অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নজিরবিহীন জনজোয়ারের মাঝে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিলোত্তমার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড আজ কেবল রাজনীতির ময়দান নয়, বরং হয়ে উঠেছিল এক টুকরো সাবেকি বাংলা। গেরুয়া পাঞ্জাবিতে মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র যখন রাজ্যপাল আর এন রবির কাছে শপথবাক্য পাঠ করছিলেন, তখন জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে প্রকম্পিত গোটা ময়দান।[TECHTARANGA-POST:8872] নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সেই অগ্নিকন্যাদের উত্তরসূরি আজ মহাকরণ দখলের মাধ্যমে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা করলেন। সাথে শপথ নিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, নিশীথ প্রামাণিকদের মতো প্রথম সারির একঝাঁক নেতা। মঞ্চে রবীন্দ্রনাথের ছবির পাশে দক্ষিণেশ্বর ও দেবী দুর্গার কোলাজ আর ধামসা-মাদলের তালে আজ সত্যিই যেন মেদিনীপুর আর কলকাতা মিলেমিশে একাকার।[TECHTARANGA-POST:8892]তবে এদিনের অনুষ্ঠানে সবচেয়ে আবেগময় মুহূর্তটি তৈরি হয় যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঞ্চে উপস্থিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গী, শতায়ু মাখনলাল সরকারের পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। বাংলার প্রতিটি কোণের আবেগ আজ এক সুতোয় বাঁধা। যে শুভেন্দু একদিন অভিযোগ করেছিলেন জেলা থেকে মন্ত্রী না হওয়ার বঞ্চনা নিয়ে, আজ তিনিই প্রমাণ করলেন জেলার বিধায়করাও রাজ্য পরিচালনা করতে পারেন।[TECHTARANGA-POST:8875] তাম্রলিপ্ত সরকারের সেই হার না মানা জেদ নিয়ে এবার কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং থেকে নয়া ইনিংস শুরু করছেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০৭টি আসনের বিপুল জয় নিয়ে তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে এই গেরুয়া সরকার বাংলার ভাগ্য কতটা বদলাতে পারে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে গোটা দেশ!
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার