পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত রাজ্যপাল রবীন্দ্রনারায়ণ রবির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সকালে লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালকে গেরুয়া গোলাপ, গেরুয়া উত্তরীয় এবং পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; প্রায় ৩০ মিনিটের দীর্ঘ বৈঠকে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে ধরেন শুভেন্দু।রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের চারটি স্তম্ভই বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়েছে। রাজ্যে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে তিনি রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। শুভেন্দুর কথায়, “আমি রাজ্যপালকে বলেছি, বাংলা বাঁচান।”[TECHTARANGA-POST:7274]বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতির সফরের সময় নির্ধারিত প্রোটোকল যথাযথভাবে মানা হয়নি। পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে ‘অপমান’ করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের দুই শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।গত সপ্তাহে শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী সম্মেলনে যোগ দিতে এসে ব্রাত্য হতে হয়েছিল রাষ্ট্রপতিকে। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে সভাস্থল পরিবর্তন করা নিয়ে খোদ রাষ্ট্রপতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। বিধাননগরে পৌঁছে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব, এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন।[TECHTARANGA-POST:7273]বৃহস্পতিবারই আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস রবীন্দ্রনারায়ণ রবি। আর দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই বিরোধী দলনেতার এই নালিশ রাজ্যের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সমীকরণকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটাই দেখার।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার