেন, রাস্তা কোনো সংসার পাতার জায়গা নয়; দরকার হলে দোকান কিনে সংসার পাতুন, না হলে খাট-বিছানা নিয়ে এসে রাস্তাতেই বসে পড়ুন। এর পাশাপাশি জবরদখলের নেপথ্যে রাজনৈতিক মদতের অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো তৃণমূল কাউন্সিলরকে টাকা খাইয়ে এই জায়গা দখল করা হয়েছে কি না। অবিলম্বে নির্দেশদাতার নাম জানানোর দাবি তুলে বাজারের সুপারভাইজারকেও তীব্র ভর্ৎসনা করেন তিনি। শহরজুড়ে ফুটপাথ দখলমুক্ত করার অভিযানে এই ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট যে অব্যাহত থাকবে, সেই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।

[TECHTARANGA-POST:11696]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *