25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized কলকাতায় এনআইএ প্রধান, শুরু অ্যাকশন!
Uncategorized

কলকাতায় এনআইএ প্রধান, শুরু অ্যাকশন!

Share
Share

কলকাতা: মোথাবাড়ি কাণ্ডের তদন্তে এবার সরাসরি ময়দানে নামল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে বিমানে কলকাতা পৌঁছে গেলেন এনআইএর আইজি। শুক্রবার সকালে নিউটাউনের এনআইএ দফতরে তড়িঘড়ি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সেরে ডিআইজির নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল রওনা দিয়েছে মালদহের মোথাবাড়ি ও কালিয়াচকের উদ্দেশে। নির্বাচনের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

[TECHTARANGA-POST:7787]

সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেই সোজা নিউটাউন দফতরে যান এনআইএ আইজি। সেখানে মালদহ যাওয়ার জন্য প্রস্তুত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন তিনি। তদন্তের গতিপ্রকৃতি কী হবে এবং ঘটনাস্থল থেকে কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মালদহ থেকে ফিরে আসা দলের প্রাথমিক রিপোর্ট সরাসরি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে মালদহের ঘটনায় মূল উস্কানিদাতা হিসাবে অভিযুক্ত আইনজীবী মোফাক্কারুল ইসলামকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উত্তরবঙ্গ শাখার এডিজি কে জয়রামন জানিয়েছেন, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7785]

তবে গ্রেফতার হওয়ার ঠিক আগে একটি ফেসবুক লাইভে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন মোফাক্কারুল। তাঁর দাবি, “মুসলিম ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া বা ডি-ভোটার করার বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেখানে বক্তব্য রাখার কারণেই আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। আমি কোনও আইন ভাঙিনি।”

এডিজি কে জয়রামন আরও জানিয়েছেন, মালদহের ওই রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বা উদ্ধারকাজে কেন দেরি হয়েছিল, তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ খতিয়ে দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

[TECHTARANGA-POST:7785]

বর্তমানে কালিয়াচক ও মোথাবাড়ি এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি রয়েছে। এনআইএ গোয়েন্দারা  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করবেন। ঘটনার নেপথ্যে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র বা নাশকতার ছক ছিল কিনা, তা খুঁজে বের করাই এখন কেন্দ্রীয় সংস্থার মূল লক্ষ্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *