চন্দ্রনাথ খুনে ঘনীভূত রহস্য! বিকল সিসিটিভি-র ভিড়ে ঘাতক সেই ‘লাল গাড়ি’ই কি তুরুপের তাস?
কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে ৭২ ঘণ্টা। অথচ আততায়ীদের টিকিও ছুঁতে পারল না পুলিশ। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা যে সংকটের মুখে পড়েছেন, তা শুনে কার্যত স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ। যে রাস্তা দিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দিয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে, সেই দোহারিয়া-মাঠপাড়া রুটের একের পর এক সিসিটিভি ক্যামেরা দীর্ঘদিন ধরে বিকল! কোথাও আবার ক্যামেরার মুখ ঘুরে রয়েছে উল্টো দিকে। প্রযুক্তির এই ‘অন্ধকার’ গলিকে কাজে লাগিয়েই কি খুনিরা উধাও হয়ে গেল? তদন্তকারীদের সামনে এখন এটাই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।[TECHTARANGA-POST:8949]বুধবার রাতের সেই হাড়হিম করা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের অনুমান, খুনের পর পেয়ারাবাগান এলাকার গলিপথ ব্যবহার করে বাইকে চেপে চম্পট দেয় আততায়ীরা। কিন্তু রাস্তার ধারের দোকানের ক্যামেরাগুলি রাত হওয়ায় বন্ধ ছিল, আর সরকারি ক্যামেরাগুলো পড়ে রয়েছে অকেজো হয়ে। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বাইকের নম্বর প্লেট বা মুখ লুকিয়েই যে খুনিরা ছক কষেছিল, তা এখন স্পষ্ট। তবে এই ঘন কুয়াশার মধ্যেই আশার আলো দেখাচ্ছে একটি ‘রহস্যময়’ লাল রঙের গাড়ি।[TECHTARANGA-POST:8938]সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিরাটি মোড় থেকে যশোর রোড হয়ে চন্দ্রনাথ রথের স্করপিও গাড়ির ঠিক পিছনেই ছায়ার মতো লেগেছিল একটি লাল গাড়ি। দোহারিয়া এলাকায় ঢোকার সময়ও সেটির উপস্থিতি নজরে এসেছে। গোয়েন্দাদের প্রবল সন্দেহ, এই লাল গাড়িটিই হয়তো শুরু থেকে চন্দ্রনাথের গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল এবং খুনিদের ‘সিগন্যাল’ দিচ্ছিল। এই রহস্যময় গাড়ির হদিস পেতেই এখন শহরজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। পরিকল্পিত এই খুনের নেপথ্যে বড় কোনো ষড়যন্ত্র কাজ করছে কি না, তা নিয়ে এখন তোলপাড় প্রশাসনিক মহল। সময় যত গড়াচ্ছে, চন্দ্রনাথ খুনের রহস্য কি ততই জট পাকাচ্ছে? উত্তর খুঁজছে পুলিশ।[TECHTARANGA-POST:8944]হিডেন স্টোরিজ নিউজ