25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের দাদার রহস্যজনক মৃত্যু পাকিস্তানে! নেপথ্যে কি অন্তর্ঘাত না কি অসুস্থতা?
Uncategorized

জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের দাদার রহস্যজনক মৃত্যু পাকিস্তানে! নেপথ্যে কি অন্তর্ঘাত না কি অসুস্থতা?

Share
Share

পাকিস্তানের কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের দাদা মহম্মদ তাহির আনোয়ারের দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয় এবং ওই দিনই রাত ১১টায় বহওয়ালপুরের জামিয়া মসজিদ উসমান ওয়ালিতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলে জইশের নিজস্ব টেলিগ্রাম চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের অসুস্থতা নাকি মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা বজায় রেখেছে সংগঠনটি।

[TECHTARANGA-POST:7712]

তদন্তকারী সংস্থাগুলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, তাহির আনোয়ার ছিলেন জইশ-ই-মহম্মদের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। সংগঠনের সশস্ত্র জঙ্গিদের পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। পরবর্তীতে তাঁকে ‘মারকাজ উসমান-ও-আলি’র গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ভারতের ‘সিঁদুর অভিযান’-এর সময় এই মারকাজকেই নিজের অস্থায়ী আস্তানা বানিয়েছিলেন মাসুদ আজহার। নেতৃত্বের লড়াই ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে সংগঠনের অন্দরে চলা টানাপড়েনের মাঝেই তাহিরের এই রহস্যমৃত্যু নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

[TECHTARANGA-POST:7706]

গত বছর ভারতের ‘সিঁদুর অভিযান’-এর সময় পাকিস্তানের বহওয়ালপুরসহ ২১টি জঙ্গিঘাঁটিতে অতর্কিত হামলা চালিয়েছিল ভারতীয় বাহিনী। সেই অভিযানে মাসুদের বোন ও ভগ্নিপতিসহ পরিবারের ১০ থেকে ১৪ জন সদস্য নিহত হয়েছিলেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল। ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় থাকা মাসুদ আজহার দীর্ঘদিন অন্তরালে থাকলেও, ২০২৪ সালের শেষের দিকে তাঁকে ফের বহওয়ালপুরে দেখা গিয়েছিল। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ওই ক্যাম্পাসে বসেই নতুন করে ভারতে নাশকতার ছক কষছিলেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:7701]

২০০১ সালে দিল্লির সংসদ ভবনে হামলা, ২০১৬ সালের পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটি এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার মতো ভয়াবহ নাশকতার মূল কারিগর ছিল এই জইশ-ই-মহম্মদ। ২০০২ সালে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও পাকিস্তানের মদতে বহওয়ালপুর থেকেই তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। দাদার এই রহস্যজনক মৃত্যু জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের জন্য বড়সড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *