25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized কেরালায় মাঝ-সমুদ্রে ট্রলার দুর্ঘটনা, নিখোঁজ কুলতলির বাবা ও ছেলে, উৎকণ্ঠায় পরিবার
Uncategorized

কেরালায় মাঝ-সমুদ্রে ট্রলার দুর্ঘটনা, নিখোঁজ কুলতলির বাবা ও ছেলে, উৎকণ্ঠায় পরিবার

Share
কেরালায় মাঝ-সমুদ্রে ট্রলার দুর্ঘটনা, নিখোঁজ কুলতলির বাবা ও ছেলে, উৎকণ্ঠায় পরিবার
ছবি সংগৃহীত
Share

কুলতলি: রুজিরুটির টানে সুদূর কেরালার সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ল আদতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলির বাসিন্দা এক বাবা ও ছেলের জুটি। গত ৬ মার্চ মাঝ-সমুদ্রে একটি পণ্যবাহী জাহাজের ধাক্কায় সংশ্লিষ্ট ট্রলারটি উল্টে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ লক্ষ্মণ দাস (৪২) এবং তাঁর ছেলে বাদল দাস (২০)। ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ কাটতে চললেও তাঁদের হদিস না মেলায় চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

[TECHTARANGA-POST:7270]

স্থানীয় সূত্রে খবর, মাস তিনেক আগে কুলতলি ও কাকদ্বীপ এলাকা থেকে মোট ১১ জন মৎস্যজীবী কেরালার একটি সংস্থায় কাজ করতে গিয়েছিলেন। গত ৬ মার্চ তাঁরা ‘কাটালি-২’ নামক একটি ট্রলারে চড়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দুপুরে সমুদ্রের মাঝে ট্রলারটি স্থির অবস্থায় ছিল এবং ক্লান্ত মৎস্যজীবীদের অনেকেই তখন ঘুমোচ্ছিলেন।

[TECHTARANGA-POST:7269]

ঠিক সেই সময় আচমকা একটি বিশালাকার পণ্যবাহী জাহাজ এসে ধাক্কা মারে ট্রলারটিতে। প্রবল ধাক্কায় ভারসাম্য হারিয়ে ট্রলারটি মাঝ-সমুদ্রেই উল্টে যায়। প্রাণ বাঁচাতে অন্য মৎস্যজীবীরা জলে ঝাঁপ দিলেও, ট্রলারের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা লক্ষ্মণ দাস বেরোতে পারেননি। তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার সঙ্গেই তলিয়ে যান ছেলে বাদলও।

দুর্ঘটনার পর অন্য একটি ট্রলার এসে আহত ন’জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন থাকলেও লক্ষ্মণ ও বাদলের কোনও খোঁজ মেলেনি। কেরালা পুলিশ ও উপকূলরক্ষী বাহিনী দফায় দফায় তল্লাশি চালালেও লাভ হয়নি। 

[TECHTARANGA-POST:7267]

এই দুঃসংবাদ কুলতলিতে পৌঁছতেই কান্নার রোল ওঠে দাস পরিবারে। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কাছে নিখোঁজ সদস্যদের ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়েছে পরিবারটি। এই বিষয়ে কুলতলির বিধায়ক গণেশচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “আমরা পুরো ঘটনার খবর রাখছি এবং পরিবারের পাশে আছি। কেরালা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবরকম সাহায্যের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *