25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized জেন-জি প্রজন্মকে ‘নর্দমা প্রজন্ম’ আখ্যা, বিকৃত মানসিকতা নিয়ে তোপ কঙ্গনার!
Uncategorized

জেন-জি প্রজন্মকে ‘নর্দমা প্রজন্ম’ আখ্যা, বিকৃত মানসিকতা নিয়ে তোপ কঙ্গনার!

Share
Share

মুম্বই: নিজের বিস্ফোরক বক্তব্য ও একের পর এক বেফাঁস মন্তব্যে বিতর্ক সৃষ্টি করতে জুড়ি মেলা ভার তাঁর। ফের একবার নিজের ধারালো কথার বাণে সংবাদের শিরোনামে উঠে এলেন বিজেপি সাংসদ তথা বলি অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং এই সংক্রান্ত বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভাইরাল রিলস নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম অর্থাৎ জেন-জি-কে (Gen-Z) সোজা ভাষায় ‘নর্দমা প্রজন্ম’ বলে তোপ দেগেছেন এই তারকা সাংসদ।

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক দীর্ঘ পোস্টে কঙ্গনা অত্যন্ত কড়া ভাষায় লেখেন, পশ্চিমা সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে বড় হওয়া এই তরুণ প্রজন্ম আসলে একটা ‘জেনারেশন গটার’ বা নর্দমা প্রজন্ম। তাঁর মতে, সমাজ বা দেশের উন্নতির জন্য কোনো ইতিবাচক অবদান রাখার ক্ষমতা এদের অধিকাংশেরই নেই। এরা না তো পড়াশোনায় পারদর্শী, আর এদের মানসিকতা এতটাই বিকৃত ও নিম্নমানের যে ভবিষ্যতে একজন ভালো গৃহিণী হওয়ার যোগ্যতাও এরা হারিয়ে ফেলছে। নেশা, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং একাধিক অসংযত যৌন সম্পর্ককে স্বাধীনতা বলে প্রচার করা হচ্ছে দাবি করে কঙ্গনা ক্ষোভ প্রকাশ করেন যে, বাবা-মায়ের টাকায় বিলাসিতা করে বাঁচা সত্ত্বেও এই প্রজন্মের অনেকেই নিজেদের মিছেমিছি ‘স্বাধীন নারী’ বলে প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই বিতর্কের মাঝেই প্রকৃত ‘স্বাধীন নারী’ কাকে বলে, তার একটি নিজস্ব ব্যাখ্যাও তুলে ধরেছেন বিজেপি সাংসদ। কঙ্গনার বক্তব্য অনুযায়ী, সমাজে প্রচলিত গতে বাঁধা ছকের বাইরে বেরিয়ে যিনি স্বনির্ভর হয়ে নিজের ক্যারিয়ার নিজে গড়েন, জীবনের যে কোনো সিদ্ধান্ত নিজ দায়িত্বে নেন এবং তার পরিণাম হাসিমুখে সহ্য করেন— তিনিই আসল অর্থ স্বাধীন। তিনি স্পষ্ট করেন, স্বাধীনতা কোনো থালায় সাজানো উপহারের বস্তু নয়, বরং কঠোর পরিশ্রমের জোরে তাকে অর্জন করে নিতে হয়। দায়িত্ব এড়িয়ে কেবল স্বাধীনতার ভান করাকে কখনোই স্বাধীনতা বলা যায় না।

উল্লেখ্য, এর আগেও জন্তর-মন্তরে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলনের একাধিক ভিডিও ও ইনস্টাগ্রামের ভাইরাল রিলস দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন কঙ্গনা। সে সময়ে আন্দোলনকারীদের ভাষা, চলাফেরা ও পোশাক পরার ঢংকে অত্যন্ত কুৎসিত ও অশালীন বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। আন্দোলনকারীদের নিজেদের ‘ককরোচ’ বা আরশোলা বলে পরিচয় দেওয়া এবং সেই রূপ পোশাক পরিধান করে অশালীন আচরণ দেখার পর তাঁর প্রবল মানসিক বিরক্তি এবং ‘ডিজিটাল ডিটক্স’-এর প্রয়োজন হয়েছিল বলে খোঁচা দিয়েছিলেন কঙ্গনা।

[TECHTARANGA-POST:11331]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *