25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized তুরস্কের বিশেষ নিরাপত্তা দলকে নিজস্ব ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের অনুমতি দিল বাংলাদেশের সেনা!
Uncategorized

তুরস্কের বিশেষ নিরাপত্তা দলকে নিজস্ব ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের অনুমতি দিল বাংলাদেশের সেনা!

Share
Share

ঢাকা: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের পুত্র নেকমেত্তিন বিলাল এরদোয়ান এবং বিশ্বখ্যাত ফুটবলার মেসুত ওজিলের বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই ভিভিআইপি প্রতিনিধিদের সুরক্ষায় নিয়োজিত তুর্কি নিরাপত্তা সংস্থাকে বাংলাদেশে নিজস্ব যোগাযোগ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের বিশেষ অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিদেশ মন্ত্রক।

সূত্রের দাবি, ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ও কক্সবাজারে অবস্থানকালে তুর্কি নিরাপত্তা দল তুরস্কের তৈরি অত্যাধুনিক ‘আসেলসান’ (Aselsan) কোম্পানির ওয়্যারলেস সরঞ্জাম ব্যবহার করছে। সাধারণত বিদেশি প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হলেও, এক্ষেত্রে তুর্কি সামরিক অ্যাটাশে কর্নেল হিলমি বারিস ইলদিজের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ ব্রাঞ্চ ও ডিজিএফআই এই বিশেষ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেছে। তিনদিনের জন্য তারা এই নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি মেসুত ওজিল এবং বিলাল এরদোয়ান-সহ ১১ জনের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা পৌঁছয়। তাদের আগমনে বিমান বন্দরেই ‘ফ্রি অফ কস্ট’ ভিসা প্রদান করা হয়। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তুরস্কের সহায়তায় (TIKA-funded) নির্মিত একটি নতুন মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করে। ওজিলকে দেখতে সেখানে সাধারণ মানুষ ও বিশেষ করে ইসলামি ছাত্র শিবিরের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়।

আজ (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) প্রতিনিধি দলটি কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মহম্মদ মিজানুর রহমানের সাথে বৈঠক করে। এরপর তারা উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুর্কি ফিল্ড হাসপাতাল, মাল্টিপারপাস এডুকেশন সেন্টার এবং আল শিফা মডেল গার্লস স্কুল পরিদর্শন করে।

জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ী তারকা মেসুত ওজিলকে কেন্দ্র করে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও, পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এরদোয়ান-পুত্র বিলাল এরদোয়ান। বর্তমানে তুরগিয়েভ (Türgev) ফাউন্ডেশনের মতো বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা বিলাল তুরস্কের টিআইকেএ (TIKA)-এর বিভিন্ন প্রকল্প তদারকি করছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুর্কি এনজিওগুলির দীর্ঘদিনের অর্থায়ন ও কার্যক্রমের একটি নতুন বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।

এই সফর সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তুর্কি সামরিক অ্যাটাশের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন বাংলাদেশি সামরিক কর্তারা। তবে, নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু কড়াকড়িও আরোপ করা হয়েছে। ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপার্পাস কমপ্লেক্সে বৈঠকের সময় তুর্কি অ্যাটাশেকে জানানো হয়, উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ভুক্ত এলাকায় তাঁর চলাফেরা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (TK-713) প্রতিনিধি দলটির ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *