কেরলে ধসে পড়ছে বাম-দুর্গ! ১০ বছর পর বিপুল প্রত্যাবর্তনে ‘হাত’ শিবির, বিপর্যয়ের মুখে খোদ মুখ্যমন্ত্রী
কেরলের রাজনীতিতে দীর্ঘ চার দশকের প্রথা ভেঙে ২০২১ সালে টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে ইতিহাস গড়েছিল বামেরা, কিন্তু ২০২৬-এর ফলপ্রকাশের সকালেই সেই ইতিহাসের চাকা উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করেছে। ১৪০ আসনের কেরল বিধানসভায় এই মুহূর্তে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF) ঝোড়ো ব্যাটিং করছে।[TECHTARANGA-POST:8731] প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, কংগ্রেস জোট ইতিমধ্যেই ৯০টিরও বেশি আসনে লিড নিয়ে ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে গিয়েছে, যেখানে ক্ষমতাসীন এলডিএফ (LDF) ৪০টির আশেপাশে থমকে আছে। সবথেকে বড় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে ঘিরে; নিজের খাসতালুক ধর্মধামে তিনি কংগ্রেসের যুবনেতা ভিপি আব্দুল রশিদের কাছে পিছিয়ে পড়েছেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, তাঁর মন্ত্রিসভার অন্তত ১৪ জন হেভিওয়েট মন্ত্রীও বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে এই মুহূর্তে পিছিয়ে রয়েছেন।[TECHTARANGA-POST:8729]রাজনৈতিক মহলে এখন ২০১১ সালের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের সেই স্মৃতি ফিরে আসছে, যখন যাদবপুরে হেরে গিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কেরলেও বিজয়নের পরিণতি তেমনটাই হবে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, এক্সিট পোলগুলোতে ইউডিএফ-এর এগিয়ে থাকার আভাস থাকলেও তা ছিল সমানে-সমানে লড়াইয়ের ইঙ্গিত। [TECHTARANGA-POST:8727]কিন্তু বাস্তবের লড়াই বলছে, কংগ্রেসের ‘সেঞ্চুরি’ করার সম্ভাবনা প্রবল। ইতিমধ্যে পিনারাই বিজয়ন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ পরিচয় সরিয়ে নেওয়ায় দলের অন্দরেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। কেরলবাসী কি তবে আবারও প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদলের পুরনো প্রথাতেই শিলমোহর দিল— উত্তরের অপেক্ষায় এখন গোটা দেশ।হিডেন স্টোরিজ নিউজকপি--রাই