মমতাহীন বিধানসভায় এবার ‘ক্যাপ্টেন’ শোভনদেব! ববি-নয়নাদের কাঁধেও বড় দায়িত্ব, কী ছক কষছে ঘাসফুল শিবির?
কলকাতা: দেড় দশকের রাজপাটের অবসান ঘটেছে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর মহাকরণ থেকে নবান্ন—ক্ষমতার অলিন্দ থেকে এবার সরাসরি বিরোধী আসনে ঘাসফুল শিবির। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের পর বিধানসভায় দলের হাল কে ধরবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনার পারদ চড়ছিল গত কয়েকদিন ধরেই। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শনিবার রাতে বড় চমক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হলো দলের সবথেকে বিশ্বস্ত এবং বর্ষীয়ান সৈনিক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে।[TECHTARANGA-POST:8949]তৃণমূল গঠনের পর ১৯৯৮ সালে দলের প্রথম বিধায়ক হওয়া থেকে শুরু করে মমতার জন্য ভবানীপুর আসন ছেড়ে দেওয়া—শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আনুগত্য নিয়ে কখনও প্রশ্ন ওঠেনি। এবার বালিগঞ্জ থেকে জয়ী হওয়া এই প্রবীণ নেতার ওপরই বিধানসভায় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত করলেন তৃণমূল নেত্রী। তবে শুধু শোভনদেব নন, বিধানসভার অন্দরে নতুন বিজেপি সরকারকে চাপে রাখতে একঝাঁক অভিজ্ঞ মুখকে সামনে এনেছে তৃণমূল। দলের ভরাডুবির মধ্যেও কলকাতা বন্দর থেকে দাপুটে জয় পাওয়া ফিরহাদ ওরফে ববি হাকিমকে করা হয়েছে পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ।[TECHTARANGA-POST:8938]অন্যদিকে, বিরোধী বেঞ্চে মহিলা শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে দুই অভিজ্ঞ নেত্রীকে ডেপুটি বিরোধী দলনেতার পদে বসিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হুগলির ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র এখন থেকে বিধানসভায় ডেপুটি বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করবেন। উল্লেখ্য, ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূল ৮০টি আসনে জয়লাভ করলেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতার পরাজয় দলের কাছে ছিল বড় ধাক্কা। সেই ক্ষত সামলে নিয়ে আগামী পাঁচ বছর বিধানসভার লড়াইয়ে শোভনদেব-ফিরহাদ-নয়না-অসীমা জুটি কতটা কড়া টক্কর দিতে পারেন শাসক শিবিরকে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় বাংলার রাজনৈতিক মহল।[TECHTARANGA-POST:8942]হিডেন স্টোরিজ নিউজ