বেজিং: বিশ্ব কূটনীতির দুই মহাশক্তি সদ্য মুখোমুখি হল। বেজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বৈঠক শেষ হল। দুই রাষ্ট্রপ্রধানই বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ বলে দাবি করলেও, পর্দার আড়ালের খবর বলছে অন্য কথা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বরফ গললেও, তাইওয়ান এবং ইরান ইস্যুতে চরম মতপার্থক্য নিয়েই নাকি বেজিং ছাড়লেন ট্রাম্প![TECHTARANGA-POST:9165]বৈঠক শেষে যৌথ উপস্থিতিতে জিনপিং একে ‘অসাধারণ মুহূর্ত’ বলে বর্ণনা করেন এবং আশাপ্রকাশ করেন যে আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। অন্যদিকে, ট্রাম্পের দাবি, “অনেক সমস্যারই সমাধান হয়েছে, যা অনেকেই করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।” তবে রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সৌজন্যের আড়ালে ইরান এবং তাইওয়ান নিয়ে কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি।[TECHTARANGA-POST:9164]মার্কিন বিদেশ দফতর সূত্রের খবর, ট্রাম্প চেয়েছিলেন হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে জিনপিং একটি শক্তিশালী ভূমিকা নিন। ট্রাম্পের দাবি ছিল, ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হোক। জিনপিং এই বিষয়ের গুরুত্ব স্বীকার করলেও, কোনও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেননি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে চিনের অবস্থান ধোঁয়াশাতেই রয়ে গেল।[TECHTARANGA-POST:9162]বৈঠকের অন্যতম প্রধান কাঁটা ছিল তাইওয়ান ইস্যু। তাইওয়ানে চিনা ‘আগ্রাসন’ বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্প চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও জিনপিং নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। বৈঠকের আগেই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তাইওয়ান হল দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে সংবেদনশীল দিক। এখানে কোনও ভুল পদক্ষেপ ‘বিপজ্জনক’ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। শেষ পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হতে না পেরেই ট্রাম্পকে নিজের বাড়ির পথে রওনা দিতে হয়![TECHTARANGA-POST:9159]বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে কিছু সমঝোতা হলেও ভূ-রাজনৈতিক এই দুই প্রধান ইস্যুতে ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের মতপার্থক্য আগামী দিনে বিশ্বমঞ্চে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার