25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা রাজ্যে ২০০ এফআইআর, গ্রেফতার ৪০০ পার! এবার ‘বুলডোজার’ নিয়ে কড়া বার্তা ভবানী ভবনেরও, পুলিশের নজরে কারা?
কলকাতা

রাজ্যে ২০০ এফআইআর, গ্রেফতার ৪০০ পার! এবার ‘বুলডোজার’ নিয়ে কড়া বার্তা ভবানী ভবনেরও, পুলিশের নজরে কারা?

Share
রাজ্যে ২০০ এফআইআর, গ্রেফতার ৪০০ পার! এবার ‘বুলডোজার’ নিয়ে কড়া বার্তা ভবানী ভবনেরও, পুলিশের নজরে কারা?
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: লালবাজারের পর এবার রণমূর্তিতে রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের আবহে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা ভোট-পরবর্তী অশান্তি দমনে এবার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিলেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তা। বুধবার বিকেলে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “বুলডোজার নিয়ে কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে বিন্দুমাত্র রেয়াত করা হবে না।” পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যারা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে, তাদের চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্য়েই শুরু করে দিয়েছে পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:8795]

ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনের গোলমালের ঘটনায় রাজ্যে মোট ২০০টি এফআইআর রুজু হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত ৪৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও অশান্তি ছড়ানোর আশঙ্কায় প্রায় ১,১০০ জনকে সতর্কতামূলকভাবে আটক করা হয়েছে। যদিও ডিজির দাবি, বুধবার সকাল থেকে রাজ্যের কোথাও বড় কোনও গোলমালের খবর মেলেনি।

[TECHTARANGA-POST:8785]

বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রত্যাহারের বিষয়টিও এদিন পরিষ্কার করে দেন পুলিশ প্রধান। তিনি জানান, প্রোটোকল অনুযায়ী একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং সাংসদ হিসাবে তাঁদের যা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তা বহাল রয়েছে। শুধুমাত্র যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও প্রহরা ছিল, তা সরিয়ে বর্তমানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:8794]

রাজ্যবাসীকে শান্ত থাকার আর্জি জানিয়ে ডিজি বলেন, “কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সরাসরি থানায় জানান। কোনও অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।” তিনি আরও আশ্বস্ত করেছেন, যদি কেউ ভয়ে থানায় গিয়ে এফআইআর করতে না পারেন, তাহলে পুলিশ নিজেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা রুজু করে ব্যবস্থা নেবে।

[TECHTARANGA-POST:8771]

ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। জেলা ও রাজ্যস্তরে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য যৌথ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বাহিনীর জওয়ানেরা রাজ্য পুলিশকে পর্যাপ্ত সাহায্য করছে বলে এদিন জানান সিদ্ধনাথ গুপ্ত। নবান্নে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগে রাজ্যের শান্তি বজায় রাখাই এখন পুলিশের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *