25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা Kolkata Municipal Corporation: পুরসভারই সম্পত্তি কর ‘ফাঁকি’ ৮৩ কোটি, ক্যাগ রিপোর্টে মাথায় হাত কলকাতা পুর প্রশাসনের
কলকাতা

Kolkata Municipal Corporation: পুরসভারই সম্পত্তি কর ‘ফাঁকি’ ৮৩ কোটি, ক্যাগ রিপোর্টে মাথায় হাত কলকাতা পুর প্রশাসনের

Share
Weather Update : আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা, শারদীয়ার মুখে দক্ষিণে কমলা সতর্কতা, ভাসবে কোন কোন জেলা?
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: সাধারণ মানুষের বকেয়া কর আদায়ে বিন্দুমাত্র রেয়াত না করলেও, নিজেদের কর মেটাতেই উদাসীন কলকাতা পুরসভা! কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগ (CAG)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্টে প্রকাশ্যে এল তেমনই এক বিস্ফোরক ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৬ সাল থেকে পুরসভার সদর দফতর এবং বিভিন্ন বোরো অফিসের অধীনে থাকা নিজস্ব সম্পত্তি থেকেই বকেয়া পড়ে রয়েছে প্রায় ৮৩ কোটি ৩ লক্ষ টাকার বিপুল সম্পত্তি কর। নিজস্ব ঘর থেকেই এত বিরাট অঙ্কের কর আদায়ে ব্যর্থ হওয়ায় পুর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে ক্যাগ।

রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, মেয়র হিসেবে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মেয়াদকাল থেকে শুরু করে ফিরহাদ হাকিমের আমল পর্যন্ত একাধিকবার সম্পত্তি করে ‘ওয়েভার স্কিম’ বা কর মকুবের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পুরকোষাগারে কোটি কোটি টাকা এলেও, ছাড় দিতে গিয়ে আদতে ক্ষতি হয়েছে কয়েকশো কোটি টাকার। একই সঙ্গে সরকারি সম্পত্তি থেকে কর আদায়ে পুরসভা চরম গাফিলতি করেছে বলেও ক্যাগের অভিযোগে উঠে এসেছে। পুর কমিশনারকে পাঠানো চিঠিতে কোথায় কত টাকা বকেয়া রয়েছে, তার বিস্তারিত খতিয়ান পেশ করে দ্রুত জবাব তলব করেছে ক্যাগ।

অর্থনৈতিক টানাটানির কারণে যখন কলকাতা পুরসভার একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প আটকে রয়েছে, এমনকি কর্মীদের বেতন ও পেনশন মেটাতে কালঘাম ছুটছে, তখন কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বকেয়া ফেলে রাখা হলো, তা নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার দায় স্বীকার না করলেও আয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, সংস্থা চালাতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরি, কারণ পুরকর্মীদের বেতন বা পেনশন কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার দেবে না; ফলে কর সংগ্রহে পুরসভার আরও নজর দেওয়া উচিত ছিল।

অন্যদিকে, এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই শাসকদলকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। সিপিএম আমলের ‘চোরপোরেশন’ অপবাদ টেনে এনে তিনি তোপ দাগেন, ববি হাকিমের নেতৃত্বাধীন বোর্ড পুরসভাকে চরম দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে। তাঁর দাবি, এই বকেয়ার পরিমাণ ৮৩ কোটির চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে এবং সিএজি-র চোখেও ধুলো দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

[TECHTARANGA-POST:12812]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *