ঢাকা/রাজবাড়ী: ওপার বাংলায় ভয়াবহ জল-বিপর্যয়। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন ভেঙে প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেল একটি যাত্রীবাহী বাস। বুধবার বিকেলের এই মর্মান্তিক ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নদীর ৩০ থেকে ৬০ ফুট গভীরে বাসটি তলিয়ে যাওয়ায় এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:7597]স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনে দাঁড়িয়েছিল বাসটি। বিকেল সোয়া ৫টা নাগাদ বাসটিতে যাত্রীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঠিক সেই সময় 'হাসনাহেনা' নামে একটি ফেরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে পন্টুনে ধাক্কা মারে। ফেরির প্রবল ধাক্কায় পন্টুনটি ভেঙে যায় এবং বাসটি মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীসহ উত্তাল পদ্মায় পড়ে যায়।[TECHTARANGA-POST:7591]দুর্ঘটনার পরপরই কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও অধিকাংশ যাত্রীই বাসের ভেতরে আটকে পড়েন। খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধারকাজে নামে ডুবুরি দল। তবে রাতভর ঝড়-বৃষ্টির কারণে তল্লাশি চালাতে বেগ পেতে হয় উদ্ধারকারীদের। রাত ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ বাসের কিছু অংশ নদীর ওপরে দেখা যায় এবং সাড়ে ১১টা নাগাদ ক্রেন দিয়ে বাসটিকে ওপরে তোলা হয়। এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে পদ্মার বুকে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছেন ডুবুরিরা।[TECHTARANGA-POST:7585]ঘটনার জেরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ব্যাপক উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ফেরি কর্তৃপক্ষের গাফিলতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলো শনাক্ত করার কাজ চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার