তারাতলায় ভয়াবহ গোডাউন ধসের ঘটনায় তৎপর রাজ্য প্রশাসন। ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যেই প্রায় ১০ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে নবান্নের তরফে দ্রুত কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে এবং সমন্বয়ের কাজ শুরু হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10227]দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও অগ্নিমিত্রা পাল। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ইন্দ্রনীল খাঁ জানান, দমকল, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজে নেমেছে। তাঁর কথায়, “সেনা নামানো হয়েছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার প্রাণ বাঁচানো। দ্রুত গতিতে উদ্ধার কাজ চলছে।” এদিকে নির্মাণের গুণমান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে গোডাউনটি তৈরি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।মিড ডে মিলে ডিম বাদ? ইসকনের মেনু ঘিরে তোলপাড় রাজ্য! পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে নবান্নে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। সেখানে চালু করা হয়েছে একাধিক জরুরি নম্বর—1070, 8697981070, 033 22143526 এবং 033 22535185। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে উদ্ধার ও আহতদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া বা সহায়তা চাওয়া যাবে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার, ব্রিজ সংলগ্ন ট্রান্সপোর্ট ডিপোর পাশে নির্মীয়মাণ একটি গোডাউনের তিনতলার ঢালাই চলাকালীন। আচমকাই ছাদ ভেঙে পড়ায় ভিতরে বহু শ্রমিক আটকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে উদ্ধার করা হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা।[TECHTARANGA-POST:10230]ঘটনার খবর পেয়েই দমকল, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ভারী যন্ত্রপাতি, গ্যাস কাটার ও ক্রেন ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। উদ্ধারকাজে আরও গতি আনতে সেনাবাহিনীও নামানো হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে অ্যাম্বুল্যান্সে। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার