Hidden Stories (বাংলা)

‘স্পিকটি নট’ অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া! বাংলার মন বুঝতে ব্যর্থ দেশের সেরা সমীক্ষক সংস্থাও?

কলকাতা: বাংলার ভোটারদের মনে কী চলছে, তা বোঝা কি খোদ বিধাতারও অসাধ্য? অন্তত দেশের অন্যতম নামী সমীক্ষক সংস্থা ‘অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া’র সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সেই জল্পনাকেই উস্কে দিল। ২৪ ঘণ্টার টানাপোড়েন শেষে সংস্থার শীর্ষকর্তা প্রদীপ গুপ্তা জানিয়ে দিলেন, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল তাঁরা প্রকাশ করবেন না। আর, এই ঘোষণার পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।[TECHTARANGA-POST:8613]যেখানে একের পর এক সংস্থা বিজেপি বা তৃণমূলের জয়ের দাবি করে সংখ্যাতত্ত্ব পেশ করছে, সেখানে অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এই নীরবতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রদীপ গুপ্তার দাবি, বাংলার ৬০-৭০ শতাংশ ভোটার নিজেদের মতামত জানাতেই রাজি হননি। তাঁর বক্তব্য, “আমরা মুখোমুখি কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করি। কিন্তু, বাংলার অধিকাংশ মানুষ মুখই খুলতে চাইছেন না। মাত্র ২০-৩০ শতাংশ মানুষের মতামতের উপর ভিত্তি করে আমরা কোনও ভুল সংখ্যা বলতে চাই না যাতে আমাদের নিজেদেরই আস্থা নেই।”[TECHTARANGA-POST:8611]তথ্যাভিজ্ঞ মহল বলছে, বাংলার রাজনীতিতে বহু ক্ষেত্রে এই ‘সাইলেন্ট ভোটার’ বা নীরব ভোটদাতারাই আসল ফ্যাক্টর। বিশেষ করে মহিলা ভোটারদের মন বুঝতে হিমশিম খায় সব সমীক্ষক সংস্থাই। ২০১৬ থেকে ২০২৪ - বারবার দেখা গিয়েছে বাংলার ক্ষেত্রে এক্সিট পোলের হিসাব সম্পূর্ণ উল্টে গিয়েছে! সম্ভবত সেই বদনাম এড়াতেই এবার আর ঝুঁকি নিতে চাইল না প্রদীপ গুপ্তার সংস্থা। বদলে তারা কার্যত স্বীকার করে নিল, বাংলার রাজনীতির রহস্য ভেদ করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয়নি![TECHTARANGA-POST:8609]অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার এই সিদ্ধান্তে স্বভাবতই প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল বাকি সব সমীক্ষক সংস্থার রিপোর্ট। প্রশ্ন উঠছে, প্রদীপ গুপ্তারা যখন স্যাম্পল সংগ্রহ করতে পারলেন না, তখন বাকিরা কীভাবে নিশ্চিত সংখ্যা দাবি করছেন? এদিকে, বাংলার মানুষের প্রকৃত রায় বর্তমানে ইভিএমে বন্দি, যার তালা খুলবে আগামী ৪ মে। তত দিন পর্যন্ত ‘বাংলার মন’ এক বিরাট রহস্য হয়েই রইল।

‘স্পিকটি নট’ অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া! বাংলার মন বুঝতে ব্যর্থ দেশের সেরা সমীক্ষক সংস্থাও?

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার