25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Uncategorized খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ এআই! ঋণ ও পরকীয়ার জেরে মা-বাবা-বোনকে নৃশংস বলি দিল ইঞ্জিনিয়ার ও লিভ-ইন সঙ্গী
Uncategorized

খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ এআই! ঋণ ও পরকীয়ার জেরে মা-বাবা-বোনকে নৃশংস বলি দিল ইঞ্জিনিয়ার ও লিভ-ইন সঙ্গী

Share
খুনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ এআই! ঋণ ও পরকীয়ার জেরে মা-বাবা-বোনকে নৃশংস বলি দিল ইঞ্জিনিয়ার ও লিভ-ইন সঙ্গী
ছবি সংগৃহীত
Share

বেঙ্গালুরু: বিজ্ঞানের অভিশাপ নাকি অপরাধের নতুন ব্লু-প্রিন্ট? বেঙ্গালুরুর একই পরিবারের তিন-তিনটি খুনের ঘটনায় এবার উঠে এল এক হাড়হিম করা তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, কীভাবে নিখুঁতভাবে খুন করা যায় এবং শরীরের ঠিক কোন অংশে আঘাত করলে মানুষের দ্রুত মৃত্যু হতে পারে, তা জানতে নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ (AI)-এর সাহায্য নিয়েছিল পেশায় ইঞ্জিনিয়ার জে কেনেথ এবং তার লিভ-ইন সঙ্গী শ্বেতা! বিজ্ঞানের চরম অপব্যবহার করে নিজের মা, বাবা আর বোনকেই নৃশংসভাবে সরিয়ে দিল খোদ নিজের মেয়ে, ভাবতেও যেন শিউরে উঠছে শহরবাসী।

[TECHTARANGA-POST:10414]

ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে এক পাহাড়প্রমাণ ঋণ এবং চরম পরকীয়ার টানাপোড়েন। পুলিশ সূত্রে খবর, তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হওয়া কেনেথের বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং মহার্ঘ শখ মেটানোর জন্য শ্বেতা নিজের নামে ৫৬ লক্ষ টাকার ঋণ নিয়েছিলেন। শ্বেতার পরিবার এই বিপুল ঋণের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র জানতেন না। কিন্তু ব্যাঙ্কের নথিতে শ্বেতার বাপের বাড়ির ঠিকানা থাকায়, ঋণের কিস্তি বাকি পড়তেই নোটিস পৌঁছায় তাঁর বাবার কাছে। এত টাকা কেন নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে শ্বেতা ও কেনেথকে চেপে ধরেন শ্বেতার বাবা সোমসুন্দর। তখনই নিজের রাস্তা পরিষ্কার করতে শ্বেতার পরিবারকে চিরতরে ‘সরিয়ে দেওয়ার’ ছক কষতে শুরু করে খুনি ইঞ্জিনিয়ার কেনেথ।

[TECHTARANGA-POST:10511]

এরই মধ্যে সম্পর্কে জড়ায় আরও এক জটিলতা। কেনেথের জীবন জড়িয়ে পড়েছিল তাঁর অফিসেরই এক সহকর্মী নারীর সঙ্গে। শ্বেতা সে কথা জানতে পারলেও, চতুর কেনেথ কোনো রকমে তাঁকে বুঝিয়ে বিশ্বাস করান যে তাঁরা শুধুই সহকর্মী। কেনেথের সেই মিথ্যে প্রেমের মায়াজালে অন্ধ হয়ে নিজের জন্মদাত্রী মা-বাবাকেই খুনের পরিকল্পনায় সায় দিয়ে বসেন শ্বেতা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২২ জুন শ্বেতার বাবা সোমসুন্দর, মা মুত্তুলক্ষ্মী এবং বোন সুপ্রিয়াকে নিজেদের ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠায় কেনেথ।

কালীগঞ্জে মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে বিক্ষোভ

ফ্ল্যাটে ঢুকতেই শুরু হয় নারকীয় তাণ্ডব। প্রথমে শ্বেতার মা মুত্তুলক্ষ্মীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কেনেথ। ঘরের এক কোণে দাঁড়িয়ে নিজের মায়ের সেই নৃশংস মৃত্যু ঠাণ্ডা মাথায় প্রত্যক্ষ করেন জন্মদাত্রী কন্যা শ্বেতা! ঠিক সেই সময়ই ঘরে ঢুকে পড়েন শ্বেতার বাবা ও বোন। কোনো কিছু বোঝার আগেই এআই-এর শেখানো মরণ-কৌশল প্রয়োগ করে তাঁদের ওপরও চলে ধারালো অস্ত্রের কোপ। এমনকী নিজের বোন যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য তাঁর হাত-পা শক্ত করে চেপে ধরেন দিদি শ্বেতা, আর কেনেথ একের পর এক কোপ বসাতে থাকে তাঁর শরীরে। রক্তাক্ত অবস্থায় শ্বেতার বাবা কোনো রকমে পালিয়ে প্রতিবেশীদের সবটা জানিয়ে দিলেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁরও। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে করা এই ঠাণ্ডা মাথার ট্রিপল মার্ডারের তদন্তে নেমে এখন চক্ষু চড়কগাছ দুঁদে পুলিশ আধিকারিকদেরও।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *