Hidden Stories (বাংলা)

বাংলায় এবার বুলেট গতিতে রেল! কাটল দীর্ঘদিনের জমিজট, এক ধাক্কায় ৬১ মেগা প্রজেক্টে সবুজ সংকেত কেন্দ্রের!

কলকাতা: দীর্ঘদিন ধরে যে জমিজটের গেরোয় আটকে ছিল বাংলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেল ও মেট্রো প্রকল্প, এবার তা এক লহমায় কেটে গেল। বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের সুফল যে সাধারণ মানুষ পেতে শুরু করেছেন, শনিবার সেই বার্তাই স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার পূর্ব রেলের উদ্যোগে আয়োজিত কলকাতা কেন্দ্রের ‘রোজগার মেলা’র মঞ্চ থেকে বাংলার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা করা হলো। রেলমন্ত্রক এবং রেলওয়ে বোর্ডের অনুমোদন দেওয়া ৬১টি বড়সড় রেল প্রকল্প যা এতদিন ফাইলের তলায় বন্দি ছিল, এবার তা সম্পূর্ণ গতিতে ট্র্যাকে নামতে চলেছে।[TECHTARANGA-POST:9433]কলকাতা কেন্দ্রের ড. বি সি রায় অডিটোরিয়ামে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানান, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব আগেই এই ৬১টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিলেন, কিন্তু বিগত রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা ও জমি না দেওয়ার নীতির কারণে তা থমকে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নন্দীগ্রাম বা হিলির মতো গুরুত্বপূর্ণ লাইনের জন্য মাত্র ৬ একর জমির প্রয়োজন ছিল, যা এতদিন দেওয়া হয়নি। আমরা দায়িত্ব নিয়েই সংশ্লিষ্ট দফতরকে সমস্ত বাধা সরানোর কড়া নির্দেশ দিয়েছি।” এর পাশাপাশি জোকা থেকে দমদম মেট্রো সম্প্রসারণের কাজ এবং চিংড়িঘাটায় ৬৬৬ মিটারের যে দীর্ঘদিনের জটিলতা ছিল, তা-ও পুরোপুরি মিটিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানান তিনি। এখন থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি সংস্থা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলায় উন্নয়নের কাজ করবে।[TECHTARANGA-POST:9430]একই সুরে সুর মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও ডবল ইঞ্জিন সরকারের কার্যকারিতা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করেন, জমি অধিগ্রহণ বা প্রশাসনিক লালফিতের ফাঁসে আর কোনও জনকল্যাণমূলক কাজ আটকে থাকবে না। এই মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু অধিকারীকে ‘পশ্চিমবঙ্গের নতুন রূপকার’ বলেও সম্বোধন করেন সুকান্ত। পাশাপাশি ১৯তম রোজগার মেলা প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে তিনি জানান, দেশজুড়ে প্রায় ৫১ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হয়েছে, যার বড় সুফল পেয়েছে কল্যাণী এইমস [TECHTARANGA-POST:9418]এদিনের হাইপ্রোফাইল অনুষ্ঠানে পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মিলিন্দ দেউষ্কর রেল ও রাজ্যের এই অভূতপূর্ব সমন্বয়কে স্বাগত জানান। তিনি যোগ করেন, চন্দনপুর-শক্তিগড় ফোর্থ লাইন, কল্যাণী-রানাঘাট থার্ড লাইন এবং রানাঘাট-বনগাঁ ডবল লাইনের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রুটের কাজ জমির অভাবে থমকে ছিল। এমনকি রাজ্যের প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি জায়গায় লেভেল ক্রসিং বন্ধ করে ফ্লাইওভার তৈরির কাজও থমকে গিয়েছিল। এবার সেই সব কাজ রকেটের গতিতে শেষ করতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে একজন বিশেষ নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে, যিনি সরাসরি রেলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন। ফলে বলাই বাহুল্য, দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে বাংলার রেল মানচিত্রে এক নতুন ভোরের সূচনা হতে চলেছে।

বাংলায় এবার বুলেট গতিতে রেল! কাটল দীর্ঘদিনের জমিজট, এক ধাক্কায় ৬১ মেগা প্রজেক্টে সবুজ সংকেত কেন্দ্রের!

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার