প্রতিরক্ষায় ভারতের বড় চমক: ড্রোন যুদ্ধে তেহরান-ওয়াশিংটনকে টেক্কা দিতে তৈরি দেশীয় ঘাতক ‘শেষনাগ ১৫০’
নিজস্ব প্রতিনিধি: আধুনিক যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলে দিতে এবার আসরে নামল ভারত। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ হোক বা ইরান-ইজরায়েল সংঘাত— বর্তমান রণকৌশলে আত্মঘাতী ড্রোনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারত বানিয়ে ফেলল সস্তার অথচ অত্যন্ত ঘাতক আত্মঘাতী ড্রোন ‘শেষনাগ ১৫০’। বেঙ্গালুরুর প্রতিরক্ষা সংস্থা 'নিউস্পেস রিসার্চ টেকনোলজিস' (NRT)-এর তৈরি এই ড্রোন ভারতের সামরিক শক্তিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:6964]বিশ্বজুড়ে সস্তার আত্মঘাতী ড্রোন তৈরির ক্ষেত্রে এতদিন ইরানের ‘শাহেদ ১৩৬’ ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। এমনকি ইরানকে টেক্কা দিতে সম্প্রতি আমেরিকাই বানিয়েছিল ‘লুকাস’ ড্রোন। এবার সেই তালিকায় ঢুকে পড়ল ভারতের নাম। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘সিঁদুর অভিযান’-এর সাফল্যের পর থেকেই ভারত এই ধরনের ড্রোন প্রযুক্তিতে জোর দিয়েছিল। ‘শেষনাগ ১৫০’ সেই পরিকল্পনারই এক অভাবনীয় ফসল।[TECHTARANGA-POST:6963]কেন এত ভয়ংকর ‘শেষনাগ ১৫০’?প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রে এই ড্রোনের যে ক্ষমতা সামনে এসেছে তা রীতিমতো তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো: এই ড্রোন ১০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নির্ভুলভাবে নিশানা বানাতে পারে। এটি প্রায় ২৫ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম। ‘শেষনাগ ১৫০’-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর গতিবিধি প্রতিপক্ষের রেডারে ধরা পড়বে না। একনাগাড়ে ৫ ঘণ্টা আকাশে উড়তে পারে এবং টার্গেটের ওপর চক্কর কাটতে কাটতে সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।[TECHTARANGA-POST:6962]ঝাঁকে ঝাঁকে বা ‘সোয়ার্ম’ আকারে হামলা চালিয়ে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যূহকে নিমেষেই তছনছ করে দিতে পারে এই ড্রোন।[TECHTARANGA-POST:6961]ইতিমধ্যেই এই আত্মঘাতী ড্রোনের প্রাথমিক পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেবল চূড়ান্ত পরীক্ষার অপেক্ষা। ভারতীয় সেনার হাতে এই ড্রোন চলে এলে সীমান্ত সুরক্ষা এবং কৌশলগত হামলায় ভারত আরও কয়েক কদম এগিয়ে যাবে। ‘শেষনাগ ১৫০’-কে আরও ঘাতক করে তোলার কাজ বর্তমানে নিরন্তর চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।