হুগলিতে মেজাজ হারালেন স্মৃতি ইরানি! আপ্যায়নে ‘ত্রুটি’ না কি বিজেপির গৃহযুদ্ধ? সভা ফেলেই চম্পট নেত্রীর!
চুঁচুড়া: পয়লা বৈশাখের আবহে যখন রাজ্যজুড়ে ভোট-প্রচারের পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই হুগলির চুঁচুড়ায় চরম অস্বস্তিতে পড়ল বিজেপি। জেলা নেতৃত্বের আপ্যায়নে ‘ত্রুটি’ এবং চরম উদাসীনতার অভিযোগে মেজাজ হারিয়ে মাঝপথেই কর্মসূচি ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন কেন্দ্রীয় নেত্রী স্মৃতি ইরানি! ভোটের মুখে খোদ হেভিওয়েট নেত্রীর এভাবে সভাত্যাগ হুগলি বিজেপির অন্তর্কলহকেই কার্যত জনসমক্ষে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:8021]বুধবার চুঁচুড়ার ঘড়ি মোড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে ‘নববর্ষের শঙ্খনাদ’ শোভাযাত্রা এবং একটি সভা আয়োজন করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই সেখানে পৌঁছে যান স্মৃতি ইরানি। সেখান থেকেই তাঁর ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর সূচনা করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সভাস্থলে পৌঁছে স্মৃতি দেখেন তাঁকে স্বাগত জানাতে জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় অনুপস্থিত। এমনকী, জেলা বিজেপির কোনও শীর্ষস্থানীয় নেতাকেও সেখানে দেখা যায়নি![TECHTARANGA-POST:8018]বিজেপি সূত্রের খবর, কাঠফাটা রোদে দাঁড়িয়ে থেকেও জেলা নেতৃত্বের এমন উদাসীন আচরণে বেজায় ক্ষুব্ধ হন স্মৃতি। তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করা হলেও কোনো লাভ হয়নি। কর্মসূচি শেষ না করেই তিনি দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন।[TECHTARANGA-POST:7991]স্মৃতি ইরানি চলে যাওয়ায় ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর সূচনা করেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ। এদিন তিনি ঘোষণা করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে পাবেন। তবে, খোদ কেন্দ্রীয় নেত্রী সভা না করেই চলে যাওয়ায় উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা লক্ষ করা গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8002]ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ দাবি করেছেন, স্মৃতির অন্য কর্মসূচি থাকায় তিনি তড়িঘড়ি ফিরে গিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, জেলা সভাপতির অনুপস্থিতি এবং নেত্রীর এভাবে মাঝপথে চলে যাওয়াই স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে হুগলি বিজেপির অন্দরে ফাটল চওড়া হয়েছে। ইভিএমে এই অন্তর্কোন্দলের প্রভাব কতটা পড়ে, এখন সেটাই দেখার।