25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ Debraj: ১০০ কোটির সিন্ডিকেট দুর্নীত, দেবরাজ ও অদিতির বিরুদ্ধে দেড় হাজার পাতার চার্জশিট
পশ্চিমবঙ্গ

Debraj: ১০০ কোটির সিন্ডিকেট দুর্নীত, দেবরাজ ও অদিতির বিরুদ্ধে দেড় হাজার পাতার চার্জশিট

Share
Debraj: ১০০ কোটির সিন্ডিকেট দুর্নীত, দেবরাজ ও অদিতির বিরুদ্ধে দেড় হাজার পাতার চার্জশিট
দেবরাজ, অদিতির বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ। ফাইল ছবি
Share

বারাসত: বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সীর বিরুদ্ধে এবার তোলাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগে তদন্তের জল গড়াল বহুদূর। জোড়াফুলের এই প্রভাবশালী দম্পতির বিরুদ্ধে তোলাবাজি, প্রতারণা এবং সিন্ডিকেট চালানোর মতো বিস্ফোরক অপরাধে বারাসত আদালতে পেশ করা হল দেড় হাজারেরও বেশি পৃষ্ঠার বিশাল চার্জশিট।

তদন্তকারী আইনজীবীদের চাঞ্চল্যকর দাবি, সব মিলিয়ে নথি ও সম্পত্তির হিসেব কষলে এই সিন্ডিকেট দুর্নীতির বহর কিছুতেই ১০০ কোটি টাকার কম নয়। গোটা ঘটনার গভীরে যেতে এবং মূল চক্রীদের জালে তুলতে নতুন ফৌজদারি আইন বা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) নির্দিষ্ট ধারা মেনে তদন্তপ্রক্রিয়া খোলা (ওপেন ইনভেস্টিগেশন) রাখার আর্জি জানানো হয়েছে বিচারকের কাছে।

উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত আদালতে জমা পড়া এই সুবিশাল চার্জশিটে অভিযুক্ত দেবরাজ ও অদিতির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১১১ নম্বর ধারা অর্থাৎ সংগঠিত অপরাধ বা সিন্ডিকেট ক্রাইম, তোলাবাজি, জালিয়াতি এবং জোরপূর্বক জমি দখলের মারাত্মক সব অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের সওয়াল, বিধাননগর ও সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে প্রোমোটিং রুখে দেওয়া এবং ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার জমি হাতানোর এক জাল বিস্তার করেছিলেন এই প্রভাবশালী দম্পতি। সেই সিন্ডিকেটের মাকড়সার জালের মতোই ছড়িয়ে পড়েছিল কাটমানি ও তোলাবাজির বিশাল কারবার।

শুধু তাই নয়, এই সিন্ডিকেট ও ভয় দেখিয়ে আদায় করা বিশাল অংকের অর্থ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের অ্যাকাউন্টে চালান করে দেওয়া হয়েছে বলেও চার্জশিটে দাবি করেছে তদন্তকারী পক্ষ। এই টাকার লেনদেনের শেষ কোথায় এবং কার কার পকেটে সেই দুর্নীতির টাকা পৌঁছেছে, তা পুরোপুরি টেনে বার করতে তদন্ত জারি রাখার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেছে সিআইডি বা তদন্তকারী সংস্থা।

একই সঙ্গে মামলায় অহেতুক বিলম্ব এড়াতে এবং দ্রুত বিচার সুনিশ্চিত করতে ‘স্পিডি ট্রায়াল’-এর কড়া দাবি জানানো হয়েছে আদালতের কাছে। আগামী দিনে এই সংক্রান্ত বেশ কিছু অকাট্য বৈদ্যুতিন তথ্যপ্রমাণও (ইলেক্ট্রনিক এভিডেন্স) বারাসত আদালতে পেশ করা হবে বলে ইঙ্গিত মিলছে। সব মিলিয়ে দুর্গাপূজোর ঠিক মুখেই এই রাজনৈতিক দম্পতির আইনি জাঁতাকলে পিষ্ট হওয়ার ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে এক ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *