পরীক্ষা শুরুর আগেই যান্ত্রিক গোলযোগ! নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না কুয়েট ইউজি, নতুন সময় জানাল এনটিএ
নয়াদিল্লি: পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগেই বড়সড় বিপত্তি। প্রযুক্তিগত ও যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্ধারিত সময়ে শুরু করা গেল না দেশজুড়ে বহু প্রতীক্ষিত কুয়েট ইউজি (CUET UG) পরীক্ষা। শনিবার, ৩০ মে - দুপুর ৩টে থেকে এই প্রবেশিকা পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে তা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, এদিনের পরীক্ষা বিকেল ৪টে নাগাদ শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:9623]জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাটি মোট দু’টি পর্বে বা অর্ধে নেওয়া হচ্ছে। শনিবার প্রথমার্ধের পরীক্ষা চলাকালীনই দেশের বেশ কিছু কেন্দ্রের কম্পিউটারে বড়সড় কারিগরি সমস্যা দেখা দেয়। যে বেসরকারি সংস্থার দায়িত্বে গোটা পরীক্ষার ব্যবস্থাপনার কাজ চলছিল, তাদের তরফ থেকেই প্রথম এই যান্ত্রিক ত্রুটির কথা এনটিএ-কে জানানো হয়। পরীক্ষা চলাকালীন আচমকা এমন বিভ্রাটে স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।[TECHTARANGA-POST:9614]পরিস্থিতি সামাল দিতে অবশ্য দ্রুত ময়দানে নামে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। এনটিএ-র তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে যান্ত্রিক গোলযোগ সম্পূর্ণ মিটিয়ে ফেলা হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের অহেতুক চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। তবে প্রথমার্ধের সমস্যার রেশ ধরে দ্বিতীয় আর্ধের পরীক্ষাটি এক ঘণ্টা পিছিয়ে বিকেল ৪টে থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের বেলা আড়াইটার মধ্যে অবশ্যই নিজেদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছর এই জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য দেশজুড়ে রেকর্ড ১৫,৬৮,৮৬৬ জন প্রার্থী নাম নথিভুক্ত করেছেন।[TECHTARANGA-POST:9601]প্রসঙ্গত, চলতি বছরের কুয়েট ইউজি পরীক্ষার সূচি ঘিরে বিতর্ক বা সমস্যা এই প্রথম নয়। এর আগেই এক দিনের পরীক্ষার সূচি বদল করতে বাধ্য হয়েছিল এনটিএ। গত ২৮ মে ছুটির দিনে পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও, অনিবার্য কারণে তা পিছিয়ে আগামী ৬ এবং ৭ জুন নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খোদ পরীক্ষা চলাকালীন প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটায় এনটিএ-র ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে ক্ষোভ ও চিন্তায় পড়েছেন পরীক্ষার্থীরা।