কলকাতা: বাংলার মহিলাদের জন্য খুশির খবর। প্রতিশ্রুতি মতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে রাজ্যে চালু হতে চলেছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’। আগামী ১ জুন থেকেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলারা মাসিক ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেতে চলেছেন। তবে, এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নতুন নিয়ম ও শর্তাবলী স্পষ্ট করলেন নারী-শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের নতুন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
[TECHTARANGA-POST:9082]
বুধবার বিধানসভায় শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, যাঁরা এতদিন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ পাচ্ছিলেন, তাঁরা সকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর আওতায় চলে আসবেন। ভোটারতালিকা থেকে ৯১ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সেই বিষয়ে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, তাঁদের নাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং এখনই কাউকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। তবে, মৃত ব্যক্তি বা বিদেশি নাগরিকরা (বিশেষ করে বাংলাদেশের নাগরিক) কোনওভাবেই এই সরকারি সুবিধা পাবেন না।
[TECHTARANGA-POST:9081]
রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালে যাঁদের নথি যাচাই চলছে, তাঁদের নাম প্রকল্প থেকে কাটা যাবে না। একই সঙ্গে যাঁরা সিএএ-এর জন্য আবেদন করেছেন, তাঁরাও এই ৩,০০০ টাকা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
[TECHTARANGA-POST:9079]
আগে এই ধরনের প্রকল্পের জন্য ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের উপর নির্ভর করতে হত। কিন্তু, এবার সেই পদ্ধতিতে বদল আনছে নতুন সরকার। অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, খুব দ্রুত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য অনলাইন পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। এমনকী, কম শিক্ষিত মহিলারাও যাতে সহজে আবেদন করতে পারেন, তার জন্য প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সরল রাখা হবে।
[TECHTARANGA-POST:9074]
জুন মাস থেকেই বাংলার মা-বোনেদের অ্যাকাউন্টে বর্ধিত এই আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশাসন এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে।
Leave a comment