বারুইপুরের পর এবার বর্ধমান! আদিবাসী বধূকে ‘ধর্ষণ ও খুন’, সকালে মিলল ক্ষতবিক্ষত দেহ
বর্ধমান: বারুইপুরের নাবালিকা কাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যেই এবার পূর্ব বর্ধমানে এক আদিবাসী বধূকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুন করার অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার সকালে খেতের জমি থেকে ওই গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার অন্তর্গত পালিতপুর এলাকায়। পরিবারের দাবি, ওই বধূকে পাশবিকভাবে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে খুন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক এলাকারই এক যুবক, যার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।[TECHTARANGA-POST:10705]পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে ওই আদিবাসী বধূ, তাঁর স্বামী এবং শেখ আইজুল নামে এলাকারই এক যুবক বাড়ির পাশের মাঠে বসে একসঙ্গে মদ্যপান করছিলেন। বিকেল চারটে নাগাদ ওই বধূ বাড়ি ফিরে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। সন্ধের দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন তাঁর স্বামী তখনও বাড়ি ফেরেননি। বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পরিবারের পাশে থাকার বার্তাএর পরেই স্বামীকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হন তিনি, কিন্তু আর ফিরে আসেননি। এদিকে কিছুক্ষণ পর স্বামী বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত বারোটা পর্যন্ত চারদিকে চষে ফেলেও বধূর কোনও হদিস মেলেনি। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির কাছের একটি জমিতে ওই গৃহবধূর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁর সারা শরীরে একাধিক গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে বলে দাবি পরিবারের।[TECHTARANGA-POST:10685]এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মদের আসরে থাকা শেখ আইজুল জড়িত বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন মৃতার ভাই। তিনি জানান, ঘটনার পর অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল থেকেই এলাকা থেকে আচমকা ‘উধাও’ হয়ে গিয়েছে আইজুল। তার এই রহস্যজনক অন্তর্ধান সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ইতিমধ্যেই দেওয়ানদিঘী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত শেখ আইজুলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পরিবার। দোষীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফুঁসছেন পালিতপুরের বাসিন্দারা।হিডেন স্টোরিজ নিউজ