০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home Uncategorized খাদে ফেলার আগেই কেতনের মোবাইল নেন সিয়া! ফোন থেকে প্রমাণ লোপাটের সন্দেহে ফরেনসিক পরীক্ষায় জোর পুলিশের
Uncategorized

খাদে ফেলার আগেই কেতনের মোবাইল নেন সিয়া! ফোন থেকে প্রমাণ লোপাটের সন্দেহে ফরেনসিক পরীক্ষায় জোর পুলিশের

Share
খাদে ফেলার আগেই কেতনের মোবাইল নেন সিয়া! ফোন থেকে প্রমাণ লোপাটের সন্দেহে ফরেনসিক পরীক্ষায় জোর পুলিশের
এ আই নির্মিত ছবি
Share

পুনের লোহাগড় দুর্গে ২৫ বছরের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে নেমে পুলিশের সন্দেহ, কেতনকে গভীর খাদে ফেলে দেওয়ার ঠিক আগেই তাঁর মোবাইল ফোনটি নিজের কাছে নিয়ে নিয়েছিলেন হবু স্ত্রী সিয়া গোয়েল। এরপর সেই ফোন থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ চ্যাট বা ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ফোনটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:10502]

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে কেতনকে পরিকল্পনা করে নিয়ে যান সিয়া ও তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী। তদন্তে উঠে এসেছে, খুনের আগে দু’জনের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ‘কোড সিগন্যাল’ ঠিক করা হয়েছিল। অভিযোগ, দুর্গের খাদসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে সিয়া হঠাৎ বসে পড়েন – কখনও জল খাওয়ার, কখনও জুতোর ফিতে বাঁধার অজুহাতে। সেটাই ছিল চেতনের কাছে আক্রমণের সংকেত। এরপরই পিছন থেকে এসে কেতনকে গভীর খাদে ঠেলে দেওয়া হয় বলে অনুমান পুলিশের। যদিও শেষ ধাক্কাটি কে দিয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিত নয়। 

[TECHTARANGA-POST:10466]

পুলিশি জেরায় আরও জানা গিয়েছে, কেতনকে ধাক্কা দেওয়ার কয়েক মুহূর্ত আগেই তাঁর মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেন সিয়া। পরে অবশ্য সেই ফোনটি কেতনের পরিবারের হাতে তুলে দেন তিনি। কিন্তু তদন্তকারীদের সন্দেহ, সেই সময়ের মধ্যেই ফোন থেকে গুরুত্বপূর্ণ চ্যাট, কল রেকর্ড বা অন্য ডিজিটাল তথ্য মুছে ফেলা হয়ে থাকতে পারে। সরকারি আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, সিয়া ও চেতন নিজেদের মধ্যকার একাধিক কথোপকথন আগেই ডিলিট করেছিলেন। তাই কেতনের ফোনেও কোনও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:10488]

জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেতন ও সিয়ার বাগদান হয়েছিল। আগামী নভেম্বরেই তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, গত বছরের অক্টোবর থেকেই চেতন চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন সিয়া। পরিবারের চাপে বিয়ে ভাঙতে না পেরে কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলেই জেরায় দাবি করেছেন তিনি। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এর আগেও কেতনের সঙ্গে বালিতে যাওয়ার একটি প্রি-ওয়েডিং ট্রিপ ভেস্তে দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর পাসপোর্ট লুকিয়ে রেখেছিলেন সিয়া। কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল জানিয়েছেন, ছেলে সিয়া ও চেতনের সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করেছিলেন এবং সিয়ার ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করার কথাও ভাবছিলেন। তবে সেই সুযোগ আর পাননি তিনি। বর্তমানে অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী দু’জনেই পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *