০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা: লাহোর থেকেই আসছিল প্রতি মুহূর্তের নির্দেশ, এনআইএ চার্জশিটে ফাঁস পাক চক্রীর ব্লু-প্রিন্ট!
অপরাধবিশ্বভারতবর্ষ

পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা: লাহোর থেকেই আসছিল প্রতি মুহূর্তের নির্দেশ, এনআইএ চার্জশিটে ফাঁস পাক চক্রীর ব্লু-প্রিন্ট!

Share
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা: লাহোর থেকেই আসছিল প্রতি মুহূর্তের নির্দেশ, এনআইএ চার্জশিটে ফাঁস পাক চক্রীর ব্লু-প্রিন্ট!
FILE IMAGE
Share

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় গত বছরের এপ্রিল মাসে ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলার নেপথ্যে উঠে এল সরাসরি পাকিস্তানের যোগ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-র পেশ করা সাম্প্রতিক চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর দাবি করে জানানো হয়েছে, শুধু পাকিস্তানে বসে এই হামলার নীলনকশা তৈরি করাই হয়নি, বরং হামলার দিনও ওপার থেকেই মিলছিল ‘রিয়েল টাইম’ বা তাৎক্ষণিক নির্দেশিকা।

[TECHTARANGA-POST:9323]

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল বৈসরণ উপত্যকায় অতর্কিতে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এনআইএ চার্জশিটে এই ঘটনার মূলচক্রী হিসেবে নাম উঠে এসেছে পাকিস্তানি জঙ্গি সইফুল্লা ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ‘ল্যাংড়া’-র। ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকার শীর্ষে থাকা এই সইফুল্লা নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবা এবং তার ছায়া সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)-এর অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, বর্তমানে পাকিস্তানের লাহোরে আত্মগোপন করে থাকা এই সইফুল্লাই সরাসরি পহেলগাঁওয়ের হামলার গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করছিল।

[TECHTARANGA-POST:9311]

তদন্তে জানা গেছে, মূল হামলার আগে গত বছরের ১৫ ও ১৬ এপ্রিল বৈসরণ উপত্যকা রেইকি করতে সইফুল্লা তিনজন জঙ্গি — ফয়জল জাট ওরফে সুলেমান, হাবিব তাহির ওরফে ছোট এবং হামজা আফগানিকে পাঠিয়েছিল। পরবর্তীতে হামলার দিন এই জঙ্গিদের গোপন ডেরা নির্বাচন, আক্রমণ পরিকল্পনা এবং পালানোর পথ নির্ধারণের জন্য লাহোর থেকে সরাসরি যোগাযোগ রাখছিল সে।

[TECHTARANGA-POST:9301]

ঘটনার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন মহাদেব’-এ ওই তিন জঙ্গি নিহত হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তদন্ত আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায় এনআইএ। উদ্ধার হওয়া ফোনগুলির মধ্যে অন্তত দুটি পাকিস্তান থেকে কেনা হয়েছিল। যার মধ্যে একটি করাচি থেকে এবং অন্যটি অনলাইনে কিনে লাহোরের ‘কায়েদ-ই-আজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট’-এর একটি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল।

[TECHTARANGA-POST:9272]

এদিকে, হামলার পর ‘কাশ্মীর ফাইট’ নামক একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছিল টিআরএফ। যদিও পরে তারা হ্যাকিংয়ের অজুহাত দিয়ে অবস্থান বদল করার চেষ্টা করে। কিন্তু, এনআইএ-র সাইবার বিশেষজ্ঞদের তদন্তে ধরা পড়েছে, ওই টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাট্টাগ্রাম এলাকা থেকে তৈরি হয়েছিল। পাশাপাশি, রাওয়ালপিন্ডি থেকে পরিচালিত আরও একটি সন্দেহভাজন টেলিগ্রাম চ্যানেলের হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। যা এই সুপরিকল্পিত সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদের তত্ত্ব আরও জোরালো প্রমাণ করে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *