ভোটের রাতে রুদ্রনীলকে ফোন বুম্বাদার? টলিপাড়ায় তুমুল জল্পনা থামিয়ে মুখ খুললেন প্রসেনজিৎ!
কলকাতা: বিধানসভা ভোট মিটতেই আবারও লাইমলাইটে টলিপাড়া। শিবপুরে পদ্ম ফুটিয়ে রুদ্রনীল ঘোষ জয়ী হতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কান পাতলেই শোনা যাচ্ছিল, জয়ের রাতেই নাকি হবু বিধায়ক রুদ্রনীলকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খোদ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বঙ্গে ক্ষমতা বদলের আবহে টলিউডের ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’-এর এই পদক্ষেপ কি তবে বিশেষ কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত? এ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই এবার নীরবতা ভাঙলেন প্রসেনজিৎ নিজেই।[TECHTARANGA-POST:8801]নির্বাচনে জয়ের পর রুদ্রনীল ঘোষ অভিযোগ করেছিলেন, টলিপাড়ায় এতদিন ‘লাগামহীন দুর্নীতি’ চলেছে এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মিছিলে না হাঁটলে কাজ পাওয়া দুষ্কর ছিল। তিনি দাবি করেন, সোমবার রাতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এই খবর চাউর হতেই প্রসেনজিতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে নেটপাড়া।[TECHTARANGA-POST:8798]এরপর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর অভিনয়ের দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি রাজনীতিকে দূরেই রেখেছেন। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সাথে অভিনয় করে আসছি এবং আগামী দিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ - দয়া করে আমার গায়ে কোনও রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।”[TECHTARANGA-POST:8764]রুদ্রনীলকে ফোন করা প্রসঙ্গে বিভ্রান্তি দূর করে অভিনেতা জানান, তিনি নিজে কাউকে ফোন করেননি। বরং, রুদ্রনীলই তাঁকে ফোন করেছিলেন! প্রসেনজিতের কথায়, “আমি কাউকে ফোন করিনি। বরং, আমার ছোট ভাই (রুদ্রনীল) ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসাবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য। আর, আমি কেবল সেটুকুই পালন করেছি। এর সাথে রাজনীতির কোনও যোগসূত্র নেই।”[TECHTARANGA-POST:8774]ফেব্রুয়ারি মাসে পদ্মশ্রী প্রাপ্তির পর সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে আসা কিংবা পুত্র মিশুকের ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান - বারবার প্রসেনজিতের গায়ে গেরুয়া রং লাগানোর চেষ্টা করা হলেও, অভিনেতা বারবারই নিজের অরাজনৈতিক ভাবমূর্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। রুদ্রনীলের জয়ের দিনেও সেই ‘দাদা-ভাই’ সম্পর্কের উর্ধ্বে অন্য কোনও সমীকরণ নেই বলেই স্পষ্ট করলেন তিনি।