25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized শুভেন্দুর চালে কপাল পুড়বে পবিত্রর? নন্দীগ্রামে ‘পঞ্চায়েত সদস্য’ বনাম ‘বিধানসভা প্রার্থী’ তরজায় শোরগোল!
Uncategorized

শুভেন্দুর চালে কপাল পুড়বে পবিত্রর? নন্দীগ্রামে ‘পঞ্চায়েত সদস্য’ বনাম ‘বিধানসভা প্রার্থী’ তরজায় শোরগোল!

Share
Share

নন্দীগ্রাম: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে এবার নয়া মোড়। একসময় শুভেন্দু অধিকারীর ছায়াসঙ্গী তথা বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন খোদ বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর দাবি, পবিত্র কর এখনও বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য পদ ছাড়েননি। অথচ, তৃণমূলের প্রতীকে বিধানসভায় লড়ছেন! এই ‘আইনি জটিলতা’ কি তবে পবিত্রর প্রার্থীপদ বাতিলের কারণ হতে পারে? নন্দীগ্রামের পাড়ায়-পাড়ায় এখন এটাই কোটি টাকার প্রশ্ন!

[TECHTARANGA-POST:7919]

বুধবার হলদিয়ায় একটি সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, পবিত্র কর বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির টিকিটে জয়ী সদস্য। কিন্তু, সেই পঞ্চায়েতের পদ থেকে পদত্যাগ না করেই তিনি তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন! শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, “আমি স্ক্রুটিনির সময় অবজেকশন দিইনি। কারণ, ওকে আমি রাজনৈতিকভাবে হারাতে চাই। তবে, অভিযোগ জানালেই ওর প্রার্থীপদ বাতিল হয়ে যেত।” সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7918]

শুভেন্দুর এই অভিযোগকে পাত্তা দিতে নারাজ ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী। পবিত্র করের পাল্টা দাবি, শুভেন্দু অধিকারী হলেন নন্দীগ্রামের সব মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’। তাঁর কথায়, “উনি চাইলে কাল থেকে পশ্চিম দিকে সূর্য উঠবে! ওঁর বিশাল চাওয়া-পাওয়া। তবে ৪ মে বাংলার মানুষ সব হিসাব বুঝে নেবে।” পবিত্রর আত্মবিশ্বাস, বিজেপি শিবিরের কর্মীরাও তলে-তলে তাঁর হয়েই কাজ করবেন!

[TECHTARANGA-POST:7874]

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় সংবিধান ও পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী – এক দলের পঞ্চায়েত সদস্য থাকাকালীন অন্য দল থেকে বিধানসভায় লড়াই করলে বড়জোর পঞ্চায়েতের সদস্য পদটি খারিজ হতে পারে। তবে, এর ফলে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থীপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। অর্থাৎ – শুভেন্দুর এই অভিযোগ মূলত পবিত্রর উপর ‘চাপ’ তৈরির কৌশল বলেই মনে করা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:7853]

দুই ‘পুরনো বন্ধু’র এই লড়াই এখন কার্যত আইনি দড় কষাকষির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে! নন্দীগ্রামের ইভিএম-এ কার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে, তা জানতে এখন শুধুই ৪ মে-র অপেক্ষা!

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *