25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মানে ভূষিত খালেদা জিয়া, দাদির পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা!
Uncategorized

মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মানে ভূষিত খালেদা জিয়া, দাদির পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা!

Share
মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মানে ভূষিত খালেদা জিয়া, দাদির পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা!
Share

ঢাকা: বাংলাদেশের সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মানে ভূষিত করল বাংলাদেশ সরকার। রবিবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রয়াত নেত্রীর পক্ষে তাঁর নাতনি তথা তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। জাইমার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন।

[TECHTARANGA-POST:7115]

বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বছর খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও তাঁর অনমনীয় নেতৃত্বকে সম্মান জানাতে এই পুরস্কারের জন্য তাঁকে মনোনীত করে। দীর্ঘ সাড়ে চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া বারবার প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে ‘আপসহীন নেত্রী’ বলা হয়।

বিশেষ করে ১৯৮৬ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তে অটল থাকা এবং পরবর্তী সময়ে ২০১৪ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে চাপের মুখেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকা, তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম ‘অদম্য’ সিদ্ধান্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। তাঁর এই আপসহীন মনোভাবই বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি-কে সামনের সারিতে রাখতে সাহায্য করেছিল। অন্তত তাদের দাবি এমনটাই।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই বাংলাদেশ সরকার খালেদা জিয়াকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’-এ ভূষিত করেছে। বর্তমান তারেক রহমানের সরকারের আমলে এটি তাঁর দ্বিতীয় বড় রাষ্ট্রীয় সম্মান। এদিনের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের উপস্থিতি ছিল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, নতুন সরকার গঠনের পর এটি তাঁর দ্বিতীয় কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।

অনুষ্ঠানে জাইমা রহমানের পুরস্কার গ্রহণের দৃশ্যটি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে। গণতন্ত্র রক্ষা এবং উন্নয়নের দিশারী হিসেবে খালেদা জিয়ার অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতেই এই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *