০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা দক্ষিণে বৃষ্টি হলেও কমবে না প্যাচপ্যাচে গরম, জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে উত্তরে অতি ভারী দুর্যোগের খাঁড়া!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

দক্ষিণে বৃষ্টি হলেও কমবে না প্যাচপ্যাচে গরম, জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে উত্তরে অতি ভারী দুর্যোগের খাঁড়া!

Share
দক্ষিণে বৃষ্টি হলেও কমবে না প্যাচপ্যাচে গরম, জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে উত্তরে অতি ভারী দুর্যোগের খাঁড়া!
AI GENERATED IMAGE
Share

কলকাতা: রোদ-ঝলমলে চড়া দাবদাহ আর বিকালের দিকে মেঘের গর্জন—দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে ঠিক এই আবহাওয়াই চলছে। কিন্তু বিকেলে এক পশলা বৃষ্টিতে ভিজলেও প্যাচপ্যাচে গরম আর হাঁসফাঁস করা অস্বস্তি থেকে এখনই রেহাই মিলবে না রাজ্যবাসীর, সাফ জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে দক্ষিণবঙ্গ যখন ঘামে-গরমে চাতক পাখির মতো স্বস্তির খোঁজ করছে, তখন একেবারে বিপরীত ছবি ধরা পড়তে চলেছে উত্তরবঙ্গে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ওপর একটি এবং পশ্চিম বিহারের ওপর আরেকটি—এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় আগামী কয়েকদিন ভাসতে চলেছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো।

[TECHTARANGA-POST:9323]

 আজ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরের পাহাড়ি ও ডুয়ার্স সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির ভ্রুকুটি রয়েছে। বিশেষ করে শুক্র, শনি ও রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে লাল বা কমলা সতর্কতার মতো অতি ভারী দুর্যোগ নামতে পারে। এছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং, মালদহ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির জেরে হুহু করে নামবে তাপমাত্রার পারদ।

[TECHTARANGA-POST:9321]

উত্তরের জন্য খুশির খবর থাকলেও, দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের কপালে কিন্তু এখনই চিন্তার ভাঁজ। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গে এই গরম ও চরম অস্বস্তিকর আবহাওয়া এখনই পিছু ছাড়ছে না। মাঝেসাঝে আকাশ কালো করে বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে স্থানীয়ভাবে সামান্য সময়ের জন্য ঝড়-বৃষ্টি হলেও, তা সাময়িক। মেঘ কাটতেই ভ্যাপসা গরম আরও জাঁকিয়ে বসবে। 

[TECHTARANGA-POST:9320]

এই অস্বস্তি ও গরমের দাপট সবচেয়ে বেশি চড়বে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। অন্যদিকে, কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে বাতাসে মাত্রাতিরিক্ত জলীয় বাষ্প থাকার কারণে ঘামে ভেজা আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরম আকার ধারণ করবে। ফলে এখনই চাতক পাখির মতো বর্ষার চেনা ঠাণ্ডা আমেজ পাওয়ার আশা দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য কার্যত বিশ বাঁও জলে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *