25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized পহেলগাম হামলার এক বছর: উপত্যকায় এখন শিকারির ভূমিকায় ‘স্নো লেপার্ড’ ও ‘মারখোর’
Uncategorized

পহেলগাম হামলার এক বছর: উপত্যকায় এখন শিকারির ভূমিকায় ‘স্নো লেপার্ড’ ও ‘মারখোর’

Share
পহেলগাম হামলার এক বছর: উপত্যকায় এখন শিকারির ভূমিকায় 'স্নো লেপার্ড' ও 'মারখোর'
AI GENERATED IMAGE
Share

পহেলগাম হামলার এক বছর পেরিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে বলে দাবি করছেন নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তারা। গত এক বছরে উপত্যকায় কোনো বড়সড় জঙ্গি হামলা হয়নি, বরং এখন ছবিটা উল্টে গিয়েছে। আগে জঙ্গিরা নিরাপত্তা বাহিনীকে খুঁজত হামলার সুযোগ পেতে, আর এখন নিরাপত্তা বাহিনী তন্নতন্ন করে খুঁজে বের করছে জঙ্গিদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পহেলগামসহ সমস্ত পর্যটনকেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ফোর্স এবং পর্যটন সংলগ্ন গ্রামগুলোতে চালানো হচ্ছে নিবিড় তল্লাশি। প্রধান রাস্তাগুলোতে বসানো হয়েছে একাধিক সিকিউরিটি চেক পয়েন্ট, যাতে কোনোভাবেই নাশকতার ছক সফল না হয়।

[TECHTARANGA-POST:8259]

জঙ্গি দমনে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এখন আরও পেশাদার ও আধুনিক। তৈরি করা হয়েছে দুটি বিশেষ কাউন্টার টেররিজম ইউনিট— ‘স্নো লেপার্ড’ এবং ‘মারখোর’। উল্লেখ্য, ‘মারখোর’ পাকিস্তানের জাতীয় পশু হলেও এখন এই নামেই তৈরি ইউনিটটি উপত্যকার গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের নিকেশ করতে ২৪ ঘণ্টা অপারেশন চালাচ্ছে। অন্যদিকে, ‘স্নো লেপার্ড’ ইউনিটের কাজ হলো দুর্গম পাহাড়ের চূড়ায় জঙ্গিদের গোপন ডেরা খুঁজে বের করে যৌথ অভিযানে সহায়তা করা। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের দাবি, এই দুটি ইউনিট অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছে। পাশাপাশি পহেলগাম হামলার তদন্তে এনআইএ এখনও পর্যন্ত ১১১৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তারসহ প্রায় ২০০ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। উপত্যকার পাহারায় এই কড়া নজরদারি ও নতুন রণকৌশল সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *