প্রশাসনকে কব্জা করে ভোটের ছক! বাংলায় আধিকারিক বদলি নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে একজোট ‘ইন্ডিয়া’ শিবির
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে চড়ছে রাজনীতির পারদ। রাজ্যে একের পর এক উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলি নিয়ে এবার সরাসরি সংঘাতের পথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় হস্তক্ষেপ করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। আর এই ইস্যুতে এবার মমতার পাশে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে একযোগে তোপ দাগল ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিক দলগুলি।[TECHTARANGA-POST:7497]শনিবার মমতার সুরেই সুর মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। তিনি স্পষ্ট জানান, পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে বড় সংখ্যায় আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উত্তরপ্রদেশের উদাহরণ টেনে অখিলেশ দাবি করেন, সেখানে বিজেপি ক্ষমতায় আসার সময় কোনও বড় রদবদল হয়নি, বরং প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোট বৈতরণী পার হওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাঁর সাফ কথা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে যা বলেছেন, তা আসলে কমই বলেছেন। বাংলার মানুষ তাঁর পাশে আছে; তিনি একা লড়লেও জিতবেন।”[TECHTARANGA-POST:7495]রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে এই গণবদলি প্রশাসনিক স্তরে এক অস্থিরতা তৈরি করছে। তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, প্রশাসনকে ‘পাশ কাটিয়ে’ এবং রাজ্য সরকারকে অন্ধকারে রেখেই এই সমস্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, এই পদক্ষেপ আসলে বিজেপিকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার এক কৌশল। পাল্টা বিজেপি অবশ্য বিষয়টিকে ‘অবাধ ও শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচনের স্বার্থে কমিশনের রুটিন প্রক্রিয়া বলে দাবি করেছে।[TECHTARANGA-POST:7488]ভোটের মুখে কমিশনের এই ‘অতি সক্রিয়তা’ এবং বিরোধীদের এই জোটবদ্ধ আক্রমণ বাংলার নির্বাচনী লড়াইকে যে আরও উত্তপ্ত করে তুলল, তা বলাই বাহুল্য।