25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home পশ্চিমবঙ্গ বাঙালির শ্রেষ্ঠ শৈবতীর্থে এবার বেনারসের ছোঁয়া! তারকেশ্বরে আসছেন স্বয়ং মোদী, পশ্চিমবঙ্গ দিবসেই কি মেগা চমক?
পশ্চিমবঙ্গ

বাঙালির শ্রেষ্ঠ শৈবতীর্থে এবার বেনারসের ছোঁয়া! তারকেশ্বরে আসছেন স্বয়ং মোদী, পশ্চিমবঙ্গ দিবসেই কি মেগা চমক?

Share
বাঙালির শ্রেষ্ঠ শৈবতীর্থে এবার বেনারসের ছোঁয়া! তারকেশ্বরে আসছেন স্বয়ং মোদী, পশ্চিমবঙ্গ দিবসেই কি মেগা চমক?
ছবি সংগৃহীত
Share

হুগলি: বেনারসের ঐতিহ্যবাহী কাশী বিশ্বনাথ ধামের আদলে এবার ভোলবদল হতে চলেছে বাংলার অন্যতম সেরা শৈবতীর্থ হুগলির তারকেশ্বর মন্দিরের। দীর্ঘদিনের সংকীর্ণতা কাটিয়ে এক্কেবারে নবরূপে সেজে উঠবে বাবা তারকনাথের মন্দির চত্বর। আর এই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস করতে আগামী ২০ জুন, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তারকেশ্বরে আসতে পারেন বলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত যৌথ উদ্যোগে এই আন্তর্জাতিক মানের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই সফরকালেই তারকেশ্বরকে দেশের অন্যতম সেরা তীর্থক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার অফিশিয়াল ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন।

[TECHTARANGA-POST:9792]

তারকেশ্বরের এই ভোলবদলের জল্পনা কিন্তু হুট করে তৈরি হয়নি। এর আগে ধনেখালিতে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, উত্তরপ্রদেশের বেনারসের আদলেই তারকেশ্বর ধামকে সাজানো হবে। দিনকয়েক আগে তারকেশ্বরে এক উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এই চত্বরের আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবার সেই মেগা প্রজেক্টে সিলমোহর দিয়ে মন্দিরের মোহন্ত মহারাজ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, মন্দিরের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক পদক্ষেপকে তাঁরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। অন্যদিকে, মন্দিরের পুরোহিত মণ্ডলীর অন্যতম কর্তা প্রদ্যুৎ চট্টোপাধ্যায় ও বলরাম চক্রবর্তী আশাপ্রকাশ করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাত ধরে এবার তারকেশ্বর এক বিশ্বমানের রূপ পেতে চলেছে।

[TECHTARANGA-POST:9789]

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সারা বছরই অগণিত ভক্ত তারকেশ্বরে আসেন, বিশেষ করে শ্রাবণী ও চৈত্র মেলায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামে। কিন্তু বর্তমানে ভক্তরা যে সরু পথ দিয়ে বাবার মাথায় জল ঢালতে যান, তা অত্যন্ত সংকীর্ণ এবং দুধারের দোকানের জেরে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। নতুন এই মাস্টারপ্ল্যানে মন্দিরে ঢোকা ও বেরোনোর রাস্তাটিকে বিপুলভাবে সম্প্রসারিত করা হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের দাবি, কাশী বিশ্বনাথের মতো চত্বরটি খোলনলচে বদলে গেলে একদিকে যেমন দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের সুবিধা হবে, তেমনই গোটা এলাকার আর্থিক মানোন্নয়নে এক বিরাট জোয়ার আসবে। এখন ২০ জুনের মেগা ডেটের দিকেই তাকিয়ে আপামর শৈবভক্তরা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *