আমিরশাহীকে রক্ষা করতে ‘ফুটো’ আয়রন ডোম দিচ্ছে ইজরায়েল! বন্ধুকে বাঁচাতে পাঠাচ্ছে সেনাও
দুবাই: পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে এবার এক চমকপ্রদ মোড়। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে বন্ধু দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহীকে (UAE) তাদের সবথেকে শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ দিচ্ছে ইজরায়েল! সংবাদমাধ্যম ‘এক্সিওস’-এর দাবি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিজেই কথা বলেছেন আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে। শুধু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দেওয়াই নয়, এই ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য আমিরশাহীতে ইজরায়েলি সেনাও মোতায়েন করা হচ্ছে![TECHTARANGA-POST:8442]এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা এবং নেটিজেনদের ঠাট্টা-তামাশা! কারণ, খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, যখন খোদ ইজরায়েলের মাটিতেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টির সামনে এই আয়রন ডোমের ‘দফারফা’ হয়ে গিয়েছিল! সেই সময় ইজরায়েলি প্রযুক্তির ব্যর্থতা দেখে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। অনেকে তো এই সুরক্ষাব্যবস্থাটি নিয়ে চরম মশকরাও করেছিলেন! নেটদুনিয়ায় ট্রোলিং চলেছিল যে - আয়রন ডোম আসলে শত্রুর মিসাইল আটকানোর চেয়ে বেশি আকাশ দেখাচ্ছে! সেই ‘ফুটো’ ছাতা দিয়েই এখন আমিরশাহীকে রক্ষা করার পরিকল্পনা কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন।[TECHTARANGA-POST:8444]রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের হামলায় ওই অঞ্চলে মোতায়েন আমেরিকার অত্যন্ত শক্তিশালী রাডার এবং আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘থাড়’ (THAAD) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন সুরক্ষাকবচ দুর্বল হয়ে পড়ায় বাধ্য হয়েই এখন ইজরায়েলের শরণাপন্ন হতে হয়েছে আমিরশাহীকে।ইজরায়েল দাবি করে যে তাদের এই আয়রন ডোম ৪ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম এবং ভবিষ্যতে এর পাল্লা ২৫০ কিলোমিটার করার চেষ্টা চলছে। তবে, ইরানের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের গতির সামনে আয়রন ডোম কতটা কার্যকরী, তা নিয়ে খোদ সামরিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যেই সন্দেহ রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8441]আপাতত ‘বন্ধুত্বের খাতিরে’ ইজরায়েলি সেনা এবং তাদের বিতর্কিত ‘আয়রন ডোম’ পাড়ি দিচ্ছে আমিরশাহীতে। এখন দেখার বিষয়, ইরানের পরবর্তী হামলার সময় এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থাটি সত্যিই কাজ করে নাকি আবারও মশকরার নতুন উপকরণ হয়ে দাঁড়ায়!