বারুইপুর: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে পুলিশের এনকাউন্টারে খতম হওয়া মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের পাপের ঘড়া যে কতখানি পূর্ণ হয়েছিল, তা এবার প্রমাণিত হলো তার নিজের ঘরের অন্দরমহল থেকেই। বুধবার সকালে কুলাঙ্গার ছেলের মৃতদেহ নিতে সাফ অস্বীকার করেছিলেন মা সন্ধ্যা মণ্ডল। আর এবার মৃত স্বামীর প্রতি একরাশ ঘৃণা ও ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রভাসের স্ত্রী। যোগীরাজ্যের ধাঁচে বাংলার বুকে ঘটে যাওয়া এই এনকাউন্টারকে আমজনতার পাশাপাশি পরোক্ষে সমর্থনই জানিয়েছেন তিনি। স্বামীর চারিত্রিক অধঃপতনের খতিয়ান টেনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ও বরাবরই নোংরা ছিল, দোষ করেছে তাই গুলি খেয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10721]বুধবার প্রভাসের মৃত্যুর খবর চিলতে ঘরে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ার বদলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তার স্ত্রী। স্বামীর এই নৃশংস অপরাধের পাশে দাঁড়ানো তো দূর অস্ত, তিনি সাফ বলেন, ও বরাবরই নোংরা প্রকৃতির মানুষ। তাই এই পৈশাচিক কাজ ও করেনি—এমন দাবি আমি কোনোভাবেই করতে পারব না। ও এই কাজ করতেই পারে, ও সব পারে। নিজের যন্ত্রণার কথা মনে করে তিনি আরও জানান, বিয়ের পর থেকে তাঁর ওপর কম অন্যায় ও অত্যাচার করেনি প্রভাস। সমাজ ও সংসারের দিকে চেয়ে সেইসব মুখ বুজে সহ্য করেছিলেন তিনি। তবে থানার তরফে শেষ পর্যন্ত মৃতদেহ নেওয়ার জন্য ডাকা হলে, পরিবারের বাকিদের সঙ্গে নিয়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি থানার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।[TECHTARANGA-POST:10726]মঙ্গলবার গভীর রাতে বারুইপুরের সূর্যপুরে তদন্তের স্বার্থে ক্রাইম সিন পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল প্রভাসকে। কিন্তু সেখানে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করতেই পাল্টা গুলিতে খতম হয় সে। পুলিশের এই কড়া অ্যাকশনে শুধু নিহতের পরিবার বা প্রভাসের ঘরওয়ালারা নন, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন গোটা বারুইপুরের বাসিন্দারাও। প্রতিবেশীদের মুখেও এখন একই কথা—যে ভয়ংকর ও অমানবিক অন্যায় প্রভাস করেছে, তার এই শাস্তিই প্রাপ্য ছিল। যা হয়েছে একদম ভালো হয়েছে। অপরাধীর এমন ভয়ানক পরিণতি আগামীর বুকে এক বড়সড় নজির হয়ে থাকবে বলেই মনে করছে স্থানীয় মহল।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার